সরকারি সেবায় আসছে বড় ডিজিটাল পরিবর্তন, এক পরিচয়েই মিলবে নাগরিকের সব তথ্য!
বাংলাদেশের নাগরিক সেবা ও তথ্য ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ। জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), পাসপোর্ট, জন্মনিবন্ধন ও আয়করসংক্রান্ত তথ্য সমন্বয়ের মাধ্যমে চালু হতে পারে ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান আইডি’ ব্যবস্থা। পাশাপাশি দেশে নিজস্ব বাংলা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মডেল তৈরি, সাইবার নিরাপত্তায় ১২০ জন বিশেষজ্ঞ নিয়োগ এবং দেশের সব সেতু ও টোল প্লাজায় সমন্বিত ডিজিটাল টোল ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে সরকারি সেবা গ্রহণের পদ্ধতি, নাগরিক পরিচয় যাচাই এবং দেশের প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারে।
দেশের ডিজিটাল অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করা এবং বিদেশি প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্যেই এসব উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে নাগরিকদের বিভিন্ন সরকারি তথ্যভান্ডার সমন্বিত করার পরিকল্পনাটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। কারণ বর্তমানে একজন নাগরিকের পরিচয় ও ব্যক্তিগত তথ্য বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে আলাদাভাবে সংরক্ষিত রয়েছে। ফলে একাধিক সরকারি সেবা গ্রহণের সময় একই ধরনের তথ্য বারবার যাচাই ও জমা দেওয়ার প্রয়োজন হয়।
‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান আইডি’ ব্যবস্থায় বদলে যাবে তথ্য যাচাইয়ের পদ্ধতি
আইসিটি বিভাগের পরিকল্পনা অনুযায়ী, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, জন্মনিবন্ধন এবং ট্যাক্স ফাইলসহ নাগরিকদের বিভিন্ন তথ্যভান্ডারের মধ্যে সমন্বয় তৈরি করা হবে। আইসিটি সচিব ড. মো. মামুনুর রশিদ ভুঁঞা এ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।
বর্তমানে একজন নাগরিকের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে পৃথকভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে হয়। কোনো ক্ষেত্রে এনআইডির তথ্যের সঙ্গে জন্মনিবন্ধনের তথ্যের অমিল থাকলে প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হয়। আবার সরকারি কোনো সেবা গ্রহণের সময় একাধিক পরিচয়পত্র বা নথি জমা দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে।
সমন্বিত পরিচয় ব্যবস্থা চালু হলে নির্ধারিত ডিজিটাল পদ্ধতিতে নাগরিকের পরিচয় যাচাই করা সহজ হতে পারে। একই সঙ্গে সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান আরও দ্রুত ও কার্যকর করার সুযোগ তৈরি হবে।
এতে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার, একাধিক পরিচয়ে সুবিধা গ্রহণ এবং বিভিন্ন ধরনের তথ্যসংক্রান্ত জালিয়াতি প্রতিরোধেও সহায়তা পাওয়া যেতে পারে।
তবে এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। সব তথ্য এক জায়গায় সংরক্ষণ করাই একমাত্র সমাধান নয়; বরং নিরাপদ প্রযুক্তিগত সংযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন দপ্তরের তথ্যভান্ডার সমন্বয় করাও সম্ভব। নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্যের নিয়ন্ত্রণ ও গোপনীয়তা রক্ষা করেই এ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।
বিদেশি নির্ভরতা কমাতে তৈরি হবে নিজস্ব বাংলা এআই
বাংলাদেশে প্রযুক্তি খাতের অন্যতম বড় উদ্যোগ হতে যাচ্ছে নিজস্ব বাংলা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মডেল তৈরি। বর্তমানে বিভিন্ন কাজে আন্তর্জাতিক এআই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হলেও বাংলা ভাষার নিজস্ব প্রযুক্তিগত সক্ষমতা তৈরির প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে।
বিদেশি এআই প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা কমানো, বাংলা ভাষায় উন্নত ডিজিটাল সেবা দেওয়া এবং দেশের নিজস্ব প্রয়োজন অনুযায়ী প্রযুক্তি ব্যবহারের লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এ জন্য তৈরি করা হবে শেয়ারড জিপিইউ অবকাঠামো। জিপিইউ হলো এমন একটি শক্তিশালী প্রসেসিং প্রযুক্তি, যা এআই মডেল প্রশিক্ষণ ও জটিল তথ্য বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এই অবকাঠামো গড়ে উঠলে গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং প্রযুক্তি উদ্যোক্তারা এআই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় কম্পিউটিং সুবিধা ব্যবহারের সুযোগ পেতে পারেন।
নিজস্ব বাংলা এআই তৈরি হলে ভবিষ্যতে সরকারি ওয়েবসাইটে বাংলা ভাষায় প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, সরকারি নথি বিশ্লেষণ, নাগরিকদের তথ্য অনুসন্ধান, অনুবাদ এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজে এর ব্যবহার বাড়তে পারে।
তবে এআই মডেলের নির্ভুলতা, বাংলা ভাষার আঞ্চলিক বৈচিত্র্য বোঝার সক্ষমতা এবং ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ হবে।
সাইবার নিরাপত্তায় নিয়োগ দেওয়া হবে ১২০ জন
নাগরিকদের তথ্য একীভূত করার পরিকল্পনার পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা জোরদারেও গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।
আইসিটি সচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সাইবার সিকিউরিটি এজেন্সিতে ১২০ জন জনবল নিয়োগের কার্যক্রম চলছে। তাঁদের একটি বড় অংশ হবেন কারিগরি বিশেষজ্ঞ।
ডিজিটাল তথ্যভান্ডার সম্প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে সাইবার হামলা, তথ্য চুরি, অননুমোদিত প্রবেশ এবং বিভিন্ন ধরনের অনলাইন জালিয়াতির ঝুঁকিও বাড়তে পারে। এসব ঝুঁকি মোকাবিলায় দক্ষ প্রযুক্তিবিদ ও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
নতুন জনবল নিয়োগের মাধ্যমে সাইবার নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ, ডিজিটাল অবকাঠামোর দুর্বলতা শনাক্ত এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্যভান্ডার সুরক্ষার সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।
বিশেষ করে সরকারি তথ্যভান্ডার ও নাগরিক পরিচয় ব্যবস্থার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ডিসেম্বরের মধ্যে সব সেতু ও টোল প্লাজায় ডিজিটাল ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা
দেশের যোগাযোগ অবকাঠামোতেও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে সব সেতু ও টোল প্লাজার জন্য একটি সমন্বিত ডিজিটাল টোল ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
বর্তমানে বিভিন্ন সেতু ও টোল প্লাজায় টোল আদায়ের পদ্ধতিতে ভিন্নতা রয়েছে। সমন্বিত ব্যবস্থা চালু হলে যানবাহনের টোল পরিশোধ আরও সহজ, দ্রুত এবং প্রযুক্তিনির্ভর করার সুযোগ তৈরি হবে।
আইসিটি সচিব জানিয়েছেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে এ ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
এটি কার্যকর হলে টোল আদায়ের ক্ষেত্রে ডিজিটাল পেমেন্ট, স্বচ্ছতা এবং ব্যবস্থাপনার উন্নতি হতে পারে। পাশাপাশি টোল প্লাজায় যানবাহনের দীর্ঘ অপেক্ষা কমানোর সম্ভাবনাও তৈরি হবে।
তবে সব টোল প্লাজায় একই প্রযুক্তি ব্যবহার, পেমেন্ট ব্যবস্থার সমন্বয় এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি স্থাপন নিশ্চিত করতে হবে।
আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশন ছাড়া প্রশিক্ষণ নয়
প্রযুক্তি খাতে দক্ষ জনবল তৈরির পাশাপাশি সরকারি অর্থের অপচয় বন্ধের বিষয়েও কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে আইসিটি বিভাগ।
আইসিটি সচিব জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশন ছাড়া আর কোনো প্রশিক্ষণ দেবে না আইসিটি বিভাগ। নামমাত্র প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সরকারি অর্থ ব্যয়ের সুযোগ বন্ধ করার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।
এর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে বাস্তব দক্ষতা অর্জন এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
কারণ শুধু প্রশিক্ষণ আয়োজন করলেই দক্ষ জনবল তৈরি হয় না। প্রশিক্ষণার্থীরা বাস্তবে কতটুকু শিখছেন, তাঁদের দক্ষতা কর্মক্ষেত্রে কাজে লাগছে কি না এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে কি না, সেগুলোও মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
প্রযুক্তি খাতে স্বচ্ছতা ও উদ্যোক্তাদের সহায়তায় গুরুত্ব
গত ২ নভেম্বর আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারে সেন্টার ফর টেকনোলজি জার্নালিজমের (সিটিজে) সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন আইসিটি সচিব ড. মো. মামুনুর রশিদ ভুঁঞা।
সভায় প্রযুক্তি খাতে সরকারি অর্থের স্বচ্ছ ব্যবহার, ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা এবং প্রকৃত উদ্যোক্তাদের কাছে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়।
প্রযুক্তি খাতে সরকারি বরাদ্দের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা না গেলে নতুন প্রকল্পের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানো কঠিন হতে পারে। তাই প্রকল্প বাস্তবায়ন, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এবং উদ্যোক্তাদের সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে জবাবদিহি নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য কতটা নিরাপদ থাকবে?
‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান আইডি’ চালুর পরিকল্পনার সঙ্গে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে উঠেছে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা।
এনআইডি, পাসপোর্ট, জন্মনিবন্ধন ও আয়করসংক্রান্ত তথ্য একজন নাগরিকের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত তথ্য। এসব তথ্য অননুমোদিত ব্যক্তির হাতে গেলে পরিচয় জালিয়াতি, আর্থিক প্রতারণা এবং অন্যান্য অপরাধের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
তাই তথ্য সমন্বয়ের পাশাপাশি শক্তিশালী এনক্রিপশন, সীমিত প্রবেশাধিকার, নিয়মিত নিরাপত্তা নিরীক্ষা এবং তথ্য ব্যবহারের পূর্ণাঙ্গ রেকর্ড সংরক্ষণ করতে হবে।
একই সঙ্গে নাগরিকদের জানতে হবে তাঁদের তথ্য কোন দপ্তর ব্যবহার করছে এবং কী উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে। তথ্য ফাঁস বা অপব্যবহারের ঘটনা ঘটলে দ্রুত তদন্ত ও প্রতিকারের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
প্রযুক্তির উন্নয়নের নামে নাগরিকের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটি নিশ্চিত করাই হবে এই উদ্যোগের অন্যতম বড় পরীক্ষা।
বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষ কী সুবিধা পাবেন?
পরিকল্পনাগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে সাধারণ নাগরিকের দৈনন্দিন সরকারি সেবা গ্রহণে কয়েকটি ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।
১. সহজ পরিচয় যাচাই: এনআইডি, পাসপোর্ট ও জন্মনিবন্ধনের তথ্য সমন্বয়ের ফলে পরিচয় যাচাইয়ের জটিলতা কমতে পারে।
২. দ্রুত সরকারি সেবা: বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান সহজ হলে সেবা প্রদানের সময় কমতে পারে।
৩. জালিয়াতি প্রতিরোধ: একাধিক পরিচয়ে সরকারি সুবিধা গ্রহণ ও ভুয়া তথ্য ব্যবহারের ঝুঁকি কমানো সম্ভব হতে পারে।
৪. বাংলা ভাষায় এআই সেবা: নিজস্ব বাংলা এআই তৈরি হলে বাংলা ভাষায় প্রযুক্তিনির্ভর সেবা পাওয়ার সুযোগ বাড়বে।
৫. নিরাপদ ডিজিটাল ব্যবস্থা: সাইবার নিরাপত্তা জোরদার হলে সরকারি তথ্যভান্ডার ও অনলাইন সেবার সুরক্ষা বাড়তে পারে।
৬. সহজ টোল পরিশোধ: সমন্বিত ডিজিটাল টোল ব্যবস্থায় সেতু ও টোল প্লাজায় অর্থ পরিশোধের প্রক্রিয়া সহজ হতে পারে।
শেষ কথা
বাংলাদেশে নিজস্ব বাংলা এআই তৈরি, ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান আইডি’ চালু এবং সাইবার নিরাপত্তা জোরদারের পরিকল্পনা দেশের প্রযুক্তি খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে। বিশেষ করে সরকারি দপ্তরগুলোর তথ্য সমন্বিত হলে নাগরিকদের বারবার একই তথ্য জমা দেওয়ার ভোগান্তি কমানো সম্ভব হবে।
তবে এসব উদ্যোগের সাফল্য নির্ভর করবে বাস্তবায়নের গতি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, সরকারি দপ্তরগুলোর সমন্বয় এবং তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নাগরিকদের তথ্য সরকারের কাছে থাকবে ঠিকই, কিন্তু সেই তথ্যের অপব্যবহার রোধে কার্যকর আইন, জবাবদিহি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকতে হবে।
ডিজিটাল সেবার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত নাগরিকের সময়, অর্থ ও ভোগান্তি কমানো। তাই আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা নিশ্চিত করা গেলে এই উদ্যোগগুলো বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।




আপনার মন্তব্য