আজকের খবর ২০২৬

বেতন কমিশনের রিপোর্ট ও শিক্ষকদের দাবি: আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি দেশজুড়ে বৃহৎ কর্মসূচির ডাক

দেশের প্রায় ২২ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ভাগ্য নির্ধারণী ৯ম জাতীয় বেতন কমিশনের রিপোর্ট জমা পড়ার পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজপথ। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এক বিশাল মহাসমবেশের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতিসহ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ।

প্রেক্ষাপট ও মূল দাবি

গত ২১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ৯ম বেতন কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেন। রিপোর্টে সরকারি কর্মচারীদের সর্বনিম্ন বেতন ৮,২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০,০০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ১,৬০,০০০ টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে।

তবে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই সুপারিশ বাস্তবায়ন করা হবে কি না বা কবে নাগাদ হবে, সেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পরবর্তী নির্বাচিত সরকার গ্রহণ করতে পারবে। এই ‘অনিশ্চয়তা’ ও ‘কালক্ষেপণ’-এর প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে গেজেট প্রকাশের দাবিতে রাজপথে নামছেন শিক্ষকরা।

সংবাদপত্রের মূল বিষয়সমূহ (একনজরে):

  • বিশাল মহাসমবেশ: আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সারা দেশের প্রাথমিক শিক্ষকরা সমবেত হবেন।

  • এক দফা দাবি: নির্বাচনের আগেই বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী গেজেট প্রকাশ এবং ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে বকেয়াসহ বেতন প্রদান।

  • প্রাথমিক শিক্ষকদের ক্ষোভ: শিক্ষকদের অভিযোগ, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই বাজারে বেতন কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে।

  • আলটিমেটাম: দাবি আদায় না হলে সচিবালয় ঘেরাও এবং দেশব্যাপী কর্মবিরতির মতো কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষক নেতারা।

শিক্ষক নেতাদের বক্তব্য

বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, “আমরা দীর্ঘ ১০-১২ বছর ধরে একটি নতুন বেতন স্কেলের অপেক্ষা করছি। এখন রিপোর্ট জমা পড়ার পর সরকার বলছে এটি বাস্তবায়ন করবে পরবর্তী সরকার। এটি আমাদের সাথে তামাশা ছাড়া আর কিছু নয়। আগামী ৬ তারিখের সমাবেশ থেকে আমরা চূড়ান্ত আন্দোলনের ডাক দেব।”

নিয়োগ ও প্রশাসনিক আপডেট

এদিকে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫-এর মৌখিক পরীক্ষা গত ২৮ জানুয়ারি শুরু হয়ে আগামীকাল ৩ ফেব্রুয়ারি শেষ হতে যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হবে। নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রেও এই নতুন বেতন স্কেলের সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।

দেশের প্রায় ২২ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ভাগ্য নির্ধারণী ৯ম জাতীয় বেতন কমিশনের রিপোর্ট জমা পড়ার পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজপথ। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এক বিশাল মহাসমবেশের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতিসহ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ।প্রেক্ষাপট ও মূল দাবি
গত ২১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ৯ম বেতন কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেন। রিপোর্টে সরকারি কর্মচারীদের সর্বনিম্ন বেতন ৮,২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০,০০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ১,৬০,০০০ টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে।তবে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই সুপারিশ বাস্তবায়ন করা হবে কি না বা কবে নাগাদ হবে, সেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পরবর্তী নির্বাচিত সরকার গ্রহণ করতে পারবে। এই ‘অনিশ্চয়তা’ ও ‘কালক্ষেপণ’-এর প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে গেজেট প্রকাশের দাবিতে রাজপথে নামছেন শিক্ষকরা।সংবাদপত্রের মূল বিষয়সমূহ (একনজরে):
বিশাল মহাসমবেশ: আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সারা দেশের প্রাথমিক শিক্ষকরা সমবেত হবেন।এক দফা দাবি: নির্বাচনের আগেই বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী গেজেট প্রকাশ এবং ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে বকেয়াসহ বেতন প্রদান।প্রাথমিক শিক্ষকদের ক্ষোভ: শিক্ষকদের অভিযোগ, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই বাজারে বেতন কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে।আলটিমেটাম: দাবি আদায় না হলে সচিবালয় ঘেরাও এবং দেশব্যাপী কর্মবিরতির মতো কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষক নেতারা।শিক্ষক নেতাদের বক্তব্য
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, "আমরা দীর্ঘ ১০-১২ বছর ধরে একটি নতুন বেতন স্কেলের অপেক্ষা করছি। এখন রিপোর্ট জমা পড়ার পর সরকার বলছে এটি বাস্তবায়ন করবে পরবর্তী সরকার। এটি আমাদের সাথে তামাশা ছাড়া আর কিছু নয়। আগামী ৬ তারিখের সমাবেশ থেকে আমরা চূড়ান্ত আন্দোলনের ডাক দেব।"নিয়োগ ও প্রশাসনিক আপডেট
এদিকে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫-এর মৌখিক পরীক্ষা গত ২৮ জানুয়ারি শুরু হয়ে আগামীকাল ৩ ফেব্রুয়ারি শেষ হতে যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হবে। নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রেও এই নতুন বেতন স্কেলের সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *