ই-পাসপোর্ট বুকলেটে বড় পরিবর্তনের চূড়ান্ত অনুমোদন: ফিরছে ‘Except…
বাংলাদেশের ই-পাসপোর্ট বুকলেটের ডিজাইনে বড় ধরনের পরিবর্তনের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। বিদ্যমান ছবিগুলো পুনর্বিন্যাস করে
মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট প্রদানের পর বর্তমানে সরকার ই পাসপোর্ট প্রদান করছে। আপনি অনলাইনেই ই পাসপোর্ট এর আবেদন করতে পারবেন। ই পাসপোর্ট প্রাপ্তি ও সংশোধন সংক্রান্ত তথ্য এখানে পাবেন।
বাংলাদেশী পাসপোর্ট হল একটি আইসিএও অনুগামী, মেশিন রিডেবল এবং বায়োমেট্রিক ই-পাসপোর্ট পাসপোর্টধারীর দ্বারা বিদেশে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে জারি করা হয় এমন পরিচয়পত্র । বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ যে দেশ সমস্ত যোগ্য নাগরিকের জন্য ই-পাসপোর্ট ইস্যু করেছে। পাসপোর্ট পুস্তিকাটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর উৎপাদন, মুদ্রণ এবং জারি করে। ই-পাসপোর্টে বৈদ্যুতিক মাইক্রোপ্রসেসর চিপ এম্বেসড করা রয়েছে। ই-পাসপোর্টটিতে পাতলা ঝিল্লি স্তরে এম্বেসড হলোগ্রাফিক চিত্রসহ একত্রিশটি আলাদা সুরক্ষা বৈশিষ্ট্য যুক্ত রয়েছে। এই সুরক্ষা বৈশিষ্ট্য আলোর নিচে রঙ পরিবর্তন করে এবং চলন্ত হিসাবে প্রদর্শিত হয়।এছাড়া ইসরাইল ব্যতীত পৃথিবীর যেকোনো দেশে বাংলাদেশী পাসপোর্ট ব্যবহার যোগ্য।[৬] ই-পাসপোর্টধারীর ডেমোগ্রাফিক এবং বায়োমেট্রিক তথ্য, যেমন দশটি আঙুলের ফিঙ্গারপ্রিন্ট, আইরিস স্ক্যান, মুখের রঙিন ছবি এবং ডিজিটাল স্বাক্ষর ই-পাসপোর্টে চিপে সংরক্ষণ করা হয়। [৭] আবেদনকারীর বয়সের উপর নির্ভর করে, ই-পাসপোর্টটি পাঁচ বছর বা দশ বছরের জন্য বৈধ করা হয় এবং এটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার বা এর বিদেশী কূটনৈতিক মিশনের মাধ্যমে জন্মগতভাবে নাগরিকদের বংশোদ্ভূত বা সরাসরি নাগরিকদের মধ্যে যোগ্য বাংলাদেশী নাগরিকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।
বাংলাদেশের ই-পাসপোর্ট বুকলেটের ডিজাইনে বড় ধরনের পরিবর্তনের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। বিদ্যমান ছবিগুলো পুনর্বিন্যাস করে
বাংলাদেশে ২০২০ সালের ২২ শে জানুয়ারি থেকে ই-পাসপোর্টের ব্যবহার শুরু করে। ই পাসপোর্ট ব্যবহারের দিক
পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্রের স্বাক্ষরের ভিন্ন থাকলে বিপদে পড়বেন কিনা তা নিয়েই আলোচনা করা হবে-
অপ্রাপ্তবয়স্ক বলতে আমরা সাধারণত ১৮ বছরের কম বয়সী ব্যক্তিকে বুঝি। কিন্তু পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে ১৫
বিভিন্ন সময় কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বিদেশ ভ্রমণের সরকারি আদেশ জারি করা হচ্ছে। কিন্তু তাঁদের বিদেশ ভ্রমণের সরকারি
বাংলাদেশে পাসপোর্ট করার অনেক প্যারা রয়েছে সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্থ অফিস এই পাসপোর্ট অফিস-সাধারণত দালাল দিয়েই পাসপোর্ট
পাসপোর্ট করার জন্য প্রথমত আপনার ফি যোগার করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সংগ্রহ করতে হবে
কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন মামলা হলে সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তির নামে পাসপোর্ট ইস্যু হবে কি না?
জনাব মোহাম্মদ শফিক বিদেশে ভ্রমন করতে চাচ্ছেন কিন্তু এ মহূর্তে তার পাসপোর্ট নেই। আর এজন্য
পাসপোর্ট করতে ৪০০০ টাকা থেকে ১৩০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে-ডেলিভারীর ধরণ ভেদে ব্যয় বৃদ্ধি