মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভূমি সেবা ইন্টারনেট ব্যাংকিং সহ তথ্যের ভান্ডার।

শিরোনাম
Leave List 2027: সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ছুটির বড় সুযোগ, এক দিন ছুটি নিলেই মিলতে পারে দীর্ঘ অবকাশ সরকারি কর্মচারীদের সার্ভিস বুক নিয়ে সতর্কতা, চাকরি থেকে পেনশন পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যেসব তথ্য থাকতে হবে নতুন বেতন কাঠামোয় বাড়িভাড়া নিয়ে নতুন হিসাব, ১৫তম ও ১৬তম গ্রেডে বড় পার্থক্য বাড়ি নির্মাণে রডের খরচ কত? BSRM, KSRM, GPH ও AKS-এর দাম ও হিসাব জানুন এক ক্লিকেই ২৯ দেশের মুদ্রার হিসাব, বাংলাদেশি টাকায় মূল্য জানার নতুন ডিজিটাল সুবিধা সড়ক পরিবহন বিধিমালায় সংশোধন: মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেট প্রদর্শনে নতুন নিয়ম ভুল এসএ রেকর্ডে জমির মালিকানা হারানোর শঙ্কা নেই, প্রকৃত স্বত্ব নির্ধারণে আদালতের আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ সরকারি কর্মচারীদের চিকিৎসাসেবা সহজ করতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, থাকছে ডাক্তার খোঁজা থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্টের সুবিধা সরকারি কর্মচারীদের গৃহ নির্মাণ ও ফ্ল্যাট ক্রয়ের ঋণ: আবেদন থেকে কিস্তি কর্তন পর্যন্ত সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া এইচএসসিতে পাসের হার কমে ৫২ শতাংশে, এসএসসিতেও হতাশাজনক চিত্র

ভুয়া তথ্য দিয়ে প্রত্যয়নপত্র দিলে কর্মকর্তাদের জেল-জরিমানা: কঠোর অবস্থানে সরকার

admin ২ মিনিটের পাঠ
ভুয়া তথ্য দিয়ে প্রত্যয়নপত্র দিলে কর্মকর্তাদের জেল-জরিমানা

সরকারি কর্মকর্তাদের চারিত্রিক কিংবা অন্য কোনো প্রকার প্রত্যয়নপত্র প্রদানের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়মের বেড়াজাল আরোপ করেছে সরকার। এখন থেকে সঠিক তথ্য যাচাই-বাছাই না করে বা কোনো ব্যক্তির অস্তিত্ব নিশ্চিত না হয়ে প্রত্যয়নপত্র দিলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ‘ক্ষমতার অপব্যবহারের’ অভিযোগ আনা হবে। একই সঙ্গে একে সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এর সরাসরি লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করা হবে।

সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় (সাবেক সংস্থাপন মন্ত্রণালয়) থেকে জারি করা এক বিশেষ পরিপত্রের মাধ্যমে দেশের সকল পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের এই কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনার নেপথ্যে কারণ

সরকারের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, অনেক সরকারি কর্মকর্তা বিভিন্ন প্রয়োজনে ব্যক্তিদের যে চারিত্রিক ও নাগরিক প্রত্যয়নপত্র দিয়ে থাকেন, তার অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তথ্যের সত্যতা যাচাই করা হয় না। অনেক সময় প্রত্যয়নপত্রে উল্লেখিত ঠিকানায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কোনো অস্তিত্বই পাওয়া যায় না। এতে শুধু যে প্রত্যয়নপত্রের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে তা-ই নয়, বরং বহির্বিশ্বে এবং প্রশাসনিক ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তাদের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।

পরিপত্রের মূল বিষয়সমূহ

জারি করা ওই পত্রে (নং-সম (প্রঃ-২) ৯২/৮৯-৫৩৬(২৫০)) স্পষ্ট করে বলা হয়েছে: ১. যথাযথ যাচাই: কর্মকর্তাদের অবশ্যই প্রত্যায়িত ব্যক্তির নাম, ঠিকানা এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্যাদি সরজমিনে বা দাপ্তরিকভাবে নিশ্চিত হতে হবে। ২. আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘন: তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত না হয়ে স্বাক্ষর করা ক্ষমতার অপব্যবহারের শামিল, যা ১৯৭৯ সালের আচরণ বিধিমালার পরিপন্থী। ৩. বিভাগীয় ব্যবস্থা: এই আদেশ অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রশাসনের সকল স্তরে সতর্কতা

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় দেশের প্রতিটি মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং তাদের অধীনস্থ সকল দপ্তর ও অধিদপ্তরে কর্মরত কর্মকর্তাদের এই বিষয়ে দ্রুত অবহিত করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে। সরকারের এই কঠোর অবস্থানের ফলে এখন থেকে পাসপোর্ট, চাকরির আবেদন কিংবা জাতীয় নিরাপত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে ভুয়া তথ্য ব্যবহারের পথ বন্ধ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, অনেক সময় রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত প্রভাবে অনেক কর্মকর্তা না বুঝেই প্রত্যয়নপত্রে স্বাক্ষর করে বিপদে পড়েন। নতুন এই নির্দেশনার ফলে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা যেমন বাড়বে, তেমনি সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতাও নিশ্চিত হবে।


সূত্র: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় (সাবেক সংস্থাপন মন্ত্রণালয়), প্রশাসন-২ শাখা।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *