বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভূমি সেবা ইন্টারনেট ব্যাংকিং সহ তথ্যের ভান্ডার।

শিরোনাম
মোটরসাইকেলের ট্যাক্স টোকেন নবায়ন: কত টাকা ফি, কখন জরিমানা এবং অনলাইনে যেভাবে হিসাব করবেন মোবাইল ডেটা ও কলের খরচ কমানোর নতুন উদ্যোগ, এক প্ল্যাটফর্মেই মিলবে ৫ অপারেটরের প্যাকের তুলনা এইচএসসি ২০২৬: ময়মনসিংহ বোর্ডে ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন ৭ নভেম্বর পর্যন্ত, প্রতি পত্রে ফি ১৫০ টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের আগে জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, লোকসান এড়াতে নতুনদের জন্য বিশেষ গাইড Leave List 2027: সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ছুটির বড় সুযোগ, এক দিন ছুটি নিলেই মিলতে পারে দীর্ঘ অবকাশ সরকারি কর্মচারীদের সার্ভিস বুক নিয়ে সতর্কতা, চাকরি থেকে পেনশন পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যেসব তথ্য থাকতে হবে নতুন বেতন কাঠামোয় বাড়িভাড়া নিয়ে নতুন হিসাব, ১৫তম ও ১৬তম গ্রেডে বড় পার্থক্য বাড়ি নির্মাণে রডের খরচ কত? BSRM, KSRM, GPH ও AKS-এর দাম ও হিসাব জানুন এক ক্লিকেই ২৯ দেশের মুদ্রার হিসাব, বাংলাদেশি টাকায় মূল্য জানার নতুন ডিজিটাল সুবিধা সড়ক পরিবহন বিধিমালায় সংশোধন: মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেট প্রদর্শনে নতুন নিয়ম

অনলাইনে মুসলিম বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন ২০২৬ । অনলাইন বা অফলাইন দুটি পদ্ধতিতেই নিবন্ধন সম্পন্ন করা যাবে?

admin ৩ মিনিটের পাঠ
অনলাইনে মুসলিম বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন ২০২৬ । অনলাইন বা অফলাইন দুটি পদ্ধতিতেই নিবন্ধন সম্পন্ন করা যাবে?

সরকার বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন আইন সংশোধনের মাধ্যমে অনলাইনে ফি প্রদান ও রেজিস্টারের সুযোগ দিল এবং নিবন্ধন ফর্মে পরিবর্তন আনয়ন করিল–আইন সংশোধনের ফলে কাবিননামা বা বিবাহ ও তালাকের তথ্য অনলাইনেই সংরক্ষিত থাকবে- অনলাইনে মুসলিম বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন ২০২৬

মুসলিম বিবাহ নিবন্ধন কি? – বাংলাদেশে মুসলিম বিবাহ নিবন্ধন একটি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়া। এটি মূলত মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪ দ্বারা পরিচালিত হয়। মুসলিম আইন অনুযায়ী অনুষ্ঠিত বিবাহ সরকার কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে তালিকাভুক্ত করাই হলো বিবাহ নিবন্ধন। যিনি এই নিবন্ধন করেন তাকে নিকাহ রেজিস্ট্রার বা কাজী বলা হয়। নিবন্ধনের পর একটি সরকারি নথি বা কাবিননামা (নিকাহনামা) প্রদান করা হয়, যা বিবাহের আইনগত প্রমাণ হিসেবে কাজ করে।

রেজিস্টার ও ভলিউম সংরক্ষণ কি এখন অনলাইনে থাকবে? হ্যাঁ। নিকাহ রেজিস্ট্রারকে বিবাহ ও তালাকের জন্য আলাদা রেজিস্টার (ভলিউম বই) সংরক্ষণ করতে হবে। এই রেজিস্টারগুলো নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী পূরণ ও সংরক্ষণ করতে হবে এবং নির্দিষ্ট সময় অন্তর কর্তৃপক্ষের নিকট এর কপি জমা দিতে হবে। বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনের জন্য সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে নির্ধারিত হারে ফি আদায় করতে হবে। ফির হার সাধারণত বিধিমালায় উল্লেখ থাকে বা পরিপত্র দ্বারা জারি করা হয়। এই বিধিমালা বিবাহ ও তালাকের আইনগত প্রমাণ নিশ্চিত করে। নারীদের অধিকার, বিশেষ করে দেনমোহর ও ভরণপোষণ প্রাপ্তি সহজ করে। বাল্যবিবাহ রোধ এবং বহুবিবাহ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। বিবাহ ও তালাক সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বিবাহ রেজিষ্ট্রেশন কি এখন অনলাইনে করতে হবে? নিকাহ বা বিবাহ তথ্য এখন অনলাইনে সংরক্ষিত থাকবে। বিয়ে ও তালাক এখন অনলাইন এবং সরাসরি উভয় পদ্ধতিতে নিবন্ধনের সুযোগ আছে। অনলাইন নিবন্ধনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফি ডিজিটাল মাধ্যমে বা সরকার নির্ধারিত যে কোনো পদ্ধতিতে পরিশোধ করা যাবে। নিবন্ধনের সময় ফরম ‘ঘ’-তে যাদের স্বাক্ষর প্রয়োজন, তারা তা ডিজিটালি বা সরাসরি দিতে পারবেন। নিরক্ষর ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে টিপসই গ্রহণ করা হবে।

বিবাহ নিবন্ধন বয়স পূর্বের ন্যায় কার্যকর রয়েছে / জন্ম নিবন্ধন জাতীয় পরিচয়পত্র বা এমন কোন প্রমান লাগবে

তালাক নিবন্ধন প্রক্রিয়া কি? যেকোনো প্রকারের তালাক (স্বামী কর্তৃক বা স্ত্রী কর্তৃক বা পারস্পরিক সম্মতিতে) কার্যকর হওয়ার পর তা নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক। তালাক প্রদানকারী ব্যক্তি তালাকের নোটিশ চেয়ারম্যান/মেয়রকে পাঠানোর পর বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত পদ্ধতিতে নিকাহ রেজিস্ট্রারের কাছে তালাক নিবন্ধন করবেন। তালাক নিবন্ধনের জন্যও নির্ধারিত ফি প্রদান করতে হবে। নিবন্ধন সম্পন্ন হলে নিকাহ রেজিস্ট্রার একটি তালাক নিবন্ধন সনদ প্রদান করবেন।

অনলাইনে মুসলিম বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন ২০২৬ । অনলাইন বা অফলাইন দুটি পদ্ধতিতেই নিবন্ধন সম্পন্ন করা যাবে?

Caption: Marriage Registration Full Act pdf file download

বিবাহ নিবন্ধন প্রক্রিয়া ২০২৬ । এখন অনলাইনে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হবে

  1. মুসলিম রীতি অনুযায়ী বিবাহ সম্পন্ন হওয়ার পর তা নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক।
  2. বিবাহ সম্পাদনের স্থানে নিকাহ রেজিস্ট্রার কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে (কাবিননামা বা নিকাহনামা) বিবাহ নিবন্ধন করতে হবে।
  3. কাবিননামায় বর, কনে, সাক্ষী, অভিভাবক (প্রয়োজনে), দেনমোহরের পরিমাণ (উসুল/অ-উসুল) ইত্যাদি বিস্তারিত তথ্য লিপিবদ্ধ করতে হয়।
  4. নিবন্ধনের জন্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি প্রদান করতে হবে। এই ফি সাধারণত দেনমোহরের পরিমাণের উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়।
  5. নিবন্ধন সম্পন্ন হলে নিকাহ রেজিস্ট্রার একটি বিবাহ নিবন্ধন সনদ প্রদান করবেন।

মুসলিম বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন বিধিমালা ২০০৯ কি?

অবশ্যই! “মুসলিম বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন বিধিমালা, ২০০৯” বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রণীত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধিমালা। এটি মূলত ১৯৭৪ সালের মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইনকে কার্যকর করার জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে। সরকার প্রতিটি নির্দিষ্ট এলাকার (যেমন: ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, পৌরসভা) জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী) নিয়োগ দেবে। নিকাহ রেজিস্ট্রার হতে হলে নির্দিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতা (সাধারণত ফাজিল পাস) এবং অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হয়। তাদের দায়িত্ব, কর্তব্য এবং অপসারণ সংক্রান্ত নিয়মাবলী এই বিধিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

     
     
     

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *