নিজের জমি চিনুন: ৫ প্রকার খতিয়ান যা আপনার…
বাংলাদেশে জমি কেনা-বেচা বা মালিকানা প্রমাণের প্রধান ভিত্তি হলো ‘খতিয়ান’। অনেকেই সঠিক খতিয়ান না চেনায়
জমির পর্চা সংগ্রহ খুবই কঠিন ও জটিল প্রক্রিয়া আপনি চাইলেই এখন অনলাইনে পর্চার জন্য আবেদন করতে পারেন। কোন প্রকার দালাল না ধরেই পর্চা পাওয়া যাবে।ই-পর্চা বা খতিয়ান অনুসন্ধানের মাধ্যমে আপনি নিজেই দেখুন আপনার জমির প্রয়োজনীয় কাগজাদি। খতিয়ান অনুসন্ধান এর মাধ্যমে আপনার জমির পর্চা আপনি নিজেই দেখতে পারেন খুব সহজে। আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোনের মাধ্যমেই আপনি গ্রহন করতে পারেন এই অনলাইন ই-পর্চা আপনার খতিয়ানের কপি।
বাংলাদেশে জমি কেনা-বেচা বা মালিকানা প্রমাণের প্রধান ভিত্তি হলো ‘খতিয়ান’। অনেকেই সঠিক খতিয়ান না চেনায়
বাংলাদেশে জমি সংক্রান্ত বিরোধের অন্যতম প্রধান কারণ হলো দলিল, দখল এবং সরকারি রেকর্ডের মধ্যে গরমিল।
দেশ বা বিদেশে বসে আপনি মৌজা ম্যাপের জন্য আবেদন করতে পারেন এবং ঘরে বসেই আপনি
চূড়ান্তভাবে মুদ্রিত ও প্রকাশিত খতিয়ান বা স্বত্বলিপিতে (Record of Rights) করণিক ভুল (Clerical Mistake), প্রতারণামূলক
বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনার মূল ভিত্তি হলো ‘খতিয়ান’ বা স্বত্বের রেকর্ড। সময়ের সাথে সাথে ভূমি জরিপের
জমির মালিকানা যাচাই এখন আরও সহজ- জমি-জমা সংক্রান্ত তথ্য যাচাই ও নির্ভুল মালিকানা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে
খতিয়ানের তথ্যতে হোল্ডিং নম্বর আবশ্যক নয় তবে সঠিক হোল্ডিং নম্বর দিতে পারলে ভালো – অনলাইনে
জমির মালিকানা অর্জনের জন্য খাজনাও একটি ধাপ- জমি ক্রয় বা উত্তরাধিকার সূত্রে দলিল হওয়ার পরই
বর্তমানে অনলাইন খতিয়ান বা ডিসিআর এ কিউআর কোড যুক্ত থাকে তাই আপনি আপনার স্মার্টফোন দিয়ে
অনলাইনে সিএস এবং এসএ খতিয়ান প্রায় সবই আপলোড হয়েছে তবে আর খতিয়ান এখনও সব আপলোড