আজকের খবর ২০২৬

বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তির লিজ/লাইসেন্স ফি নির্ধারণ—বিস্তারিত সারসংক্ষেপ

বাংলাদেশ সরকারের রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ভূমি শাখা থেকে প্রকাশিত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি ব্যবহারের জন্য লিজ/লাইসেন্স ফি পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন হার নির্ধারণের ক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২০’-এর সংশ্লিষ্ট বিধান সংশোধনের কথা গেজেটে উল্লেখ রয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তির ল…

১. কী বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

গেজেটটির মূল বিষয় হলো—বাংলাদেশ রেলওয়ের মালিকানাধীন বিভিন্ন ধরনের জমি ও স্থাপনা বাণিজ্যিক, কৃষি, কার পার্কিং, মোবাইল টাওয়ারসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার বা লিজ/লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতি বর্গফুট বা নির্ধারিত ইউনিট অনুযায়ী বার্ষিক ফি নির্ধারণ করা।

এতে শুধু একটি সারাদেশব্যাপী হার না রেখে রেলওয়ে বিভাগের অবস্থান, এলাকার গুরুত্ব এবং ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণি ও হার নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তির ল…


২. বাণিজ্যিক লাইসেন্স ফি—এলাকাভেদে আলাদা হার

গেজেটের প্রথম কয়েকটি পৃষ্ঠায় রেলওয়ের জমিকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করে প্রতি বর্গফুট হিসেবে বার্ষিক বাণিজ্যিক লাইসেন্স ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। একই শ্রেণির জমির ক্ষেত্রেও কিছু ক্ষেত্রে খোলা/উন্মুক্ত এলাকা এবং আচ্ছাদিত এলাকার জন্য পৃথক হার রাখা হয়েছে।

অর্থাৎ, রেলওয়ের জমিতে দোকান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, মার্কেট, গুদাম, অন্যান্য বাণিজ্যিক কার্যক্রম ইত্যাদির জন্য লাইসেন্স নেওয়ার ক্ষেত্রে শুধু জায়গার পরিমাণ নয়, জমির অবস্থান ও কাঠামোর ধরনও ফি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হবে।

ঢাকা বিভাগের জন্য গেজেটে বিভিন্ন শ্রেণির ক্ষেত্রে প্রতি বর্গফুট বার্ষিক ফি ধাপে ধাপে নির্ধারণ করা হয়েছে। তালিকায় রাজধানী ও গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকার পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের রেলওয়ে এলাকার জন্য তুলনামূলক কম হার রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তির ল…

উদাহরণ হিসেবে ঢাকা বিভাগের শ্রেণিভিত্তিক কাঠামো

গেজেটের টেবিলে দেখা যায়, বিভিন্ন শ্রেণিতে খোলা ও আচ্ছাদিত জায়গার জন্য পৃথক হার রয়েছে। প্রথম দিকের শ্রেণিতে খোলা জায়গার হার ২০০ টাকা এবং আচ্ছাদিত জায়গার হার ৩০০ টাকা পর্যন্ত নির্ধারিত হয়েছে; পরবর্তী শ্রেণিগুলোতে হার ক্রমান্বয়ে কমেছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তির ল…

পরবর্তী পৃষ্ঠায় আরও কয়েকটি শ্রেণিতে ৮০/১৪০ টাকা, ৭০/১২০ টাকা, ৫০/৭০ টাকা, ৪০/৯০ টাকা এবং ২৫/৮০ টাকা ধরনের হার দেখানো হয়েছে। এগুলো সংশ্লিষ্ট শ্রেণি ও এলাকার জন্য খোলা/আচ্ছাদিত জায়গার বার্ষিক বাণিজ্যিক লাইসেন্স ফি হিসেবে টেবিলে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তির ল…


৩. চট্টগ্রাম বিভাগের জন্য আলাদা হার

গেজেটে চট্টগ্রাম রেলওয়ে বিভাগের জন্য পৃথক ফি কাঠামো রাখা হয়েছে। চট্টগ্রাম স্টেশন, পাহাড়তলী স্টেশন রোড, পাহাড়তলী বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোকে উচ্চতর শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রথম শ্রেণির ক্ষেত্রে খোলা জায়গার জন্য ১৫০ টাকা এবং আচ্ছাদিত জায়গার জন্য ২০০ টাকা বার্ষিক হারের উল্লেখ রয়েছে। এরপর এলাকার গুরুত্ব অনুযায়ী অন্যান্য শ্রেণিতে কম হারে লাইসেন্স ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তির ল…

চট্টগ্রাম বিভাগের তালিকায় স্টেশন, বাজার, শহর, জেলা সদর, উপজেলা সদর এবং অন্যান্য রেলওয়ে এলাকার মধ্যে পার্থক্য করা হয়েছে। ফলে একই বিভাগের সব জায়গায় একই লাইসেন্স ফি প্রযোজ্য হবে না।


৪. গুরুত্বপূর্ণ জেলা ও বাণিজ্যিক এলাকার শ্রেণিবিন্যাস

গেজেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো স্থানভিত্তিক শ্রেণিবিন্যাস।

চট্টগ্রাম বিভাগের তালিকায় চট্টগ্রাম শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা, সিটি করপোরেশন এলাকা, স্টেশন এলাকা, বিভিন্ন জেলা সদর, উপজেলা সদর এবং অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ এলাকার জন্য পৃথক শ্রেণি রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তির ল…

একইভাবে ঢাকা বিভাগের পরবর্তী শ্রেণিগুলোতেও বিভিন্ন রেলওয়ে স্টেশন, বাজার, পৌরসভা, জেলা সদর ও অন্যান্য এলাকার নাম উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট শ্রেণি নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তির ল…

এর অর্থ হলো, রেলওয়ের জমি কোথায় অবস্থিত—এটি লাইসেন্স ফি নির্ধারণের অন্যতম প্রধান বিষয়।


৫. পাকশী রেলওয়ে বিভাগের জন্য পৃথক ফি

গেজেটে পাকশী রেলওয়ে বিভাগ-এর জন্যও পৃথক শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে।

পাকশী বিভাগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও বাণিজ্যিক এলাকাগুলোকে উচ্চতর শ্রেণিতে রাখা হয়েছে। যেমন—ঈশ্বরদী পৌরসভা, খুলনা ও রাজশাহী মহানগরীর মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকাকে পৃথকভাবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে।

পরবর্তী শ্রেণিতে খুলনা, রাজশাহীসহ বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা এলাকার স্টেশন ও সংশ্লিষ্ট স্থান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তির ল…


৬. লালমনিরহাট রেলওয়ে বিভাগের ফি

গেজেটে লালমনিরহাট রেলওয়ে বিভাগ-এর জন্যও আলাদা হার নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই বিভাগে গুরুত্বপূর্ণ শহর ও পৌর এলাকার জন্য তুলনামূলক বেশি এবং অন্যান্য জেলা/উপজেলা ও অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ এলাকার জন্য কম হার নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তির ল…

এখানেও শ্রেণিভেদে খোলা ও আচ্ছাদিত জায়গার আলাদা লাইসেন্স ফি রয়েছে।


৭. দিনাজপুর রেলওয়ে বিভাগের জন্য শ্রেণিভিত্তিক হার

গেজেটের পরবর্তী অংশে দিনাজপুর রেলওয়ে বিভাগের জন্য লাইসেন্স ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

দিনাজপুর পৌরসভা ও গুরুত্বপূর্ণ শহরাঞ্চলকে উচ্চতর শ্রেণিতে এবং অন্যান্য জেলা/উপজেলা ও স্থানীয় এলাকাকে অপেক্ষাকৃত নিম্ন শ্রেণিতে রাখা হয়েছে। টেবিলে প্রতিটি শ্রেণির জন্য খোলা ও আচ্ছাদিত স্থানের আলাদা বার্ষিক লাইসেন্স ফি রয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তির ল…


৮. কৃষিজমির জন্য আলাদা লাইসেন্স ফি

এই গেজেটের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো রেলওয়ের জমি কৃষিকাজে ব্যবহারের জন্য বার্ষিক লাইসেন্স ফি।

পৃষ্ঠা ৬-এর টেবিলে কৃষি ব্যবহারের জন্য ঢাকা, চট্টগ্রাম, পাকশী এবং লালমনিরহাট রেলওয়ে বিভাগের ভিত্তিতে ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

কৃষিজমির ক্ষেত্রেও আবার ব্যবহারভেদে কয়েকটি শ্রেণি রয়েছে—

  • কৃষি
  • জলাশয়—সারা বছর পানি থাকে
  • জলাশয়—শুষ্ক মৌসুমে পানি থাকে না
  • নার্সারি—মহানগর এলাকার জন্য
  • নার্সারি—মহানগর এলাকার বাইরে

অর্থাৎ রেলওয়ের জমি কৃষি বা জলাশয় হিসেবে ব্যবহারের ক্ষেত্রেও একই হারে লাইসেন্স ফি নেওয়া হবে না; ব্যবহারের ধরন এবং রেলওয়ে বিভাগের ওপর ভিত্তি করে ফি নির্ধারিত হবে। বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তির ল…


৯. কার পার্কিংয়ের জন্য নতুন ফি

গেজেটের পৃষ্ঠা ৬-এ কার পার্কিং ব্যবহারের জন্য পৃথক লাইসেন্স ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

এখানে এলাকা অনুযায়ী পার্কিং ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। যেমন—

এলাকাঢাকা রেলওয়ে বিভাগচট্টগ্রাম রেলওয়ে বিভাগ
ঢাকা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা১১৫ টাকা১০৫ টাকা
মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে অন্যান্য এলাকা৮০ টাকা৮০ টাকা
মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে জেলা সদর/পৌর এলাকা৬০ টাকা৫০ টাকা
উপজেলা সদর৪৫ টাকা৩৫ টাকা
অন্যান্য অধিক্ষেত্র৩০ টাকা৩০ টাকা

টেবিলটি প্রতি বর্গফুট হিসেবে কার পার্কিংয়ের জন্য লাইসেন্স ফি নির্দেশ করে। বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তির ল…


১০. মোবাইল টাওয়ার ও টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানের জন্য ফি

রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি ব্যবহার করে মোবাইল টাওয়ার স্থাপনকারী টেলিযোগাযোগ/আইসিটি খাতের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও বার্ষিক লাইসেন্স ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

গেজেট অনুযায়ী—

  • বিভাগীয় শহর এলাকায়: প্রতি বর্গফুট বছরে ৫০০ টাকা
  • বিভাগীয় শহরের বাইরে জেলা ও অন্যান্য শহরে: প্রতি বর্গফুট বছরে ৮০০ টাকা

এই হার মোবাইল সেবা প্রদানকারী বা সংশ্লিষ্ট টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো স্থাপনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হিসেবে গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তির ল…


১১. Approach Road/Connecting Part-এর বিষয়

গেজেটের শেষ অংশে Approach Road/Connecting Part-এর বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

অর্থাৎ রেলওয়ের জমি কোনো স্থাপনা বা বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য নেওয়ার ক্ষেত্রে শুধু মূল জমির পরিমাণ নয়, সংশ্লিষ্ট প্রবেশপথ বা সংযোগ অংশ কীভাবে বিবেচিত হবে, সে বিষয়েও বিধান রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তির ল…

এ অংশে রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি ব্যবহারের অনুমোদন, লাইসেন্স, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি এবং নির্ধারিত শর্ত পালনের বিষয়গুলোও গুরুত্ব পেয়েছে।


১২. নতুন ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য

গেজেটের সামগ্রিক কাঠামো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, নতুন ফি নির্ধারণের প্রধান উদ্দেশ্য হলো রেলওয়ের বিপুল পরিমাণ ভূ-সম্পত্তির সুশৃঙ্খল ব্যবহার, শ্রেণিবিন্যাস এবং রাজস্ব আদায়কে আরও কাঠামোবদ্ধ করা।

একই সঙ্গে—

  1. গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকার জন্য বেশি ফি;
  2. অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ এলাকার জন্য কম ফি;
  3. খোলা ও আচ্ছাদিত জায়গার পৃথক মূল্যায়ন;
  4. কৃষি ও জলাশয়ের জন্য আলাদা হার;
  5. কার পার্কিংয়ের জন্য আলাদা হার;
  6. মোবাইল টাওয়ারের জন্য বিশেষ হার;
  7. রেলওয়ে বিভাগের ভিত্তিতে পৃথক ফি কাঠামো—

এসব বিষয় একসঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে।


১৩. সাধারণ মানুষের জন্য এর গুরুত্ব

এই সিদ্ধান্তের ফলে রেলওয়ের জমি যারা দোকান, মার্কেট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, গুদাম, পার্কিং, কৃষিকাজ, নার্সারি, জলাশয় বা টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো হিসেবে ব্যবহার করছেন বা ভবিষ্যতে ব্যবহার করতে চান, তাদের লাইসেন্স/লিজ ব্যয়ের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়বে।

বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ শহর, মহানগর, স্টেশন এলাকা ও বাণিজ্যিক এলাকার রেলওয়ে জমির জন্য তুলনামূলক বেশি হার নির্ধারণ করা হয়েছে। বিপরীতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় হার কম রাখা হয়েছে।


সংক্ষেপে মূল বিষয়গুলো

গেজেট প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্ত্রণালয়: রেলপথ মন্ত্রণালয়, ভূমি শাখা
বিষয়: বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তির লিজ/লাইসেন্স ফি নির্ধারণ
ভিত্তি: বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২০-এর সংশ্লিষ্ট বিধান সংশোধন। বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তির ল…

ফি নির্ধারণের প্রধান ক্ষেত্রগুলো:

  • বাণিজ্যিক ব্যবহার
  • খোলা ও আচ্ছাদিত জায়গা
  • কৃষিজমি
  • জলাশয়
  • নার্সারি
  • কার পার্কিং
  • মোবাইল টাওয়ার
  • Approach Road/Connecting Part

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সারা দেশের রেলওয়ে জমির জন্য একক হার নির্ধারণ করা হয়নি। বরং ঢাকা, চট্টগ্রাম, পাকশী ও লালমনিরহাটসহ বিভিন্ন রেলওয়ে বিভাগের অধীন এলাকার গুরুত্ব ও ব্যবহার অনুযায়ী একাধিক শ্রেণিতে ভাগ করে পৃথক ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। গেজেটের ৭ পৃষ্ঠাজুড়ে এই শ্রেণি ও এলাকার বিস্তারিত তালিকা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তির ল…

সারকথা: নতুন গেজেটটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি লিজ বা লাইসেন্সে ব্যবহারের ক্ষেত্রে এলাকা, জমির ধরন ও ব্যবহারের উদ্দেশ্যভিত্তিক একটি নতুন/সংশোধিত ফি কাঠামো নির্ধারণ করেছে। ফলে রেলওয়ের জমি ব্যবহারকারীদের জন্য লাইসেন্স ফি নির্ধারণে এখন সংশ্লিষ্ট বিভাগের শ্রেণি, এলাকার অবস্থান এবং জমির ব্যবহার—এই তিনটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হবে।

Source File

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *