খারিজ করার সময় সীমা ২০২৬ । জমির নামজারির…
কেস স্টাডি ১ মতি মিয়া একজন দরিদ্র কৃষক। স্ত্রী এবং দুই মেয়েকে নিয়ে তাঁর ছোট্ট
ভূমি কেনার পর নামজারি একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্ট। এখন দালাল ছাড়াই অনলাইনে নামজারি করতে পারবেন। জমি খারিজ বা ই নামজারি বা মিউটেশন এখন অনলাইনেই করা যায়। তাই ম্যানুয়াল পদ্ধতি বাদ দিয়ে অনলাইনেই ই নামজারি আবেদন করুন।
কেস স্টাডি ১ মতি মিয়া একজন দরিদ্র কৃষক। স্ত্রী এবং দুই মেয়েকে নিয়ে তাঁর ছোট্ট
হ্যাঁ, সাধারণত বন্টননামা বা বাটোয়ারা দলিল ছাড়া নামজারি করা যায় না। বিশেষ করে যদি মৃত
জমির খতিয়ান যাচাই করার জন্য, আপনি অনলাইনে eporcha.gov.bd বা dlrms.land.gov.bd ওয়েবসাইটে যেতে পারেন। সেখানে “সার্ভে
আমিন গিরি করতে অথবা আপনার নিজের জমি নিজেই মাপামাপি করতে আপনার কিছু টুলস বা যন্ত্রপাতি
পৈতৃক বা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক কলহ এবং আইনি জটিলতা নিরসনে সরকার সম্পত্তি
সবচেয়ে বেশি ঝামেলা পোহাতে হয় এই নামজারি এবং খারিজের ব্যাপারটি নিয়ে। বিভিন্ন ভায়া দলিল ও
জমি খারিজ বা নামজারি বা মিউটেশনের আবেদন ব্যয় ৭০ টাকা পরবর্তীতে সরকারি ফি সহ ১১০০
প্রাচীনকাল থেকেই ভূমি ব্যবহারের বিনিময়ে সরকারকে খাজনা দেওয়ার রীতি প্রচলিত। তবে আধুনিক ভূমি ব্যবস্থাপনায় ‘খাজনা’
সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ড কর্তৃক নামজারি (মিউটেশন) আবেদন নামঞ্জুর (Reject) হলে কিংবা কোনো আদেশ
জমি সংক্রান্ত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ভূমি উন্নয়ন কর বা জমির খাজনা পরিশোধ। অনেকেই বুঝতে