দলিল থাকলেও জমি কি আপনার? দখল না থাকলে বড় ঝুঁকিতে পড়তে পারেন ক্রেতারা
বাংলাদেশে জমি কেনা সাধারণ মানুষের কাছে সবচেয়ে নিরাপদ ও লাভজনক বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হলেও, বর্তমানে কেবল দলিলে নাম থাকাই শেষ কথা নয়। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন,
বাংলাদেশে জমি কেনা সাধারণ মানুষের কাছে সবচেয়ে নিরাপদ ও লাভজনক বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হলেও, বর্তমানে কেবল দলিলে নাম থাকাই শেষ কথা নয়। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন,
জমি কেনাবেচা কিংবা পৈতৃক সম্পত্তির হিসাব মেলাতে গিয়ে সাধারণ মানুষ প্রায়ই একটি বড় সমস্যার সম্মুখীন হন— আর তা হলো দলিলের জটিল ভাষা। দলিলে ব্যবহৃত অনেক প্রাচীন
সরকারি চাকরিতে ৯ম গ্রেডে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে ১টি অগ্রিম ইনক্রিমেন্ট (Advance Increment) পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিনের অস্পষ্টতা দূর করেছে সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপন। তথ্যাদি
নিজের কষ্টার্জিত সম্পত্তি প্রিয়জনদের মধ্যে সুষমভাবে বণ্টন করে দেওয়ার জন্য অনেকেই মৃত্যুর আগে ‘অছিয়তনামা’ বা ‘উইল’ (Will) করে যান। তবে শুধুমাত্র একটি দলিল লিখে গেলেই কাজ
নিজের একটি স্থায়ী ঠিকানা বা একখণ্ড জমি কেনা অধিকাংশ মানুষের জীবনের অন্যতম বড় স্বপ্ন। তবে এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ধাপ হলো ‘বায়না’ বা অগ্রিম
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর সুষ্ঠু পরিচালনা ও শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে ‘বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি (SMC) গঠন নীতিমালা ২০২৬’ প্রকাশ করেছে সরকার। নতুন এই নীতিমালা অনুযায়ী, কমিটির
জমি কেনাবেচা বা হস্তান্তরের প্রধান ধাপ হলো দলিল রেজিস্ট্রেশন। কিন্তু কোনো কারণে সেই রেজিস্ট্রিকৃত দলিল বাতিলের প্রয়োজন হলে অনেকেই বিভ্রান্তিতে পড়েন। সাধারণ একটি ধারণা প্রচলিত আছে
ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং জমির মালিকানা সুসংহত করতে ‘নামজারি’ বা ‘মিউটেশন’ একটি অপরিহার্য প্রক্রিয়া। সাধারণ অর্থে, নামজারি হলো পুরনো খতিয়ান থেকে পূর্ববর্তী মালিকের নাম
বাড়ি বা যে কোনো স্থাপনা নির্মাণে অন্যতম প্রধান উপকরণ হলো রড। বাজার থেকে রড কেনার সময় অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ ক্রেতারা ওজনে বা সংখ্যায় সঠিক হিসাব বুঝতে
জমির মালিকানার প্রধান ভিত্তি হলো দলিল। কিন্তু অনেক সময় অসাবধানতাবশত দলিলে দাগ নম্বর, খতিয়ান নম্বর বা চৌহদ্দি ভুল থেকে যায়। এই ছোট একটি ভুল ভবিষ্যতে আপনার