আজকের খবর ২০২৬

ইএলপিসি সংগ্রহের নিয়ম ২০২৬। লাম্পগ্র্যান্ট ও অবসর উত্তর ছুটি মঞ্জুরীর সময় কি এটি লাগে?

২০২৬ সালের সরকারি বিধিমালা (পেনশন সহজীকরণ বিধিমালা অনুযায়ী) এবং বর্তমান চর্চা অনুযায়ী আপনার প্রশ্নের উত্তর নিচে বিস্তারিতভাবে দেওয়া হলো:

ইএলপিসি (ELPC) সংগ্রহের নিয়ম ২০২৬

ইএলপিসি বা Expected Last Pay Certificate (প্রত্যাশিত শেষ বেতন সনদ) মূলত একজন সরকারি কর্মচারী যখন অবসরে বা পিআরএল (PRL)-এ যান, তখন তার শেষ বেতনের হিসাব এবং সরকারি কোনো পাওনা আছে কি না তা নিশ্চিত করার জন্য সংগ্রহ করতে হয়।

  • সময়সীমা: পিআরএল-এ যাওয়ার কমপক্ষে ২-৩ মাস পূর্বেই সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিস (CAO/DCA/Uao) থেকে ইএলপিসি সংগ্রহ করতে হয়।

  • পদ্ধতি: বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে আইবাস++ (iBAS++) সিস্টেমের মাধ্যমে ডাটা যাচাই করে এটি প্রস্তুত করা হয়। আপনার অফিস প্রধানের মাধ্যমে নির্ধারিত ফরমে (সংযোজনী-১) আবেদন করে এটি সংগ্রহ করতে হবে।


লাম্পগ্র্যান্ট ও অবসর উত্তর ছুটি (PRL) মঞ্জুরীর সময় কি এটি লাগে?

হ্যাঁ, অবশ্যই লাগে। লাম্পগ্র্যান্ট (ছুটি নগদায়ন) এবং পিআরএল মঞ্জুরীর আবেদনের সাথে ইএলপিসি জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। কারণসমূহ নিচে দেওয়া হলো:

  • ছুটির হিসাব যাচাই: আপনার অর্জিত ছুটির (Earned Leave) ব্যালেন্স কত আছে, তা ইএলপিসিতে উল্লেখ থাকে। এই হিসাবের ভিত্তিতেই আপনার পিআরএল এবং ১৮ মাসের (বা প্রাপ্য অনুযায়ী) মূল বেতনের সমপরিমাণ লাম্পগ্র্যান্টের টাকা নির্ধারণ করা হয়।

  • বেতন নির্ধারণ: পিআরএল চলাকালীন আপনি শেষ যে স্কেলে বেতন পাবেন, তা এই ইএলপিসি থেকেই নিশ্চিত করা হয়।

  • অনাপত্তি যাচাই: আপনার কাছে সরকারের কোনো অগ্রিম ঋণ (যেমন: গৃহ নির্মাণ ঋণ বা গাড়ি লোন) বকেয়া আছে কি না, তা ইএলপিসিতে উল্লেখ থাকে।

আবেদন করতে যা যা লাগবে (সংক্ষেপে):

১. নির্ধারিত ফরমে আবেদন (২ কপি)। ২. হিসাব রক্ষণ অফিস কর্তৃক স্বাক্ষরিত ইএলপিসি (ELPC) এর মূল কপি। ৩. এসএসসি সনদ বা চাকুরির খতিয়ান (সার্ভিস বুক)। ৪. না-দাবি প্রত্যয়নপত্র (No Demand Certificate)।

পরামর্শ: আপনার পিআরএল শুরুর তারিখের অন্তত ৩ মাস আগে ইএলপিসি সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু করুন, যাতে মঞ্জুরিপত্র পেতে দেরি না হয়। ইএলপিসি পাওয়ার পর সাধারণত ১ মাসের মধ্যে পিআরএল ও লাম্পগ্র্যান্টের আবেদন দাখিল করতে হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *