ভূমি আইনের কঠিন বাস্তবতা: কেন দখল না থাকলে ২০ বছরের দলিলও মূল্যহীন!
“আমার ২০ বছরের কাগজ আছে, জমি আমার হবেই।”—ভূমির মালিকানা নিয়ে এমন আত্মবিশ্বাসী মন্তব্য প্রায়ই শোনা যায়। কিন্তু বাংলাদেশের ভূমি আইনের কঠিন বাস্তবতা হলো, শুধু পুরোনো দলিল
“আমার ২০ বছরের কাগজ আছে, জমি আমার হবেই।”—ভূমির মালিকানা নিয়ে এমন আত্মবিশ্বাসী মন্তব্য প্রায়ই শোনা যায়। কিন্তু বাংলাদেশের ভূমি আইনের কঠিন বাস্তবতা হলো, শুধু পুরোনো দলিল
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এবং এর অধীন প্রণীত বিধিমালা কার্যকর হওয়ার ফলে ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। এই যুগান্তকারী
সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ড কর্তৃক নামজারি (মিউটেশন) আবেদন নামঞ্জুর (Reject) হলে কিংবা কোনো আদেশ স্বার্থের পরিপন্থী হলে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। ‘রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি) ‘নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮’-এ গুরুত্বপূর্ণ সংশোধন এনেছে। গত ১৪ নভেম্বর ২০১৩ খ্রিস্টাব্দে (৩০ কার্তিক ১৪২০ বঙ্গাব্দ) জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের (এস, আর,
গ্রাহকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন পূরণে দেশের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক ব্যাংক, জনতা ব্যাংক পিএলসি, নিয়ে এসেছে তাদের আকর্ষণীয় ‘কোটিপতি ডিপোজিট স্কিম (JBKDS)’। বার্ষিক ৮.৭৫%
জমির পুরনো দলিল (Record of Rights) খুঁজে বের করা বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য প্রায়শই একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া বা শতবর্ষ পুরাতন দলিলগুলো সংগ্রহ
বছর ঘুরে আবারও ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ, আর এর সাথে সাথে ব্যাংক গ্রাহকদের মধ্যে শুরু হয়েছে প্রচলিত ‘আহাজারি’। বাতাসে কান পাতলেই শোনা যায়, “অমুক ব্যাংক আমার সব
বাংলাদেশে জমি সংক্রান্ত বিরোধের অন্যতম প্রধান কারণ হলো দলিল, দখল এবং সরকারি রেকর্ডের মধ্যে গরমিল। দলিলে এক দাগ, কিন্তু সাম্প্রতিক রেকর্ডে (RS) অন্য দাগ—এই জটিলতা প্রায়
সরকার মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪ (১৯৭৪ সনের LII নং আইন)-এর ১৪ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ‘মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯’ এ গুরুত্বপূর্ণ
চূড়ান্তভাবে মুদ্রিত ও প্রকাশিত খতিয়ান বা স্বত্বলিপিতে (Record of Rights) করণিক ভুল (Clerical Mistake), প্রতারণামূলক লিখন (Fraudulent Entry) এবং প্রকৃত বা যথার্থ ভুল (Bona fide Mistake)