এফিডেভিটের মাধ্যমে বিয়ে পড়ানো ও নিবন্ধন করা যাবে…
এফিডেভিট বা হলফনামার মাধ্যমে বিয়ে পড়ানো কিংবা বিয়ের নিবন্ধন করার সুযোগ নেই—এমন নির্দেশনা দিয়েছে আইন,
মুসলিম বিবাহ ও তালাক রেজিষ্ট্রীকরণ সম্পর্কিত আইন একীকরণ ও সংশোধন করিবার জন্য আইন ]
যেহেতু মুসলিম বিবাহ ও তালাক রেজিষ্ট্রীকরণ সম্পর্কিত আইন একীকরণ ও সংশোধন করা সমীচীন; সেহেতু উহা এতদ্বারা নিম্নরূপ বিধিবদ্ধ করা হইলঃ
এফিডেভিট বা হলফনামার মাধ্যমে বিয়ে পড়ানো কিংবা বিয়ের নিবন্ধন করার সুযোগ নেই—এমন নির্দেশনা দিয়েছে আইন,
মাদক কেবল একটি সামাজিক ব্যাধি বা স্বাস্থ্যগত সমস্যাই নয়, দাম্পত্য জীবনের আঙিনায় এটি একটি চরম
আইন না জানার কারণে অনেক সময় সাধারণ মানুষ বড় ধরনের আইনি বিপদে জড়িয়ে পড়েন। এমনকি
বিয়ের সময় কাবিননামার বিভিন্ন শর্ত নিয়ে সাধারণত খুব বেশি আলোচনা হয় না। অনেক ক্ষেত্রে কাবিননামার
বাংলাদেশে মুসলিম বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনের জন্য প্রতিটি ইউনিয়নে সরকার একজন করে নিকাহ রেজিস্ট্রার বা
সংসারের এগারোটি বছর পার করার পর হঠাৎ একদিন দরজায় এসে দাঁড়ালেন অন্য এক নারী, দাবি
বিয়ে কাজী অফিসেই করতে হয়, কোর্ট ম্যারেজ বলতে কিছু নেই-এখানে শুধু দুইশত টাকার হলফ নামায়
কোর্ট ম্যারেজ বলতে কিছু নেই – বিয়ে কাজীর মাধ্যমেই করতে হবে, নিশ্চয়তার জন্য নোটারি পাবলিক
মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন অনুযায়ী, বিয়ের দেনমোহরের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে সরকারি ফি
বিবাহের প্রমানক হিসেবে কাবিননামাই গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট – জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট বা অন্য যে কোন সরকারি