ওয়ারিশি জমি কিনছেন? বিপদমুক্ত থাকতে যে বিষয়গুলো অবশ্যই…
পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত বা ‘ওয়ারিশি’ জমি কেনা অনেক সময় সাধারণ জমি কেনাবেচার চেয়ে বেশ জটিল
ভূমি সংক্রান্ত যে কোন তথ্য এই ক্যাটাগরিতে পাবেন। ভূমি আইন এবং রেকর্ড কি, কিভাবে দলিল করতে হয় ইত্যাদি তথ্য পাবেন। ব্যক্তি পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৬০ বিঘা কৃষিজমির মালিকানা লাভের সুযোগ রেখে ভূমি সংস্কার আইনের খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত বা ‘ওয়ারিশি’ জমি কেনা অনেক সময় সাধারণ জমি কেনাবেচার চেয়ে বেশ জটিল
বর্তমানে জমি জবরদখল একটি প্রকট সমস্যায় পরিণত হয়েছে। অনেক সময় দেখা যায়, প্রভাবশালী মহল বা
জমি বা স্থাবর সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় অনেক সময় প্রতিপক্ষ
বাংলাদেশে জমি কেনাবেচা বা পৈতৃক সূত্রে মালিকানা লাভের ক্ষেত্রে একটি চিরন্তন প্রশ্ন হলো—জমির আসল মালিক
জমি কেনা প্রতিটি মানুষের সারা জীবনের লালিত স্বপ্ন এবং বড় একটি বিনিয়োগ। এই প্রক্রিয়ার প্রথম
সরকার জনগনের নিকট হতে ভূমি অধিগ্রহণ বা ক্রয় করলে জনগণ বা ব্যক্তি মালিক এলটি নোটিশ
জমি কেনাবেচা বা পৈতৃক সম্পত্তির হিসাব মেলাতে গিয়ে সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি যে সমস্যায় পড়েন,
ভূমি মালিকানা বা সীমানা নিয়ে বিরোধ বাংলাদেশে অত্যন্ত সাধারণ একটি চিত্র। অনেক সময় দেখা যায়,
বাংলাদেশে স্থাবর সম্পত্তির দখল সংক্রান্ত বিরোধ একটি সাধারণ সমস্যা। অনেক সময় দেখা যায়, নিজের বৈধ
ভূমি বা জমাজমি পরিমাপের ক্ষেত্রে আপনাকে কিছু সূত্র অবশ্যই জানতে হবে। যদি আপনি জমি পরিমাপ