ভূমি আইনের কঠিন বাস্তবতা: কেন দখল না থাকলে…
“আমার ২০ বছরের কাগজ আছে, জমি আমার হবেই।”—ভূমির মালিকানা নিয়ে এমন আত্মবিশ্বাসী মন্তব্য প্রায়ই শোনা
ভূমি সংক্রান্ত যে কোন তথ্য এই ক্যাটাগরিতে পাবেন। ভূমি আইন এবং রেকর্ড কি, কিভাবে দলিল করতে হয় ইত্যাদি তথ্য পাবেন। ব্যক্তি পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৬০ বিঘা কৃষিজমির মালিকানা লাভের সুযোগ রেখে ভূমি সংস্কার আইনের খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
“আমার ২০ বছরের কাগজ আছে, জমি আমার হবেই।”—ভূমির মালিকানা নিয়ে এমন আত্মবিশ্বাসী মন্তব্য প্রায়ই শোনা
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এবং এর অধীন প্রণীত বিধিমালা কার্যকর হওয়ার ফলে
জমির রেকর্ড অন্যের নামে হয়ে যাওয়া বাংলাদেশের একটি বহুল প্রচলিত সমস্যা, যা লাখ লাখ পরিবারকে
দীর্ঘদিনের হয়রানি ও সময়ক্ষেপণের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনায় এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়।
বাংলাদেশে জমি নিয়ে বিরোধ ও মামলার অন্যতম প্রধান কারণ হলো মালিকানা সংক্রান্ত কাগজপত্রের অসঙ্গতি। অনেকের
ঢাকা, ২১ নভেম্বর ২০২৫ — দেশের দীর্ঘদিনের জটিল ও দুর্বোধ্য উত্তরাধিকার সম্পত্তি ভাগাভাগির প্রক্রিয়ায় অবশেষে
ভূমি সংস্কার আইন, ২০২৩ অনুযায়ী, বাংলাদেশের কোনো ব্যক্তি একক নামে ৬০ বিঘার (১ বিঘা =
দেশে জমি-জমার সীমানা নিয়ে বিরোধ একটি নিত্যনৈমিত্তিক সমস্যা, যা অনেক সময় দীর্ঘস্থায়ী আইনি জটিলতা তৈরি
জমি কেনা যেকোনো মানুষের জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। তবে, এই প্রক্রিয়ায় সামান্য অসতর্কতা বড় ধরনের
১৫ অক্টোবর, ২০২৫ – ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, অপরিকল্পিত নগরায়ন, আবাসন, শিল্প-কারখানা স্থাপন ও রাস্তাঘাট নির্মাণসহ নানা