আজকের খবর ২০২৬

ভূমি সেবায় নতুন নিয়ম ২০২৬ । খতিয়ান ও মৌজা ম্যাপের ফি পুনর্নির্ধারণে সার্ভিস চার্জ যুক্ত হয়েছে?

ভূমি রেকর্ড ও মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ সহজতর এবং ডিজিটাল সেবা আরও জনবান্ধব করতে খতিয়ান (পর্চা) ও ম্যাপের ফি পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। গত মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রের মাধ্যমে এই নতুন ফি ও নির্দেশনা কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

খতিয়ান ও পর্চার নতুন ফি

পরিপত্রের তথ্য অনুযায়ী, এখন থেকে যেকোনো ধরনের খতিয়ানের (পর্চা) সার্টিফাইড কপি বা অনলাইন কপির জন্য আবেদনকারীকে মোট ১২০ টাকা খরচ করতে হবে। এর আগে এই ফি কম থাকলেও নতুন কাঠামোতে বিষয়টিকে সুবিন্যস্ত করা হয়েছে:

  • সরকারি ফি: ১০০ টাকা

  • সেবা ফি: ২০ টাকা

মৌজা ম্যাপের সেবামূল্য

মৌজা ম্যাপের ক্ষেত্রেও ফিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন থেকে প্রতি শিট মৌজা ম্যাপের জন্য মোট ৫৬৫ টাকা (ডাক মাশুলসহ ভিন্ন হতে পারে) বা নির্ধারিত হারে ফি প্রদান করতে হবে। পরিপত্রের সুনির্দিষ্ট তথ্যমতে:

  • সরকারি ফি: ৫২০ টাকা

  • সেবা ফি: ২৫ টাকা

  • মোট: ৫৪৫ টাকা (অন্যান্য চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে)

ডিজিটাল পেমেন্ট ও অনলাইন আবেদন বাধ্যতামূলক

ভূমি মন্ত্রণালয়ের নতুন এই নির্দেশনায় এনালগ বা নগদ লেনদেনকে পুরোপুরি নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। এখন থেকে: ১. খতিয়ান ও মৌজা ম্যাপের সকল আবেদন শুধুমাত্র অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে। ২. ফি পরিশোধের ক্ষেত্রেও নগদ টাকার পরিবর্তে ডিজিটাল পেমেন্ট গেটওয়ে (বিকাশ, রকেট, নগদ বা কার্ড) ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ৩. কিউআর কোড সম্বলিত অনলাইন কপি তাৎক্ষণিকভাবে সংগ্রহের সুযোগ রাখা হয়েছে।

কেন এই পরিবর্তন?

ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভূমি রেকর্ড ও মৌজা ম্যাপ সেবাকে আরও টেকসই, স্বচ্ছ এবং জনবান্ধব করার লক্ষ্যেই এই মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য কমবে এবং নাগরিকরা ঘরে বসেই প্রকৃত সরকারি মূল্যে সঠিক সেবা পাবেন।

উল্লেখ্য, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে জেলা প্রশাসন বা সেটেলমেন্ট অফিসে সশরীরে না গিয়েও ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে এই সেবাগুলো গ্রহণ করা যাবে।

ভূমি রেকর্ড ও মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ সহজতর এবং ডিজিটাল সেবা আরও জনবান্ধব করতে খতিয়ান (পর্চা) ও ম্যাপের ফি পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। গত মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রের মাধ্যমে এই নতুন ফি ও নির্দেশনা কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। খতিয়ান ও পর্চার নতুন ফি পরিপত্রের তথ্য অনুযায়ী, এখন থেকে যেকোনো ধরনের খতিয়ানের (পর্চা) সার্টিফাইড কপি বা অনলাইন কপির জন্য আবেদনকারীকে মোট ১২০ টাকা খরচ করতে হবে। এর আগে এই ফি কম থাকলেও নতুন কাঠামোতে বিষয়টিকে সুবিন্যস্ত করা হয়েছে: সরকারি ফি: ১০০ টাকা সেবা ফি: ২০ টাকা মৌজা ম্যাপের সেবামূল্য মৌজা ম্যাপের ক্ষেত্রেও ফিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন থেকে প্রতি শিট মৌজা ম্যাপের জন্য মোট ৫৬৫ টাকা (ডাক মাশুলসহ ভিন্ন হতে পারে) বা নির্ধারিত হারে ফি প্রদান করতে হবে। পরিপত্রের সুনির্দিষ্ট তথ্যমতে: সরকারি ফি: ৫২০ টাকা সেবা ফি: ২৫ টাকা মোট: ৫৪৫ টাকা (অন্যান্য চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে) ডিজিটাল পেমেন্ট ও অনলাইন আবেদন বাধ্যতামূলক ভূমি মন্ত্রণালয়ের নতুন এই নির্দেশনায় এনালগ বা নগদ লেনদেনকে পুরোপুরি নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। এখন থেকে: ১. খতিয়ান ও মৌজা ম্যাপের সকল আবেদন শুধুমাত্র অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে। ২. ফি পরিশোধের ক্ষেত্রেও নগদ টাকার পরিবর্তে ডিজিটাল পেমেন্ট গেটওয়ে (বিকাশ, রকেট, নগদ বা কার্ড) ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ৩. কিউআর কোড সম্বলিত অনলাইন কপি তাৎক্ষণিকভাবে সংগ্রহের সুযোগ রাখা হয়েছে। কেন এই পরিবর্তন? ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভূমি রেকর্ড ও মৌজা ম্যাপ সেবাকে আরও টেকসই, স্বচ্ছ এবং জনবান্ধব করার লক্ষ্যেই এই মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য কমবে এবং নাগরিকরা ঘরে বসেই প্রকৃত সরকারি মূল্যে সঠিক সেবা পাবেন। উল্লেখ্য, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে জেলা প্রশাসন বা সেটেলমেন্ট অফিসে সশরীরে না গিয়েও ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে এই সেবাগুলো গ্রহণ করা যাবে।

পূর্বে পর্চা উঠতে কত টাকা লাগতো?

পূর্বে খতিয়ান বা পর্চা তোলার ফি বর্তমানে নির্ধারিত ১২০ টাকার চেয়ে কিছুটা কম ছিল, তবে আবেদনের ধরন (অনলাইন বা ডাকযোগ) অনুযায়ী খরচে ভিন্নতা থাকতো। আপনার দেওয়া পরিপত্র এবং পূর্বের তথ্যের ভিত্তিতে একটি তুলনামূলক চিত্র নিচে দেওয়া হলো:

খতিয়ান (পর্চা) তোলার পূর্বের খরচ

নতুন নিয়ম (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) কার্যকর হওয়ার আগে খরচের হিসাব ছিল মূলত নিম্নরূপ:

  • অনলাইন কপির ফি: সাধারণত ১০০ টাকা ছিল।

  • সার্টিফাইড কপির আবেদন (ডাকযোগ ব্যতীত): ১০০ টাকা সরকারি ফি এবং আবেদনের ধরণভেদে কিছু ক্ষুদ্র সার্ভিস চার্জ থাকতো।

  • ডাকযোগে সরবরাহ: যদি কেউ ডাকঘরের মাধ্যমে খতিয়ান সংগ্রহ করতে চাইতেন, তবে ১০০ টাকা সরকারি ফির সাথে অতিরিক্ত ৪০ টাকা ডাক মাশুলসহ মোট ১৪০ টাকা খরচ হতো।

সারসংক্ষেপ তুলনা: | সেবার নাম | পূর্বের ফি (প্রায়) | বর্তমান ফি (নতুন নিয়ম) | | :— | :— | :— | | খতিয়ান/পর্চা | ১০০ – ১৪০ টাকা | ১২০ টাকা (ফিক্সড) | | মৌজা ম্যাপ | ৫৩০ – ৬৩০ টাকা | ৫৪৫ টাকা (ফিক্সড) |

উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন

আগে খতিয়ান বা ম্যাপের ফির সাথে ডাক মাশুল বা বিবিধ সার্ভিস চার্জ আলাদাভাবে যোগ হওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের কাছে হিসাবটি প্রায়ই অস্পষ্ট থাকতো। নতুন পরিপত্রের মাধ্যমে সরকার সকল চার্জ অন্তর্ভুক্ত করে একটি একক রেট (১২০ টাকা) নির্ধারণ করে দিয়েছে, যাতে গ্রাহক হয়রানি কমে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *