মানিকগঞ্জ জেলার মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার অন্তর্গত দেউলী গ্রামে অবস্থিত আর.এস খতিয়ান নং ৯৪-এর অধীনে থাকা জমির মালিকানা ও হিস্যা নিয়ে একটি গাণিতিক বিশ্লেষণ সম্পন্ন হয়েছে। খতিয়ানের তথ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট মৌজার মোট জমির পরিমাণ ১১৪ শতাংশ, যা কৃষি ও অকৃষি উভয় শ্রেণিতে বিভক্ত।
খতিয়ানের বিবরণ ও অংশীদারগণ
উক্ত খতিয়ানে একাধিক অংশীদারের নাম উল্লেখ রয়েছে, যার মধ্যে মোখছেদ আলী বেপারী, রহিমা খাতুন, হাদেকের আলী এবং কিয়ামুদ্দিন অন্যতম। খতিয়ানের ৮ নং কলামে উল্লিখিত দাগ নম্বরগুলো হলো ৩১৫, ৩১৬, ৩১৭ এবং ৩১৯। জমিগুলো মূলত ‘বাড়ী’ এবং ‘নাল’ শ্রেণির অন্তর্গত।
কিয়ামুদ্দিনের হিস্যা ও গাণিতিক বিশ্লেষণ
খতিয়ানে কিয়ামুদ্দিনের নামের পাশে তার হিস্যা বা অংশ লেখা রয়েছে ‘১২।।’ (১২ গণ্ডা ২ কড়া)। হাতে কলমে করা সাম্প্রতিক এক হিসাবে দেখা যায়, মোট ৩২০ গণ্ডার (১৬ আনা) বিপরীতে এই হিস্যাটি বের করা হয়েছে।
হিসাবের সূত্র ও প্রক্রিয়া:
মোট জমি: ১১৪ শতাংশ।
কিয়ামুদ্দিনের অংশ: ১২.৫০ গণ্ডা (১২ গণ্ডা ২ কড়া)।
হিসাব: $(১২.৫০ \times ১১৪) \div ৩২০ = ৪.৪৫৩১$ শতাংশ।
গাণিতিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, কিয়ামুদ্দিন উক্ত খতিয়ানের মোট জমি থেকে ৪.৪৫ শতাংশ জমির মালিক। এই পরিমাণটিকে কাঠায় রূপান্তর করলে দাঁড়ায় প্রায় ২.৬৯৮৭ কাঠা।
রেকর্ড রুমের সত্যায়ন
সংবাদ বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ০৪ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে মানিকগঞ্জ কালেক্টরেটের রেকর্ড রুম ও নকশা শাখা থেকে এই খতিয়ানের তথ্য যাচাই ও নিরীক্ষা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট রেকর্ড কিপার এবং তুলনাকারীর স্বাক্ষর ও সীলমোহর খতিয়ানের সঠিকতা নিশ্চিত করেছে।
ভূমি মালিকানার এই স্বচ্ছ হিসাব স্থানীয় পর্যায়ে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমির সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

