বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভূমি সেবা ইন্টারনেট ব্যাংকিং সহ তথ্যের ভান্ডার।

শিরোনাম
মোটরসাইকেলের ট্যাক্স টোকেন নবায়ন: কত টাকা ফি, কখন জরিমানা এবং অনলাইনে যেভাবে হিসাব করবেন মোবাইল ডেটা ও কলের খরচ কমানোর নতুন উদ্যোগ, এক প্ল্যাটফর্মেই মিলবে ৫ অপারেটরের প্যাকের তুলনা এইচএসসি ২০২৬: ময়মনসিংহ বোর্ডে ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন ৭ নভেম্বর পর্যন্ত, প্রতি পত্রে ফি ১৫০ টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের আগে জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, লোকসান এড়াতে নতুনদের জন্য বিশেষ গাইড Leave List 2027: সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ছুটির বড় সুযোগ, এক দিন ছুটি নিলেই মিলতে পারে দীর্ঘ অবকাশ সরকারি কর্মচারীদের সার্ভিস বুক নিয়ে সতর্কতা, চাকরি থেকে পেনশন পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যেসব তথ্য থাকতে হবে নতুন বেতন কাঠামোয় বাড়িভাড়া নিয়ে নতুন হিসাব, ১৫তম ও ১৬তম গ্রেডে বড় পার্থক্য বাড়ি নির্মাণে রডের খরচ কত? BSRM, KSRM, GPH ও AKS-এর দাম ও হিসাব জানুন এক ক্লিকেই ২৯ দেশের মুদ্রার হিসাব, বাংলাদেশি টাকায় মূল্য জানার নতুন ডিজিটাল সুবিধা সড়ক পরিবহন বিধিমালায় সংশোধন: মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেট প্রদর্শনে নতুন নিয়ম

জমি কেনার পর মালিকানা নিশ্চিত করতে ৫টি জরুরি পদক্ষেপ: ভূমি অফিসের বিশেষ পরামর্শ

admin ২ মিনিটের পাঠ
জমি কেনার পর মালিকানা নিশ্চিত করতে ৫টি জরুরি পদক্ষেপ: ভূমি অফিসের বিশেষ পরামর্শ

জমি ক্রয় করলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না; বরং প্রকৃত মালিকানা প্রতিষ্ঠার জন্য আইনি ও প্রশাসনিক কিছু প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা অপরিহার্য। সম্প্রতি বাগেরহাটের রামপাল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় থেকে জমি ক্রেতাদের সচেতন করতে ৫টি বিশেষ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এসব নিয়ম না মানলে ক্রেতারা প্রতারণার শিকার হতে পারেন বলে সতর্ক করা হয়েছে।

ভূমি অফিসের নির্দেশনা অনুযায়ী, জমি ক্রয়ের পর করণীয় ধাপগুলো নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

১. সীমানা নির্ধারণ ও দখল বুঝে নেওয়া

জমি রেজিস্ট্রি হওয়ার পরপরই একজন দক্ষ আমিন (সার্ভেয়ার) দ্বারা জমি মেপে সীমানা নির্ধারণ করতে হবে। এরপর পূর্বের মালিকের কাছ থেকে জমির দখল বুঝে নিতে হবে। মনে রাখবেন, দলিল থাকলেও জমির বাস্তব দখল না থাকলে ভবিষ্যতে আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে।

২. জমির প্রকৃতি অনুযায়ী ব্যবহার শুরু করা

মালিকানা সুদৃঢ় করতে জমিতে ক্রেতার দখল দৃশ্যমান হওয়া জরুরি। এর জন্য জমিতে চাষাবাদ করা, গাছপালা রোপণ করা কিংবা ঘরবাড়ি নির্মাণ করার মতো কাজগুলো শুরু করতে হবে। জমির বাস্তব ব্যবহার মালিকানা দাবির ক্ষেত্রে শক্তিশালী প্রমাণ হিসেবে কাজ করে।

৩. মূল দলিলের নকল বা সার্টিফাইড কপি সংগ্রহ

রেজিস্ট্রি অফিস থেকে মূল দলিল হাতে পেতে অনেক সময় দেরি হতে পারে। সেক্ষেত্রে বসে না থেকে দ্রুত মূল দলিলের একটি নকল (Certified Copy) সংগ্রহ করতে হবে। পরবর্তী ধাপগুলো সম্পন্ন করতে এই নকল কপির প্রয়োজন পড়বে।

৪. দ্রুত নামজারি (মিউটেশন) সম্পন্ন করা

দলিলের নকল পাওয়ার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে আবেদন করে নিজের নামে নামজারি বা মিউটেশন করানো। কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে যে, নামজারি ও দখল নিতে দেরি করলে অসাধু বিক্রেতারা একই জমি অন্যত্র পুনরায় বিক্রি করার সুযোগ পেতে পারে। তাই প্রতারণা এড়াতে দ্রুত মিউটেশন করা বাধ্যতামূলক।

৫. খতিয়ান, ডিসিআর ও দাখিলা সংগ্রহ

নামজারি সম্পন্ন হওয়ার পর নতুন নামজারি খতিয়ান এবং ডিসিআর (DCR) সংগ্রহ করতে হবে। এরপর নতুন হোল্ডিং নম্বরে ভূমি উন্নয়ন কর বা জমির খাজনা পরিশোধ করে দাখিলা (রসিদ) সংগ্রহ করতে হবে। এই রসিদটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে সংরক্ষণ করতে হবে।


সহকারী কমিশনার (ভূমি), রামপাল-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই নির্দেশিকাগুলো অনুসরণ করলে সাধারণ মানুষ জমি সংক্রান্ত ভোগান্তি ও প্রতারণা থেকে রেহাই পাবেন। জমি সংক্রান্ত যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি ভূমি অফিসে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *