মাধ্যমিক শিক্ষা খাতে টিউশন ফি থেকে প্রাপ্ত অর্থ শিক্ষকদের পাশাপাশি কর্মচারীদের মধ্যেও বণ্টনের প্রস্তাব উঠেছে। এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে একটি প্রস্তাবনা জারি করা হয়েছে, যা শিক্ষা প্রশাসনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, মাধ্যমিক শিক্ষা খাতে সরকারি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা টিউশন ফি বর্তমানে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী বণ্টন করা হলেও, কর্মচারীদেরও এ অর্থ বণ্টনের আওতায় আনার দাবি দীর্ঘদিনের। সেই প্রেক্ষাপটে বিদ্যমান বিধি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে টিউশন ফি বণ্টনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করে শিক্ষক ও কর্মচারীদের মধ্যে সমন্বিতভাবে অর্থ বণ্টনের একটি প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, এ প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে বিদ্যালয়ের কর্মচারীরাও টিউশন ফি থেকে প্রাপ্য অংশ পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে। তবে এটি এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়; সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন এবং প্রয়োজনীয় বিধি সংশোধনের পরই কার্যকর হবে।
শিক্ষক সংগঠনের একাংশ মনে করছে, টিউশন ফি বণ্টনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও যৌক্তিকতা নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবির বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। অন্যদিকে, কয়েকজন শিক্ষক এ বিষয়ে অংশীদারিত্বের হার ও বণ্টন পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত নির্দেশিকা প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রস্তাবটি অনুমোদন পেলে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে টিউশন ফি বণ্টনের বর্তমান কাঠামোতে পরিবর্তন আসতে পারে। তবে চূড়ান্ত গেজেট বা সরকারি আদেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত এটি কেবল একটি প্রস্তাব হিসেবেই বিবেচিত হবে।
