BD Govt Service Rules

এমপিও শিক্ষকদের নতুন পে-স্কেলে পুরোনো ইনক্রিমেন্ট কি যোগ হবে? ১১তম থেকে ১০ম গ্রেডে গেলে যা জানা জরুরি

জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ কার্যকর হওয়ার পর এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনার বিষয়গুলোর একটি হলো—আগে পাওয়া বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট নতুন পে-স্কেলে কীভাবে বিবেচিত হবে। বিশেষ করে ১১তম গ্রেডে কর্মরত শিক্ষক ১০ম গ্রেডে উন্নীত হলে আগের ইনক্রিমেন্টগুলো কি নতুন গ্রেডের সঙ্গে যুক্ত হবে, জুলাই ২০২৬-এর ইনক্রিমেন্ট কীভাবে হিসাব হবে এবং নভেম্বর থেকে ১০ম গ্রেড কার্যকর হলে তার আগের মাসগুলোর বেতন কোন গ্রেডে হবে—এসব প্রশ্ন এখন সামনে এসেছে।

সাম্প্রতিক সরকারি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, নতুন পে-স্কেলে বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে শুধু ‘কতটি ইনক্রিমেন্ট পেয়েছেন’—এটি আলাদা কোনো একক হিসাব নয়। বরং ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীর মূল বেতন, তখনকার গ্রেড এবং নতুন স্কেলের সংশ্লিষ্ট বেতনক্রম পে-ফিক্সেশনের প্রধান ভিত্তি।

৩০ জুনের মূল বেতনই হবে ফিক্সেশনের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি

জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুযায়ী নতুন বেতন নির্ধারণে প্রথমে দেখতে হবে ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মূল বেতন কত ছিল এবং তিনি কোন গ্রেডে ছিলেন। এরপর পুরোনো স্কেলের সঙ্গে নতুন স্কেলের নির্ধারিত বেতনক্রমের তুলনা করে নতুন মূল বেতন নির্ধারণ করা হবে।

অর্থাৎ কোনো শিক্ষক ১১তম গ্রেডে থেকে ৩টি বা ৪টি বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট পেয়ে থাকলে সেই ইনক্রিমেন্টগুলোকে নতুন পে-স্কেলে আবার আলাদাভাবে ‘৩টি বা ৪টি ইনক্রিমেন্ট’ হিসেবে যোগ করার বিষয় নয়। বরং ওই ইনক্রিমেন্টের ফলে ৩০ জুনে তাঁর মূল বেতন যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, সেটিই ফিক্সেশনের হিসাবকে প্রভাবিত করবে।

উদাহরণ হিসেবে, ১১তম গ্রেডের প্রারম্ভিক বেতনের চেয়ে কোনো শিক্ষকের ৩০ জুনের মূল বেতন বেশি হলে পুরোনো স্কেলের প্রারম্ভিক বেতন থেকে তাঁর বিদ্যমান বেতনের ব্যবধান বের করে নতুন স্কেলের প্রারম্ভিক বেতনের সঙ্গে সেই ব্যবধান সমন্বয়ের পদ্ধতি প্রযোজ্য হতে পারে। হিসাব করা অঙ্কটি নতুন স্কেলের কোনো নির্ধারিত ধাপে না থাকলে পরবর্তী উচ্চতর ধাপ নেওয়ার বিধানও রয়েছে।

তাহলে ‘আগের ইনক্রিমেন্ট যোগ হবে’ কথাটির সঠিক ব্যাখ্যা কী?

এখানেই অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।

ধরা যাক, একজন শিক্ষক ১১তম গ্রেডে যোগদানের পর কয়েক বছর ধরে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট পেয়েছেন। ফলে তাঁর মূল বেতন ১১তম গ্রেডের শুরুর বেতনের চেয়ে বেড়েছে।

এ ক্ষেত্রে নতুন পে-স্কেলে তাঁর আগের ইনক্রিমেন্টগুলো সম্পূর্ণ বাদ পড়ে যাবে—এমনটিও বলা ঠিক নয়। কারণ ইনক্রিমেন্টের ফলে ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে তাঁর যে বাস্তব মূল বেতন ছিল, সেটিই ফিক্সেশনের ভিত্তিতে বিবেচিত হবে।

আবার এটাও বলা যাবে না যে ১১তম গ্রেডে পাওয়া প্রতিটি ইনক্রিমেন্টকে ১০ম গ্রেডে গিয়ে নতুন করে ইনক্রিমেন্ট হিসেবে যোগ করতে হবে।

সহজ ভাষায়: পুরোনো ইনক্রিমেন্টের ফল ৩০ জুনের মূল বেতনের মধ্যে থাকবে; কিন্তু পুরোনো গ্রেডের ইনক্রিমেন্টকে নতুন গ্রেডের ইনক্রিমেন্ট হিসেবে পুনরায় গণনা করা যাবে না।

১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে গেলে কী হবে?

এটি এমপিও শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

কোনো শিক্ষক বর্তমানে ১১তম গ্রেডে রয়েছেন এবং পরবর্তীতে বিধি অনুযায়ী ১০ম গ্রেডে উন্নীত হলেন—তাহলে ১০ম গ্রেডে বেতন নির্ধারণের সময় ১১তম গ্রেডে পাওয়া ইনক্রিমেন্টগুলোকে সরাসরি ১০ম গ্রেডের ইনক্রিমেন্ট হিসেবে ধরে নেওয়া হবে না।

কারণ ১০ম গ্রেডে যাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট গ্রেডের জন্য প্রযোজ্য বেতন নির্ধারণের নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।

এখানে গ্রেড পরিবর্তনের কার্যকর তারিখ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১০ম গ্রেড কখন থেকে কার্যকর হয়েছে, সেটি নির্ধারণ না করে শুধু ‘১০ম গ্রেড পেয়েছেন’ বললে সঠিক বেতন হিসাব করা সম্ভব নয়।

নভেম্বর মাসে ১০ম গ্রেড হলে জুলাই-অক্টোবরের বেতন কী হবে?

ধরা যাক, কোনো শিক্ষক নভেম্বর ২০২৬ থেকে ১০ম গ্রেডে যাওয়ার অনুমোদন পেলেন।

তাহলে জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে তিনি কোন গ্রেডে ছিলেন—সেটি আগে নির্ধারণ করতে হবে। যদি ১০ম গ্রেডের কার্যকর তারিখ নভেম্বর হয়, তাহলে তার আগের সময়ের বেতনকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ১০ম গ্রেডের বেতন হিসেবে ধরে নেওয়া যাবে না।

অন্যদিকে, যদি কোনো আদেশে ১০ম গ্রেডের কার্যকর তারিখ পূর্ববর্তী কোনো তারিখ নির্ধারণ করা হয়, তাহলে সেই কার্যকর তারিখ অনুযায়ী বকেয়া বা পার্থক্যের হিসাব হতে পারে।

অর্থাৎ এখানে আবেদনের তারিখ, অনুমোদনের তারিখ এবং কার্যকর তারিখ—তিনটি বিষয় এক নয়।

জুলাই ২০২৬-এর ইনক্রিমেন্ট নিয়ে কী হবে?

জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুযায়ী বার্ষিক বেতনবৃদ্ধির তারিখ ১ জুলাই নির্ধারিত হয়েছে।

তবে নতুন স্কেলে প্রথম বছর কীভাবে বেতন কার্যকর হবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। নতুন পে-স্কেলের অতিরিক্ত অংশ ধাপে ধাপে কার্যকর হওয়ার বিধান রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট গ্রেড অনুযায়ী ২০২৬-২৭ সময়কালে নির্দিষ্ট হারে অতিরিক্ত অংশ কার্যকর হওয়ার তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

তাই ‘জুলাইয়ের ইনক্রিমেন্ট পেয়েছি’—এই তথ্যের ভিত্তিতে সবাইকে একই নিয়মে নতুন গ্রেডে অতিরিক্ত একটি ইনক্রিমেন্ট যোগ করে দেওয়ার সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না।

প্রথমে দেখতে হবে ইনক্রিমেন্টটি কোন গ্রেডে এবং কোন তারিখে প্রাপ্য হয়েছে, এরপর সংশ্লিষ্ট পে-ফিক্সেশন ও গ্রেড পরিবর্তনের বিধান অনুযায়ী হিসাব করতে হবে।

ফাযিল পাস সহকারী মৌলভী কি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ১০ম গ্রেড পাবেন?

অনেক শিক্ষক জানতে চাইছেন—‘আমি ফাযিল পাস করে সহকারী মৌলভী হিসেবে বর্তমানে ১১তম গ্রেডে আছি। কামিল করিনি। নতুন পে-স্কেলে কি ১০ম গ্রেড পাব?’

এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার করা জরুরি। শুধু ফাযিল ডিগ্রি থাকার কারণে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রত্যেক সহকারী মৌলভী ১০ম গ্রেডে চলে যাবেন—এমন সিদ্ধান্ত দেওয়া যায় না।

১০ম গ্রেড পাওয়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট পদ, নিয়োগের যোগ্যতা, শিক্ষাগত/পেশাগত যোগ্যতা, এমপিও নীতিমালা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের সঙ্গে সম্পর্কিত।

এ কারণে কোনো নির্দিষ্ট শিক্ষকের ক্ষেত্রে ১০ম গ্রেড প্রাপ্য কি না জানতে তাঁর নিয়োগের পদ, এমপিওভুক্তির তারিখ, বর্তমান গ্রেড, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং প্রযোজ্য নীতিমালা একসঙ্গে দেখতে হবে।

বিএড করলে ১০ম গ্রেড—পুরোনো ইনক্রিমেন্ট কি তখনও থাকবে?

যে শিক্ষক ১১তম গ্রেডে আছেন এবং পরবর্তীতে বিএড স্কেলের জন্য আবেদন করছেন, তাঁর ক্ষেত্রেও একই বিষয় প্রযোজ্য।

যদি বিধি অনুযায়ী বিএড স্কেলের কারণে তিনি ১০ম গ্রেডে বেতন পাওয়ার যোগ্য হন, তাহলে ১০ম গ্রেডে যাওয়ার সময় নতুন গ্রেডের বেতন নির্ধারণের নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।

১১তম গ্রেডে আগে পাওয়া ইনক্রিমেন্টগুলোকে ১০ম গ্রেডের ইনক্রিমেন্ট হিসেবে পুনরায় গণনা করা হবে—এমন কোনো সাধারণ নিয়ম ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

তবে ১১তম গ্রেডে ইনক্রিমেন্টের মাধ্যমে ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে তাঁর মূল বেতন যে পর্যায়ে ছিল, সেটি নতুন পে-স্কেলের ফিক্সেশনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হিসেবে থাকবে।

এমপিও নীতিমালায় উচ্চতর গ্রেডের বিষয়টিও আলাদা

এখানে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে—বিএড/শিক্ষাগত যোগ্যতার কারণে পাওয়া গ্রেড এবং উচ্চতর গ্রেড এক বিষয় নয়।

প্রকাশিত এমপিও নীতিমালার ব্যাখ্যায় সহকারী শিক্ষকদের ক্ষেত্রে ১০ম গ্রেড পাওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়ের সন্তোষজনক চাকরি পূর্ণ হলে উচ্চতর গ্রেডের বিধান রয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষাগত যোগ্যতার কারণে পাওয়া গ্রেডকে উচ্চতর গ্রেড হিসেবে গণনা না করার বিষয়ও নীতিমালায় উল্লেখ রয়েছে।

অতএব, বিএড স্কেল, নতুন পে-স্কেল এবং উচ্চতর গ্রেড—এই তিনটি বিষয়কে একই হিসাব হিসেবে দেখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নতুন পে-স্কেলে এমপিও শিক্ষকদের ফিক্সেশন নিয়ে সর্বশেষ পরিস্থিতি

সাম্প্রতিক সময়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন জাতীয় বেতন স্কেলে অন্তর্ভুক্তির পদ্ধতি নিয়ে কিছুটা ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল। তবে ১ অক্টোবরের এক প্রতিবেদনে অর্থ বিভাগ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আলোচনার বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে যে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য আলাদা প্রজ্ঞাপন না করে সরকারি কর্মচারীদের জন্য জারি করা ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’-এর বিধান অনুযায়ী তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেতন নির্ধারণের কারিগরি ও প্রশাসনিক কাজ মাউশির মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।

এদিকে মাউশির নোটিশ তালিকায় ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে iBAS++ Pay Fixation sub-system-এ জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬-এর বেতন নির্ধারণী কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাঠানোর নোটিশও দেখা যাচ্ছে।

অর্থাৎ এখন শিক্ষকদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ব্যক্তিগত বেতন-তথ্য সঠিকভাবে প্রস্তুত রাখা।

কার কী তথ্য হাতে রাখা দরকার?

পে-ফিক্সেশনের আগে এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের অন্তত নিচের তথ্যগুলো মিলিয়ে রাখা প্রয়োজন—

১. ৩০ জুন ২০২৬-এর মূল বেতন
২. ৩০ জুনে কার্যকর গ্রেড
৩. সর্বশেষ ইনক্রিমেন্টের তারিখ
৪. পূর্বের ইনক্রিমেন্টের পূর্ণ বিবরণ
৫. এমপিওভুক্তির তারিখ
৬. উচ্চতর গ্রেড থাকলে তার কার্যকর তারিখ
৭. বিএড স্কেল থাকলে তার অনুমোদন ও কার্যকর তারিখ
৮. নতুন গ্রেড কার্যকর হওয়ার আদেশ
৯. সংশ্লিষ্ট এমপিও/সার্ভিস রেকর্ড

কারণ শুধু বর্তমান বেতন বা শুধু শিক্ষাগত যোগ্যতা দেখে নতুন বেতন নির্ধারণ করলে সম্পূর্ণ হিসাব পাওয়া যাবে না।

শেষ কথা

এমপিও শিক্ষকদের নতুন পে-স্কেলে বেতন নির্ধারণ নিয়ে সবচেয়ে বড় ভুল বোঝাবুঝি হচ্ছে ‘আগের সব ইনক্রিমেন্ট নতুন গ্রেডে আবার যোগ হবে’—এমন ধারণা থেকে।

বাস্তবে বিষয়টি আরও নির্দিষ্ট। ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে যে মূল বেতন কার্যকর ছিল, সেটি এবং তখনকার গ্রেডের ভিত্তিতে নতুন পে-স্কেলে ফিক্সেশনের হিসাব হবে। পুরোনো ইনক্রিমেন্টের কারণে ৩০ জুনের মূল বেতন বেশি হয়ে থাকলে সেই বেতন ফিক্সেশনে প্রভাব ফেলবে; কিন্তু পুরোনো গ্রেডে পাওয়া ইনক্রিমেন্টকে নতুন গ্রেডে পাওয়া ইনক্রিমেন্ট হিসেবে পুনরায় গণনা করা যাবে না।

আর কোনো শিক্ষক ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে গেলে তাঁর ক্ষেত্রে আলাদাভাবে দেখতে হবে—১০ম গ্রেডটি কোন বিধানে, কোন তারিখ থেকে এবং কোন যোগ্যতার ভিত্তিতে কার্যকর হয়েছে। বিশেষ করে ফাযিল, কামিল বা বিএড-সংক্রান্ত যোগ্যতা থাকলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ১০ম গ্রেড নিশ্চিত হয়েছে ধরে নেওয়া উচিত নয়।

সুতরাং একজন এমপিও শিক্ষক নিজের নতুন বেতন কত হবে জানতে চাইলে শুধু ‘কতটি ইনক্রিমেন্ট পেয়েছি’—এই প্রশ্নের উত্তর যথেষ্ট নয়। ৩০ জুনের মূল বেতন + কার্যকর গ্রেড + ইনক্রিমেন্টের ইতিহাস + নতুন গ্রেডের কার্যকর তারিখ + সংশ্লিষ্ট ফিক্সেশন বিধান—এই পাঁচটি বিষয় একসঙ্গে বিবেচনা করলেই তুলনামূলকভাবে নির্ভুল হিসাব পাওয়া সম্ভব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *