মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভূমি সেবা ইন্টারনেট ব্যাংকিং সহ তথ্যের ভান্ডার।

শিরোনাম
Leave List 2027: সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ছুটির বড় সুযোগ, এক দিন ছুটি নিলেই মিলতে পারে দীর্ঘ অবকাশ সরকারি কর্মচারীদের সার্ভিস বুক নিয়ে সতর্কতা, চাকরি থেকে পেনশন পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যেসব তথ্য থাকতে হবে নতুন বেতন কাঠামোয় বাড়িভাড়া নিয়ে নতুন হিসাব, ১৫তম ও ১৬তম গ্রেডে বড় পার্থক্য বাড়ি নির্মাণে রডের খরচ কত? BSRM, KSRM, GPH ও AKS-এর দাম ও হিসাব জানুন এক ক্লিকেই ২৯ দেশের মুদ্রার হিসাব, বাংলাদেশি টাকায় মূল্য জানার নতুন ডিজিটাল সুবিধা সড়ক পরিবহন বিধিমালায় সংশোধন: মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেট প্রদর্শনে নতুন নিয়ম ভুল এসএ রেকর্ডে জমির মালিকানা হারানোর শঙ্কা নেই, প্রকৃত স্বত্ব নির্ধারণে আদালতের আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ সরকারি কর্মচারীদের চিকিৎসাসেবা সহজ করতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, থাকছে ডাক্তার খোঁজা থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্টের সুবিধা সরকারি কর্মচারীদের গৃহ নির্মাণ ও ফ্ল্যাট ক্রয়ের ঋণ: আবেদন থেকে কিস্তি কর্তন পর্যন্ত সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া এইচএসসিতে পাসের হার কমে ৫২ শতাংশে, এসএসসিতেও হতাশাজনক চিত্র

বিভিন্ন পর্চা চেনার উপায় ২০২৬ । সিএস, এসএ, আরএস, বিআরএস খতিয়ান শনাক্ত করবেন কিভাবে?

admin ৩ মিনিটের পাঠ
খতিয়ান বা পর্চা চেনার উপায় ২০২৩

বাংলাদেশের জায়গা জমির দলিল খতিয়ান দাগ পর্চা নিয়ে বক্স বন্দি করে রাখলেও এগুলো সম্পর্কে খুব একটা পরিস্কার ধারনা আমরা রাখি না। আজ আমরা CS, SA, RS, City জরিপ এবং BRS জরিপ খতিয়ান সম্পর্কে ধারণা নেব। এই বিবরণ দেখে একজন আম জনতাও খতিয়ান বা পর্চা দেখে চিনতে পারবেন আশা করছি-বিভিন্ন পর্চা চেনার উপায় ২০২৬

খতিয়ান বা জরিপ কি?

খতিয়ান হলো জরিপ বিভাগ বা ভূমি অফিস কর্তৃক সরেজমিনে জমি বা ভূমিতে গিয়ে জমির মালিকানা বিবরণ ও নকশা তৈরি করে যে রেকর্ড তৈরি বা প্রকাশ করা হয়। মোট কথা জমির বিস্তারিত বিবরণ।

সি,এস খতিয়ান

ভারত শাসনামলের খতিয়ান (কাল: ১৮৮৯ থেকে ১৯৪০)। যেখানে জমিদারদের তথ্য এবং জমির মালিকানার তথ্য থাকে। এটি প্রথম খতিয়ান। এটি দুই পৃষ্ঠার হয় এবং লম্বালম্বি ভাবে লেখা হয়। দেখতে নিচের চিত্রের মত হয়। হাতে লেখাও থাকতে পারে। বর্তমানে প্রিন্ট বা কম্পিউটার কপিও হয়। আপনি চাইলে অনলাইনে আবেদন করে এটি ডাক বিভাগের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফি দিয়ে বাসায় পেতে পারেন। বর্তমানে এপিঠ-ওপিঠ প্রিন্ট করে দেয়।

সি,এস খতিয়ান

এস,এ খতিয়ান

এস,এ খতিয়ান মুলত পাকিস্তান আমলের খতিয়ান। সি,এস খতিয়ানের পর এটি অবস্থান। কাল হচ্ছে ১৯৪৭ এরপর থেকে ১৯৫৬- ১৯৬২ পর্যন্ত। তখন মূলত জমিদারী প্রথা নাই। পাশে সাবেক খতিয়ান (সিএস খতিয়ান) এবং হাল কতিয়ান উল্লেখ থাকে। আড়াআড়ি ভাবে থাকে। রেসা নং থাকে না।নমুনা হিসাবে নিচের চিত্রটি দেখুন।

এস,এ খতিয়ান

আর,এস খতিয়ান

আরএস খতিয়ান বা জরিপের মূল কারণ হচ্ছে এসএ খতিয়ানের ভুল সংশোধন। ১৯৬৬-৮০ সাথে এটি সম্পন্ন হয়। এখানে জমির মালিক বা দখলদারদের নিয়ে তথ্য থাকে। এটিও লম্বলম্বি ভাবে থাকে তবে এখানে সিএস এর মত জমিদারদের তথ্য থাকে না। এটি দুই পৃষ্ঠার হয়। নিচের চিত্রের মত হয়। রিসার্ভে নং লেখা থাকে।

আরএস খতিয়ান

সিটি জরিপ খতিয়ান

সিটি জরিপ খতিয়ান এ উপরের খতিয়ান নং লেখা থাকে এবং সিটি জরিপ সিল মারা থাকে। এটি আড়াআড়ি ভাবে এক পাতার পর্চা হয়ে থাকে। নিচের চিত্রের মতোন। সময়কাল এটি ২০০০ সালে সম্পন্ন হয়। এটি কম্পিউটারে টাইপ করা হয়।

সিটি জরিপ বা খতিয়ান

বি,আর,এস খতিয়ান

বিআরএস জরিপটি এখনও বাংলাদেশে চলমান। বিআরএস জরিপটি সম্পন্ন হচ্ছে। এটি আড়াআড়ি ভাবে প্রিন্ট করা হয়। কম্পিউটারে টাইপ করা থাকে তথ্য। তবে সিটি জরিপ সিল দেওয়া থাকে না এবং হুবহু সিটি জরিপ খতিয়ানের মতই দেখতে। নিচের চিত্রের মতো দেখে নিন।

বিএসআর জরিপ

ডিপি খতিয়ান বা মাঠ পর্চা

মাঠ পর্চা চেনার সহজ উপায় হচ্ছে এটি হাতে লেখা থাকে। এটিতে ভূমি অফিসের তসদিককৃত লেখা সিল দেওয়া থাকে। ডিপি নং দেওয়া থাকে। এটি মূলত দখলের ভিত্তিতে তৈরি করা থাকে। নিচের চিত্রের মত।

মাঠ পর্চা বা ডিপি খতিয়ান

বিস্তারিত আসছে ভিডিও সহ………………..

আরও পড়ুন

মন্তব্য (৭)

    1. অনলাইনে সিটি জরিপের আবেদন করবো কিভাবে। সিটি জরিপের অপশন তো নাই

      1. সিটি জরিপের জন্য আবেদন করা যাবে না। সিটি জরিপের পর্চা ডাউনলোড বা সার্টিফাইড কপি প্রাপ্তির আবেদন করতে পারবেন। https://eporcha.gov.bd/

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *