নবম জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ বাস্তবায়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ধাপগুলোর একটি পে ফিক্সেশন বা নতুন বেতন নির্ধারণ। দীর্ঘ প্রস্তুতি, সফটওয়্যার উন্নয়ন এবং হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের পর এখন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন নির্ধারণের কার্যক্রম বাস্তবায়নের পর্যায়ে পৌঁছেছে। সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ৫ অক্টোবর ২০২৬ থেকে মূল পে ফিক্সেশন কার্যক্রম শুরু হয়ে ২০ অক্টোবরের মধ্যে তা সম্পন্ন করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
তবে একটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ—সারা দেশের সব সরকারি কর্মচারীর পে ফিক্সেশন একই দিনে শুরু হবে না। iBAS++-এর মাধ্যমে হিসাবরক্ষণ কার্যালয় ও অঞ্চলভিত্তিক ধাপে ধাপে এই কার্যক্রম চালু করা হচ্ছে। প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী প্রথম ধাপের কার্যক্রম ১ অক্টোবর থেকেই নির্দিষ্ট কার্যালয়ে শুরু হয়েছে এবং পরবর্তী ধাপগুলো ৫, ৮, ১২, ১৫ ও ১৮ অক্টোবর পর্যায়ক্রমে বিস্তৃত হওয়ার কথা রয়েছে।
১ অক্টোবর থেকেই কি সবাই পে ফিক্সেশন করতে পারবেন?
না।
১ অক্টোবরকে সবার পে ফিক্সেশনের তারিখ হিসেবে দেখলে বিষয়টি ভুল বোঝার সুযোগ রয়েছে। প্রকাশিত সূচিতে ১ অক্টোবর প্রথম ধাপে নির্দিষ্ট কিছু হিসাবরক্ষণ কার্যালয়কে কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে। এরপর পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য হিসাবরক্ষণ কার্যালয় যুক্ত হবে।
অন্যদিকে, অর্থ বিভাগের সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য মূল পে ফিক্সেশন কার্যক্রম ৫ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত পরিচালনার প্রস্তুতি রয়েছে। ফলে ১ অক্টোবরের প্রথম ধাপ এবং ৫ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া বিস্তৃত কার্যক্রম—দুটিকে আলাদা করে দেখা প্রয়োজন।
বিভাগভিত্তিক পে ফিক্সেশন: কোন অঞ্চলে কবে?
প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী iBAS++-এ পে ফিক্সেশন পর্যায়ক্রমে চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছে। সর্বশেষ পাওয়া সময়সূচিতে চিত্রটি হলো—
| তারিখ | সংশ্লিষ্ট এলাকা/হিসাব কার্যালয় |
|---|---|
| ১ অক্টোবর ২০২৬ | ঢাকা বিভাগের নির্ধারিত সিএএফও, অর্থ বিভাগ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এবং নির্ধারিত ডিএএফও কার্যালয় |
| ৫ অক্টোবর ২০২৬ | ঢাকার সংশ্লিষ্ট সিএএফও/হিসাবরক্ষণ কার্যালয় |
| ৮ অক্টোবর ২০২৬ | ঢাকা বিভাগ ও রাজশাহী বিভাগের সংশ্লিষ্ট ডিএও/ইউএও |
| ১২ অক্টোবর ২০২৬ | চট্টগ্রাম ও প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী সিলেট বিভাগের সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয় |
| ১৫ অক্টোবর ২০২৬ | ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগের সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয় |
| ১৮ অক্টোবর ২০২৬ | খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয় |
প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে কিছু অঞ্চলের তারিখ উপস্থাপনায় সামান্য পার্থক্য দেখা গেলেও সর্বশেষ পাওয়া বিস্তারিত সময়সূচিতে সিলেটকে ১২ অক্টোবর এবং ময়মনসিংহ ও রংপুরকে ১৫ অক্টোবর দেখানো হয়েছে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের নিজ নিজ হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুসরণ করা উচিত।
iBAS++-এই হবে নতুন বেতন নির্ধারণ
নবম জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় পরিবর্তনগুলোর একটি হলো অনলাইনভিত্তিক পে ফিক্সেশন ব্যবস্থা।
সরকারি কর্মচারীদের iBAS++ পোর্টালে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় চাকরিসংক্রান্ত তথ্য যাচাই ও নতুন বেতন নির্ধারণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয় তথ্য যাচাই করবে। নতুন বেতন নির্ধারণের পর ভেরিফিকেশন নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ ও সার্ভিস রেকর্ডে লিপিবদ্ধ করার ব্যবস্থা থাকবে।
এ কারণে এবার পে ফিক্সেশন শুধু একটি বেতন হিসাবের কাজ নয়; বরং সরকারি কর্মচারীর চাকরির ইতিহাস, বর্তমান পদ, গ্রেড, মূল বেতন ও পূর্ববর্তী বেতন নির্ধারণের তথ্যকে নতুন বেতন কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় করার একটি ডিজিটাল প্রক্রিয়া।
পে ফিক্সেশনে যেসব তথ্য গুরুত্বপূর্ণ
নতুন বেতন নির্ধারণের সময় সরকারি কর্মচারীদের চাকরিসংক্রান্ত তথ্য সঠিকভাবে যাচাই করতে হবে। প্রকাশিত নির্দেশনা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে—
- জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য;
- নাম ও জন্মতারিখ;
- বর্তমান পদ ও গ্রেড;
- চাকরিতে যোগদানের তারিখ;
- ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে বিদ্যমান মূল বেতন;
- ইনক্রিমেন্টের তথ্য;
- পূর্ববর্তী পে ফিক্সেশনের তথ্য;
- পদোন্নতির তথ্য;
- বদলি বা পদায়নের তথ্য;
- উচ্চতর গ্রেডের তথ্য;
- টাইমস্কেল বা সিলেকশন গ্রেডের তথ্য, যেখানে প্রযোজ্য;
- সংশ্লিষ্ট অফিস আদেশ ও অন্যান্য চাকরিসংক্রান্ত নথি।
অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিশেষভাবে সঠিক তথ্য ও অফিস আদেশের গুরুত্বের কথা জানিয়েছেন। ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য থাকলে হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের যাচাইয়ের সময় সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে।
পুরোনো বেতন স্কেলের তথ্যও কেন গুরুত্বপূর্ণ?
নতুন পে ফিক্সেশনের আগে পুরোনো বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন-ভাতা সংক্রান্ত পূর্ববর্তী কার্যক্রম সঠিকভাবে সম্পন্ন করার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
প্রকাশিত নির্দেশনার বিশদ বিবরণ অনুযায়ী, জুন ২০২৬ পর্যন্ত পুরোনো জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুযায়ী বেতন-ভাতা উত্তোলন এবং জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর বেতন-ভাতা সংক্রান্ত সাবমিশন সম্পন্ন করার বিষয়টি নতুন স্কেলে বেতন নির্ধারণের সঙ্গে সম্পর্কিত।
এর অর্থ হলো, নতুন পে ফিক্সেশনে যাওয়ার আগে পুরোনো বেতন-সংক্রান্ত তথ্যের ধারাবাহিকতা ঠিক থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কোনো কর্মচারীর আগের মাসের বেতন, ইনক্রিমেন্ট, পদোন্নতি বা অন্য কোনো পরিবর্তনের তথ্য সিস্টেমে অসম্পূর্ণ থাকলে নতুন বেতন নির্ধারণের সময় জটিলতা তৈরি হতে পারে।
পে ফিক্সেশনের আগে হিসাব কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ
কার্যক্রমটি সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য শুধু সফটওয়্যার প্রস্তুত করাই নয়, সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাদেরও প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
অর্থ বিভাগের এসপিএফএমএস কর্মসূচির আওতায় iBAS++ স্কিমের উদ্যোগে সিএএফও, ডিসিএ, ডিএএফও ও ইউএও কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনলাইন প্রশিক্ষণ পরিচালিত হচ্ছে।
এই প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে নতুন বেতন স্কেল অনুযায়ী পে ফিক্সেশন প্রক্রিয়া দ্রুত, নির্ভুল ও প্রযুক্তিনির্ভরভাবে সম্পন্ন করা।
মাউশিতেও শুরু হয়েছে তথ্য প্রস্তুতির কাজ
জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি হিসেবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরও মাঠপর্যায়ের কার্যালয় ও প্রতিষ্ঠানগুলোর জনবলের পূর্ণাঙ্গ তথ্য চেয়েছে।
১ অক্টোবর জারি করা নির্দেশনায় মাউশির অধীন মাঠপর্যায়ের অফিস ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত ছকে জনবলের তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে। ৭ অক্টোবরের মধ্যে তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে iBAS++-এর Organogram Sub-module-এ প্রয়োজনীয় পদ ও জনবলের তথ্য এন্ট্রির কথাও বলা হয়েছে।
এটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ নতুন পে ফিক্সেশন সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য শুধু কর্মচারীর ব্যক্তিগত তথ্য নয়, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সাংগঠনিক কাঠামো ও পদসংক্রান্ত তথ্যও সিস্টেমে সঠিক থাকা প্রয়োজন।
২০ অক্টোবরের মধ্যে পে ফিক্সেশন শেষ করার লক্ষ্য
সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ৫ অক্টোবর থেকে শুরু করে ২০ অক্টোবরের মধ্যে পে ফিক্সেশন শেষ করার প্রস্তুতি রয়েছে।
এর পেছনে মূল কারণ হলো—নতুন স্কেল অনুযায়ী অক্টোবর মাসের বেতন প্রস্তুত করার জন্য কর্মচারীদের নতুন মূল বেতন নির্ধারণের কাজ দ্রুত শেষ করা প্রয়োজন।
অর্থাৎ অক্টোবর মাসের বেতন নতুন স্কেলে দেওয়ার পরিকল্পনার সঙ্গে পে ফিক্সেশন সরাসরি যুক্ত।
বকেয়া বা এরিয়ার হিসাব কীভাবে হবে?
নতুন জাতীয় বেতন স্কেল কার্যকর হওয়ার তারিখ ১ জুলাই ২০২৬ হওয়ায় নতুন বেতন নির্ধারণের পর পূর্ববর্তী সময়ের প্রাপ্য অর্থের হিসাবও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
তবে প্রত্যেক কর্মচারীর বকেয়া অর্থ একই হবে না। কার কত বকেয়া হবে তা নির্ভর করবে—
পুরোনো মূল বেতন → নতুন নির্ধারিত মূল বেতন → কার্যকর তারিখ → সংশ্লিষ্ট বেতন-ভাতা → ব্যক্তিগত চাকরির পরিবর্তন
—এসব তথ্যের ওপর।
তাই পে ফিক্সেশন সঠিকভাবে না হলে পরবর্তী পর্যায়ে বকেয়া বা এরিয়ার হিসাবেও সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে।
কর্মচারীদের এখন কী করতে হবে?
পে ফিক্সেশনের তারিখ ঘনিয়ে আসায় সরকারি চাকরিজীবীদের এখন থেকেই নিজেদের তথ্য যাচাই করে রাখা প্রয়োজন।
১. বর্তমান মূল বেতন যাচাই
৩০ জুন ২০২৬ তারিখে আপনার মূল বেতন কত ছিল, তা নিশ্চিত করুন।
২. ইনক্রিমেন্ট যাচাই
সর্বশেষ ইনক্রিমেন্ট সঠিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে কি না দেখুন।
৩. পদোন্নতির তথ্য মিলিয়ে নিন
পদোন্নতি হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট অফিস আদেশ ও পূর্ববর্তী ফিক্সেশন প্রস্তুত রাখুন।
৪. উচ্চতর গ্রেড থাকলে নথি প্রস্তুত রাখুন
উচ্চতর গ্রেড বা অন্য কোনো বেতন সুবিধা পেয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট আদেশ যাচাই করুন।
৫. পুরোনো বেতনের হিসাব ঠিক আছে কি না দেখুন
জুন পর্যন্ত পুরোনো স্কেলের বেতন এবং জুলাই-সেপ্টেম্বরের বেতন-ভাতা সংক্রান্ত সাবমিশনের অবস্থা নিশ্চিত করুন।
৬. নিজের হিসাবরক্ষণ অফিসের তারিখ জেনে নিন
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—আপনার অফিস কোন হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের আওতাধীন এবং সেই কার্যালয়ের জন্য কোন তারিখ নির্ধারিত হয়েছে তা নিশ্চিত করুন।
কেন ধাপে ধাপে পে ফিক্সেশন?
সারা দেশের বিপুলসংখ্যক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন একসঙ্গে নতুন স্কেলে নির্ধারণ করা একটি বড় প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত কাজ। এ কারণে iBAS++-এ একযোগে পুরো দেশের কার্যক্রম চালু না করে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন হিসাবরক্ষণ কার্যালয়কে যুক্ত করার পদ্ধতি নেওয়া হয়েছে বলে প্রকাশিত সময়সূচি থেকে দেখা যাচ্ছে।
এতে সফটওয়্যার, তথ্য যাচাই এবং হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের সক্ষমতার ওপর চাপ ধাপে ধাপে সামলানোর সুযোগ তৈরি হয়।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৫টি তথ্য
১. পে ফিক্সেশনের প্রথম ধাপ ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে নির্ধারিত কিছু কার্যালয়ে শুরু হয়েছে।
২. সরকারি কর্মচারীদের বিস্তৃত পে ফিক্সেশন কার্যক্রম ৫ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবরের মধ্যে সম্পন্ন করার প্রস্তুতি রয়েছে।
৩. সব কর্মচারী একই দিনে পে ফিক্সেশন করতে পারবেন না; অফিস ও হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ভিত্তিক নির্ধারিত তারিখ অনুসরণ করতে হবে।
৪. নতুন বেতন নির্ধারণের মূল মাধ্যম হচ্ছে iBAS++ Pay Fixation Sub-system।
৫. ভুল বা অসম্পূর্ণ চাকরির তথ্য, পুরোনো পে ফিক্সেশন বা অফিস আদেশের অসঙ্গতি থাকলে যাচাইয়ের সময় সমস্যা হতে পারে।
শেষ কথা
নবম জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া এখন কাগজে-কলমের পর্যায় পেরিয়ে বাস্তব বেতন নির্ধারণের পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১ অক্টোবর নির্দিষ্ট কার্যালয়ে প্রথম ধাপ শুরু হয়েছে, ৫ অক্টোবর থেকে মূল কার্যক্রম বিস্তৃত হচ্ছে এবং ৮, ১২, ১৫ ও ১৮ অক্টোবর পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন অঞ্চল যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, “১ অক্টোবর থেকে সবার পে ফিক্সেশন” নয়; বরং হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ভিত্তিক ধাপে ধাপে পে ফিক্সেশন চালু হচ্ছে। ২০ অক্টোবরের মধ্যে কার্যক্রম শেষ করার প্রস্তুতি রয়েছে, যাতে অক্টোবর মাসের নতুন বেতন নির্ধারণ ও পরবর্তী হিসাব প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া যায়।
তাই সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য এখন সবচেয়ে জরুরি হলো নিজের চাকরিসংক্রান্ত তথ্য, বর্তমান মূল বেতন, ইনক্রিমেন্ট, পদোন্নতি/উচ্চতর গ্রেডের নথি এবং পুরোনো বেতন-সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করে রাখা এবং নিজ নিজ হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী iBAS++ পে ফিক্সেশন সম্পন্ন করা।

