একজন ব্যক্তি সরকারি বা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগ পাওয়ার পর পরবর্তীতে বা নিয়োগের আগে অর্জিত ডুয়েটের বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি পদোন্নতির ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনো বিশেষ সুবিধা দেবে কি না—এ নিয়ে চাকরিজীবীদের মধ্যে প্রায়ই প্রশ্ন দেখা যায়।
আইন ও বিধিবিধানের আলোকে বিষয়টি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, শুধু উচ্চতর শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জন করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে পদোন্নতির অধিকার সৃষ্টি হয় না। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার অনুমোদিত নিয়োগ ও পদোন্নতি বিধিমালাই এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ডিপ্লোমা যোগ্যতায় নিয়োগ, বিএসসি থাকলেও কি সমস্যা?
ধরা যাক, কোনো রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে—
“সরকার অনুমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং।”
একজন প্রার্থী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করার পর ডুয়েট থেকে বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিও অর্জন করেছেন। তিনি ডিপ্লোমা যোগ্যতার ভিত্তিতে ওই পদে আবেদন করে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন।
এ ক্ষেত্রে তাঁর বিএসসি ডিগ্রি থাকা মাত্রই তিনি উচ্চতর কোনো পদে পদোন্নতির আইনগত অধিকারী হয়ে যাবেন—এমন কোনো সাধারণ নীতি নেই। কারণ, পদোন্নতির ক্ষেত্রে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো পরবর্তী পদের জন্য প্রযোজ্য নিয়োগ ও পদোন্নতি বিধিমালা।
সরকারি চাকরি আইনে পদোন্নতির মূল ভিত্তি কী?
বাংলাদেশের সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর পদোন্নতি সংক্রান্ত বিধানে স্থায়ী সরকারি কর্মচারীর পদোন্নতির ক্ষেত্রে সততা, মেধা, দক্ষতা, জ্যেষ্ঠতা, প্রশিক্ষণ এবং সন্তোষজনক চাকরির বিষয়গুলো বিবেচনার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে পদোন্নতি সম্পর্কিত বিষয় ও শর্ত বিধির মাধ্যমে নির্ধারণের কথাও রয়েছে।
অর্থাৎ, আইনের সাধারণ কাঠামো থেকেই বোঝা যায় যে পদোন্নতি শুধু একটি অতিরিক্ত বা উচ্চতর ডিগ্রির ওপর নির্ভরশীল নয়।
তাহলে ডুয়েটের বিএসসি ডিগ্রির ভূমিকা কোথায়?
ডুয়েট থেকে অর্জিত বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং অবশ্যই একটি উচ্চতর একাডেমিক যোগ্যতা। তবে চাকরির ক্ষেত্রে এই ডিগ্রির ব্যবহার ও প্রভাব নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব বিধিমালার ওপর।
যদি কোনো রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ ও পদোন্নতি বিধিমালায় বলা থাকে যে—
- নির্দিষ্ট উচ্চতর পদে পদোন্নতির জন্য বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রয়োজন;
- অথবা উচ্চতর ডিগ্রিধারীদের জন্য পৃথক পদোন্নতির সুযোগ রয়েছে;
- অথবা নির্দিষ্ট যোগ্যতার কর্মচারীদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে;
তাহলে সংশ্লিষ্ট বিএসসি ডিগ্রি অবশ্যই বিধিমালা অনুযায়ী বিবেচনায় আসতে পারে।
কিন্তু বিধিমালায় এমন কোনো শর্ত না থাকলে শুধু বিএসসি ডিগ্রি থাকার কারণে পদোন্নতি দাবি করার স্বয়ংক্রিয় অধিকার তৈরি হয় না।
‘উচ্চতর শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলেই পদোন্নতি’—এ ধারণা কতটা সঠিক?
চাকরিজীবীদের মধ্যে একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে যে, চাকরিতে যোগদানের পর কেউ উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করলে তাঁকে সেই ডিগ্রির ভিত্তিতে উচ্চতর পদে উন্নীত করতে হবে। বাস্তবে বিষয়টি এত সরল নয়।
বিভিন্ন সরকারি বিধিমালায় পদোন্নতির যোগ্যতা সংশ্লিষ্ট পদ ও প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন অনুযায়ী আলাদাভাবে নির্ধারণ করা হয়। কোথাও উচ্চতর শিক্ষাগত যোগ্যতা বাধ্যতামূলক, কোথাও তা অগ্রাধিকারযোগ্য, আবার কোথাও পদোন্নতির ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার চেয়ে চাকরির অভিজ্ঞতা, জ্যেষ্ঠতা ও বিভাগীয় মূল্যায়ন বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ হিসেবে বিভিন্ন সরকারি বিধিমালায় পদোন্নতির জন্য পৃথক শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণের নজির রয়েছে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে উচ্চতর শিক্ষাগত যোগ্যতাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টিও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ থেকেই বোঝা যায়, উচ্চতর ডিগ্রি বিবেচিত হবে কি না, তা একেক প্রতিষ্ঠানের বিধিমালার ওপর নির্ভরশীল।
নিয়োগ ও পদোন্নতি বিধিমালাই হবে প্রধান দলিল
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের প্রশ্নের চূড়ান্ত উত্তর জানতে প্রথমেই সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের—
- চাকরি প্রবিধানমালা বা সার্ভিস রুলস;
- নিয়োগ বিধিমালা;
- পদোন্নতি বিধিমালা বা প্রমোশন পলিসি;
- সংশ্লিষ্ট পদের ফিডার পোস্ট;
- উচ্চতর পদের জন্য নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার শর্ত
পর্যালোচনা করতে হবে।
কারণ উপ-সহকারী প্রকৌশলী থেকে কোন পদে, কত বছর চাকরির পর এবং কী কী শর্তে পদোন্নতি দেওয়া হবে—তা সাধারণত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অনুমোদিত প্রবিধানে নির্ধারিত থাকে।
বিএসসি থাকলে কি সরাসরি প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি সম্ভব?
এ প্রশ্নের উত্তরও নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিধিমালার ওপর।
যদি কোনো প্রতিষ্ঠানের বিধিমালায় উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদকে পরবর্তী প্রকৌশলী পদের ফিডার পদ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া থাকে এবং পদোন্নতির জন্য বিএসসি বা সমমানের যোগ্যতা নির্ধারিত থাকে, তাহলে বিধিমালার অন্যান্য শর্ত পূরণ সাপেক্ষে বিএসসি ডিগ্রিধারী কর্মচারী পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হতে পারেন।
অন্যদিকে, যদি প্রকৌশলী পদটি কেবল সরাসরি নিয়োগের পদ হয় অথবা পদোন্নতির জন্য নির্দিষ্ট ক্যাডার, অভিজ্ঞতা, বিভাগীয় পরীক্ষা কিংবা অন্য কোনো শর্ত থাকে, তাহলে শুধু ডুয়েটের বিএসসি ডিগ্রি থাকলেই ওই পদে পদোন্নতি পাওয়া যাবে না।
অনুমোদিত বিধিমালা না থাকলে কী হবে?
এখানেই বিষয়টি কিছুটা জটিল।
কোনো রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে যদি পূর্ণাঙ্গ ও অনুমোদিত নিয়োগ-পদোন্নতি বিধিমালা না থাকে, তাহলে কর্তৃপক্ষ প্রচলিত প্রশাসনিক বিধি, পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত, সংস্থার অনুমোদিত সার্ভিস রেগুলেশন এবং প্রযোজ্য সরকারি নির্দেশনার আলোকে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
তবে কর্তৃপক্ষ ইচ্ছামতো কাউকে পদোন্নতি দিতে পারেন—এমন সরল সিদ্ধান্তও আইনগতভাবে সর্বক্ষেত্রে সঠিক নয়। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে শূন্য পদ, সাংগঠনিক কাঠামো, পরিচালনা পর্ষদের ক্ষমতা, প্রযোজ্য সার্ভিস রুলস এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা সরকারের অনুমোদনের বিষয় থাকতে পারে।
অতএব, অনুমোদিত বিধিমালা না থাকলেও উচ্চতর ডিগ্রির কারণে কাউকে পদোন্নতি দেওয়ার আগে প্রতিষ্ঠানকে তার আইনগত ও প্রশাসনিক ক্ষমতার সীমার মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
শুধু যোগ্যতা থাকলেই পদোন্নতি দাবি করা যায় না
পুরোনো সরকারি বিধানেও পদোন্নতির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের বিধানাবলী ও যোগ্যতার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে এবং কেবল যোগ্যতা থাকলেই পদোন্নতির ওপর স্বতঃসিদ্ধ দাবি প্রতিষ্ঠিত হয় না—এমন নীতির উল্লেখ পাওয়া যায়।
এই নীতির আলোকে বলা যায়, বিএসসি ডিগ্রি একজন কর্মচারীর উচ্চতর যোগ্যতা হিসেবে রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, কিন্তু সেটি নিজে থেকেই পদোন্নতির নিশ্চয়তা নয়।
ডিপ্লোমা প্রকৌশলীর বিএসসি ডিগ্রি নিয়ে বিভ্রান্তি কেন?
ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের উচ্চতর ডিগ্রির স্বীকৃতি ও মর্যাদা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সরকারি পর্যায়ে আলোচনা ও কমিটি গঠনের তথ্য পাওয়া যায়। ২০২৪ সালের একটি সরকারি প্রজ্ঞাপনে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের নির্দিষ্ট অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বিএসসি (পাস) সমমান মর্যাদা দেওয়ার বিষয়ে মতামত ও সুপারিশ প্রণয়নের জন্য কমিটি গঠনের তথ্যও রয়েছে।
তবে এ ধরনের কমিটি গঠন বা সুপারিশ প্রক্রিয়াকে কোনো নির্দিষ্ট রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের পদোন্নতি বিধিমালার বিকল্প হিসেবে ধরা যাবে না। কোনো প্রজ্ঞাপন বা সিদ্ধান্ত বাস্তবে কী অধিকার সৃষ্টি করেছে, তা সংশ্লিষ্ট চূড়ান্ত আদেশের ভাষা দেখে নির্ধারণ করতে হবে।
কোন সরকারি আদেশ বা পরিপত্র প্রযোজ্য?
এ বিষয়ে সব রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের জন্য একই ভাষায় প্রযোজ্য এমন একটি মাত্র সাধারণ পরিপত্র দেখিয়ে সব প্রশ্নের চূড়ান্ত সমাধান করা কঠিন। কারণ রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর—
- নিজস্ব আইন বা অধ্যাদেশ,
- সার্ভিস রেগুলেশন,
- নিয়োগ প্রবিধান,
- পদোন্নতি নীতিমালা,
- পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদিত বিধান
ভিন্ন হতে পারে।
সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ পদোন্নতির সাধারণ নীতিগত কাঠামো প্রদান করলেও নির্দিষ্ট পদে পদোন্নতির বিস্তারিত শর্ত বিধির মাধ্যমে নির্ধারণের কথা বলেছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধানিক তথ্যভান্ডারেও বিভিন্ন দপ্তর ও গ্রেডভিত্তিক নিয়োগ-পদোন্নতি সংক্রান্ত বিধান ও কমিটির নির্দেশনার পৃথক ব্যবস্থা দেখা যায়।
তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ক্ষেত্রে করণীয় কী?
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যদি নিশ্চিতভাবে জানতে চান তাঁর ডুয়েটের বিএসসি ডিগ্রি পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হবে কি না, তাহলে তাঁকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নিম্নোক্ত নথিগুলো সংগ্রহ বা যাচাই করতে হবে—
প্রথমত: প্রতিষ্ঠানের সর্বশেষ অনুমোদিত নিয়োগ ও পদোন্নতি বিধিমালা।
দ্বিতীয়ত: উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদের পরবর্তী উচ্চতর পদ কোনটি এবং সেখানে পদোন্নতির কোটা আছে কি না।
তৃতীয়ত: উচ্চতর পদের পদোন্নতির জন্য ডিপ্লোমা, বিএসসি, অভিজ্ঞতা বা অন্য কোনো বিশেষ যোগ্যতা নির্ধারিত আছে কি না।
চতুর্থত: ওই প্রতিষ্ঠানের চাকরি বিধিমালায় চাকরিরত অবস্থায় অর্জিত উচ্চতর শিক্ষাগত যোগ্যতা সার্ভিস রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে বিবেচনার কোনো বিধান রয়েছে কি না।
প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠানটির মানবসম্পদ বিভাগ, প্রশাসন বিভাগ অথবা নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়ের কাছে লিখিতভাবে মতামত চাওয়া যেতে পারে।
মূল কথা
একজন ব্যক্তি ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের যোগ্যতায় উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগ পাওয়ার পর তাঁর ডুয়েট থেকে অর্জিত বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি পদোন্নতির ক্ষেত্রে বিবেচিত হবে কি না—তার উত্তর নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত নিয়োগ ও পদোন্নতি বিধিমালার ওপর।
শুধু বিএসসি ডিগ্রি অর্জন করলেই স্বয়ংক্রিয় পদোন্নতির অধিকার সৃষ্টি হবে না। আবার বিধিমালায় উচ্চতর ডিগ্রিকে পদোন্নতির যোগ্যতা বা অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ থাকলে সেটি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং পদোন্নতির শিক্ষাগত যোগ্যতা এক বিষয় নয়। একজন কর্মচারী যে যোগ্যতায় চাকরিতে প্রবেশ করেছেন, তার বাইরে পরবর্তী পদে উন্নীত হওয়ার শর্ত সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সার্ভিস রুলস বা পদোন্নতি বিধিমালায় নির্ধারিত থাকতে পারে।
সুতরাং, এ ধরনের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের নাম ও তার অনুমোদিত চাকরি/নিয়োগ/পদোন্নতি বিধিমালা যাচাই করাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পথ।

