আজকের খবর ২০২৬

ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে নতুন আইনি কাঠামো, জারি হলো বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ ২০২৬

দেশে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন ও ব্যবহার বাড়ানো, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন সহজ করা এবং এ খাতে বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি কাঠামো তৈরির লক্ষ্যে ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে সরকার। ১৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত বাংলাদেশ গেজেটে অধ্যাদেশটি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এর মাধ্যমে বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন, সম্প্রসারণ এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পৃথক বিধান প্রণয়ন করা হয়েছে।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে জারি করা অধ্যাদেশটি বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। গেজেটে এর নম্বর উল্লেখ করা হয়েছে অধ্যাদেশ নং ৩৯, ২০২৬।

কেন নতুন অধ্যাদেশ জারি করা হলো?

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা এবং বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির চাপ কমানোর বিষয়টি সরকারের নবায়নযোগ্য জ্বালানিবিষয়ক উদ্যোগের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বিশেষ করে সরকারি ও বেসরকারি ভবনের ছাদ ব্যবহার করে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ উদ্দেশ্যে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি কোম্পানির স্থাপনাগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী গ্রীষ্মের আগে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। এই লক্ষ্য অর্জনে বিনিয়োগ, বিদ্যুৎ ব্যবহারের মূল্য নির্ধারণ, চুক্তি এবং রক্ষণাবেক্ষণসংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি কাঠামো তৈরির উদ্দেশ্যে অধ্যাদেশটির উদ্যোগ নেওয়া হয়।

সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে ওপেক্স ও ক্যাপেক্স মডেল

অধ্যাদেশে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের ক্ষেত্রে দুটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ও পরিচালনাগত মডেলের উল্লেখ রয়েছে। এগুলো হলো অপারেশনাল এক্সপেনডিচার (OPEX) এবং ক্যাপিটাল এক্সপেনডিচার (CAPEX) মডেল।

১. ওপেক্স মডেল: সেবাদাতার অর্থায়নে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন

ওপেক্স মডেলে একটি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নিজস্ব অর্থায়নে উপযুক্ত স্থানে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নিতে পারে। সংশ্লিষ্ট চুক্তির শর্ত অনুসারে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ব্যবহার এবং আর্থিক সমন্বয় করা হবে।

এই ব্যবস্থায় কোনো প্রতিষ্ঠানকে শুরুতেই সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনার সম্পূর্ণ মূলধনী ব্যয় বহন করতে হয় না—এটি মডেলটির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। তবে বাস্তবে কার কত অর্থ ব্যয় হবে, বিদ্যুতের মূল্য কীভাবে নির্ধারিত হবে এবং রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব কার ওপর থাকবে, তা সংশ্লিষ্ট চুক্তি ও প্রযোজ্য বিধানের ওপর নির্ভর করবে।

২. ক্যাপেক্স মডেল: নিজস্ব অর্থায়নে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন

ক্যাপেক্স মডেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান নিজস্ব অর্থায়নে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে পারে। অধ্যাদেশে এই মডেলকে মূলধনী ব্যয়ের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন ও মালিকানা সংরক্ষণের সঙ্গে সম্পর্কিত করে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

যেসব প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব আয় রয়েছে, তাদের ভবিষ্যৎ আয় বিবেচনায় ক্যাপেক্স মডেলে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের সুযোগ রাখার কথা আগের সরকারি ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়েছিল।

দুটি মডেলের মূল পার্থক্য হলো—ওপেক্স ব্যবস্থায় সেবাদাতার অর্থায়ন ও পরিচালনাগত দায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ, আর ক্যাপেক্স ব্যবস্থায় প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব মূলধনী বিনিয়োগ মুখ্য।

সরকারি ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের সুযোগ

অধ্যাদেশে ‘উপযুক্ত স্থান’ এবং ‘ছাদ’-এর সংজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে ভবনের ছাদ ছাড়াও পার্কিং এলাকা, গ্যারেজ, বাণিজ্যিক বা শিল্প স্থাপনার ছাদ এবং সৌর প্যানেল বসানোর উপযোগী নির্দিষ্ট স্থান বিবেচনার বিষয় রয়েছে।

এ ধরনের ব্যবস্থা সরকারি অফিস, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় সরকার সংস্থা, সরকারি কোম্পানি এবং উপযুক্ত বেসরকারি স্থাপনায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের সুযোগ বাড়াতে পারে।

তবে কোনো ভবনের ছাদ উপযুক্ত হলেই সেখানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন করা যাবে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না। প্রকল্পের অনুমোদন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা, চুক্তি এবং অন্যান্য প্রযোজ্য শর্ত অনুসরণ করতে হবে।

নেট মিটারিং ব্যবস্থার গুরুত্ব

অধ্যাদেশে নেট মিটারিংয়ের সংজ্ঞাও রয়েছে। নেট মিটারিং হলো এমন একটি বিদ্যুৎ পরিমাপ ও বিলিং ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে গ্রাহকের সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ এবং গ্রিড থেকে ব্যবহৃত বিদ্যুতের হিসাব সমন্বয় করা হয়।

সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পর গ্রাহকের নিজস্ব চাহিদা পূরণ করে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ থাকলে প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী তা গ্রিডে সরবরাহ করা যেতে পারে। সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থায় বিদ্যুৎ ব্যবহারের হিসাব ও আর্থিক সমন্বয় প্রযোজ্য বিধান এবং নির্ধারিত ট্যারিফের ভিত্তিতে হবে।

এতে ভবনমালিক ও প্রতিষ্ঠানগুলো সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের সম্ভাব্য সুবিধা মূল্যায়ন করতে পারবেন। তবে নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করলেই সব ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট হারে অর্থ পাওয়া যাবে, এমন নিশ্চয়তা অধ্যাদেশের সংজ্ঞা থেকে পাওয়া যায় না।

বিনিয়োগ ও চুক্তির ক্ষেত্রে কী পরিবর্তন আসতে পারে?

সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অর্থায়ন, বিদ্যুৎ ব্যবহারের মূল্য, স্থাপনার রক্ষণাবেক্ষণ এবং চুক্তির মেয়াদ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পে এসব বিষয়ে স্পষ্ট শর্ত না থাকলে বিনিয়োগকারী ও বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিরোধের আশঙ্কা থাকে।

নতুন অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য হলো বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় বিধান তৈরি করা। এর আওতায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, সেবাদাতা, গ্রাহক এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে যুক্ত পক্ষগুলোর দায়িত্ব ও কার্যক্রমের জন্য কাঠামো নির্ধারণের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

বিশেষ করে সরকারি প্রতিষ্ঠানের ছাদে বেসরকারি বিনিয়োগে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের ক্ষেত্রে অর্থায়ন ও পরিচালনার দায়িত্ব, বিদ্যুৎ ব্যবহারের মূল্য এবং রক্ষণাবেক্ষণসংক্রান্ত শর্তগুলো চুক্তিতে স্পষ্ট থাকা জরুরি।

দরপত্র ও প্রকল্প বাস্তবায়ন

অধ্যাদেশে প্রকল্প বাস্তবায়নের পদ্ধতি, দরপত্র এবং সংশ্লিষ্ট চুক্তির বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এতে সীমিত দরপত্র পদ্ধতি এবং ইলেকট্রনিক সরকারি ক্রয়ব্যবস্থা বা ই-জিপি-সংক্রান্ত বিধানের উল্লেখ পাওয়া যায়।

এর অর্থ, সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ক্রয়পদ্ধতি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়ার বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ হবে। তবে কোন প্রকল্পে কোন পদ্ধতি প্রয়োগ হবে, তা নির্ধারণের জন্য অধ্যাদেশের সংশ্লিষ্ট ধারা ও প্রযোজ্য বিধান আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা

ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান শুধু প্যানেল স্থাপনেই সীমাবদ্ধ থাকবে কি না, তা প্রকল্পের ধরন ও চুক্তির ওপর নির্ভর করবে। ওপেক্স মডেলে স্থাপন, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

এ কারণে সেবাদাতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে কারিগরি সক্ষমতা, অর্থায়নের সামর্থ্য, পরিচালনাগত দক্ষতা এবং দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণের সক্ষমতা বিবেচনা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে প্রকল্পের চুক্তিতে বিদ্যুৎ ব্যবহারের মূল্য, সেবার মান এবং দায়িত্ব পালনের শর্ত স্পষ্ট থাকা দরকার।

সাধারণ গ্রাহকদের জন্য কী অর্থ বহন করে?

নতুন অধ্যাদেশের প্রভাব শুধু সরকারি ভবনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে কি না, তা নির্ভর করবে এর আওতায় গৃহীত প্রকল্প ও বাস্তবায়নব্যবস্থার ওপর। অধ্যাদেশে উপযুক্ত স্থান, ছাদ, গ্রাহক এবং নেট মিটারিংয়ের মতো বিষয় সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

এ থেকে বোঝা যায়, ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে আরও সুসংগঠিতভাবে সম্প্রসারণের জন্য আইনি কাঠামো তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে প্রত্যেক বাড়ি বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে অবিলম্বে সৌর প্যানেল বসাতে হবে, কিংবা সব গ্রাহক একই ধরনের আর্থিক সুবিধা পাবেন—এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভিত্তি এই নথিতে নেই।

সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন করতে আগ্রহীদের জন্য প্রকল্পের অনুমোদন, স্থাপনার উপযোগিতা, বিদ্যুৎ সংযোগের নিয়ম, চুক্তির শর্ত এবং প্রযোজ্য নেট মিটারিং বিধান যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।

জ্বালানি নিরাপত্তায় সম্ভাব্য প্রভাব

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ক্ষেত্রে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ একটি সম্ভাবনাময় বিকল্প। অব্যবহৃত ছাদ ও উপযুক্ত স্থানে প্যানেল বসিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা গেলে প্রচলিত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।

সরকারের ঘোষিত ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের লক্ষ্য বাস্তবায়িত হলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য উৎসের অবদান বাড়তে পারে। তবে এই লক্ষ্য একটি ঘোষিত পরিকল্পনা; এটি ইতোমধ্যে অর্জিত উৎপাদনক্ষমতা নয়।

লক্ষ্য অর্জনের জন্য বিনিয়োগ নিশ্চিত করা, উপযুক্ত স্থাপনা নির্বাচন, দক্ষ সেবাদাতা নিয়োগ, মানসম্মত যন্ত্রপাতি ব্যবহার এবং দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন।

অধ্যাদেশটি নিয়ে যে বিষয়গুলো মনে রাখা জরুরি

প্রথমত, এটি একটি সরকারি অধ্যাদেশ, যা ১৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে। দ্বিতীয়ত, এতে বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন, ওপেক্স ও ক্যাপেক্স মডেল, উপযুক্ত স্থান, নেট মিটারিং এবং প্রকল্প বাস্তবায়নসংক্রান্ত বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তৃতীয়ত, অধ্যাদেশ জারি হওয়া এবং এর আওতায় সব প্রকল্প বাস্তবে চালু হয়ে যাওয়া এক বিষয় নয়। প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, চুক্তি, কারিগরি প্রস্তুতি এবং প্রযোজ্য বিধান অনুসরণ করতে হবে।

এ ছাড়া নির্দিষ্ট বিদ্যুতের মূল্য, সব প্রকল্পের জন্য একক চুক্তির মেয়াদ, প্রত্যেক গ্রাহকের জন্য আর্থিক সুবিধা কিংবা বাধ্যতামূলক স্থাপনসংক্রান্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানাতে হলে সংশ্লিষ্ট ধারা ও পরবর্তী সরকারি নির্দেশনা যাচাই করা প্রয়োজন।

শেষ কথা

‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬’ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের জন্য একটি পৃথক আইনি কাঠামো প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ। এর লক্ষ্য সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনায় সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার সম্প্রসারণ, বিনিয়োগের কাঠামো সুস্পষ্ট করা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য উৎসের ব্যবহার বাড়ানোর প্রচেষ্টাকে সহায়তা করা।

তবে অধ্যাদেশের বাস্তব সুফল নির্ভর করবে এর বিধান কীভাবে প্রয়োগ করা হয়, বিনিয়োগকারীরা কতটা আগ্রহী হন, প্রকল্পগুলো কত দ্রুত বাস্তবায়িত হয় এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারের আর্থিক ও কারিগরি শর্তগুলো কতটা কার্যকরভাবে পরিচালিত হয়—তার ওপর।

সূত্র: বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত সংখ্যা, ১৯ অক্টোবর ২০২৬; অধ্যাদেশ নং ৩৯, ২০২৬—বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬; বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *