আজকের খবর ২০২৬

সরকারি চাকুরিজীবীদের পিআরএল ও অবসর সংক্রান্ত নতুন স্পষ্টীকরণ: যা জানা জরুরি

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবসর-উত্তর ছুটি (পিআরএল) এবং অবসর গ্রহণের তারিখ নিয়ে বিদ্যমান বিভ্রান্তি দূর করতে অর্থ মন্ত্রণালয় একটি গুরুত্বপূর্ণ স্পষ্টীকরণ প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রবিধি অনুবিভাগ থেকে জারি করা এই প্রজ্ঞাপনে পিআরএল কালীন সুযোগ-সুবিধা এবং অবসরের সময়সীমা নির্ধারণের নিখুঁত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।

পিআরএল কি পেনশনযোগ্য চাকরি?

প্রজ্ঞাপনে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটি (এলপিআর) এখন অবসর-উত্তর ছুটিতে (পিআরএল) রূপান্তরিত হয়েছে। ফলে পিআরএল কালীন সময়টুকুকে আর ‘পেনশনযোগ্য চাকরি’ হিসেবে গণ্য করা হবে না। তবে সরকারি চাকুরিজীবীদের আশ্বস্ত করে বলা হয়েছে যে, এলপিআর থাকাকালীন একজন কর্মী যে সকল আর্থিক সুযোগ-সুবিধা পেতেন, পিআরএল চলাকালীনও সেই সকল সুবিধা অপরিবর্তিত থাকবে।

উদাহরণসহ অবসরের সময়সীমা নির্ধারণ

প্রজ্ঞাপনে একজন কাল্পনিক ব্যক্তি ‘জনাব ক’-এর উদাহরণের মাধ্যমে অবসরের তারিখ ও সময় স্পষ্ট করা হয়েছে:

  • অবসরের শুরু: যদি কোনো কর্মীর ৫৯ বছর বয়স পূর্ণ হয় ৩১ ডিসেম্বর, তবে ওই দিন বিকেলেই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরে যাবেন।

  • পিআরএল শুরু: ছুটি পাওনা সাপেক্ষে তার পিআরএল শুরু হবে অবসরের ঠিক পরের দিন অর্থাৎ ১ জানুয়ারি থেকে।

  • চূড়ান্ত অবসর: ১২ মাস পিআরএল ভোগ করলে পরবর্তী বছরের ১ জানুয়ারি তিনি চূড়ান্তভাবে অবসরপ্রাপ্ত হিসেবে গণ্য হবেন।

  • পিআরএল গ্রহণ না করলে: কেউ যদি পিআরএল ভোগ করতে না চান, তবে তার অবসরের দিন অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বরই হবে তার চূড়ান্ত অবসরের তারিখ।

প্রজ্ঞাপনের গুরুত্ব

এই স্পষ্টীকরণের ফলে সরকারি চাকুরিজীবীদের পেনশন ফাইল প্রসেসিং এবং আর্থিক সুবিধা প্রাপ্তির হিসাব আরও সহজতর হবে। বিশেষ করে যারা এলপিআর এবং পিআরএল-এর মধ্যে চাকরির মেয়াদের পার্থক্য নিয়ে দ্বিধায় ছিলেন, এই নির্দেশিকা তাদের জন্য একটি আইনি রেফারেন্স হিসেবে কাজ করবে।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবসর-উত্তর ছুটি (পিআরএল) এবং অবসর গ্রহণের তারিখ নিয়ে বিদ্যমান বিভ্রান্তি দূর করতে অর্থ মন্ত্রণালয় একটি গুরুত্বপূর্ণ স্পষ্টীকরণ প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রবিধি অনুবিভাগ থেকে জারি করা এই প্রজ্ঞাপনে পিআরএল কালীন সুযোগ-সুবিধা এবং অবসরের সময়সীমা নির্ধারণের নিখুঁত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।পিআরএল কি পেনশনযোগ্য চাকরি?
প্রজ্ঞাপনে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটি (এলপিআর) এখন অবসর-উত্তর ছুটিতে (পিআরএল) রূপান্তরিত হয়েছে। ফলে পিআরএল কালীন সময়টুকুকে আর ‘পেনশনযোগ্য চাকরি’ হিসেবে গণ্য করা হবে না। তবে সরকারি চাকুরিজীবীদের আশ্বস্ত করে বলা হয়েছে যে, এলপিআর থাকাকালীন একজন কর্মী যে সকল আর্থিক সুযোগ-সুবিধা পেতেন, পিআরএল চলাকালীনও সেই সকল সুবিধা অপরিবর্তিত থাকবে।উদাহরণসহ অবসরের সময়সীমা নির্ধারণ
প্রজ্ঞাপনে একজন কাল্পনিক ব্যক্তি ‘জনাব ক’-এর উদাহরণের মাধ্যমে অবসরের তারিখ ও সময় স্পষ্ট করা হয়েছে:অবসরের শুরু: যদি কোনো কর্মীর ৫৯ বছর বয়স পূর্ণ হয় ৩১ ডিসেম্বর, তবে ওই দিন বিকেলেই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরে যাবেন।পিআরএল শুরু: ছুটি পাওনা সাপেক্ষে তার পিআরএল শুরু হবে অবসরের ঠিক পরের দিন অর্থাৎ ১ জানুয়ারি থেকে।চূড়ান্ত অবসর: ১২ মাস পিআরএল ভোগ করলে পরবর্তী বছরের ১ জানুয়ারি তিনি চূড়ান্তভাবে অবসরপ্রাপ্ত হিসেবে গণ্য হবেন।পিআরএল গ্রহণ না করলে: কেউ যদি পিআরএল ভোগ করতে না চান, তবে তার অবসরের দিন অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বরই হবে তার চূড়ান্ত অবসরের তারিখ।প্রজ্ঞাপনের গুরুত্ব
এই স্পষ্টীকরণের ফলে সরকারি চাকুরিজীবীদের পেনশন ফাইল প্রসেসিং এবং আর্থিক সুবিধা প্রাপ্তির হিসাব আরও সহজতর হবে। বিশেষ করে যারা এলপিআর এবং পিআরএল-এর মধ্যে চাকরির মেয়াদের পার্থক্য নিয়ে দ্বিধায় ছিলেন, এই নির্দেশিকা তাদের জন্য একটি আইনি রেফারেন্স হিসেবে কাজ করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *