সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবসরকালীন আর্থিক সুবিধা নিয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। ২০২৬-২৭ অর্থবছরকে সামনে রেখে জারি করা এই আদেশে পেনশনযোগ্য চাকরিকালের ভিত্তিতে প্রথম পেনশন নির্ধারণের হার, অবসরভোগীদের নিট পেনশন, আনুতোষিকের হার, অক্ষমতা বা অকালমৃত্যুর ক্ষেত্রে বিশেষ আর্থিক সহায়তা, পারিবারিক পেনশন এবং অবসর-উত্তর ছুটি বা ছুটি নগদায়নসহ একাধিক বিষয়ে নতুন করে প্রাপ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ, প্রবিধি অনুবিভাগ, প্রবিধি-৬ অধিশাখা থেকে জারি করা আদেশটির তারিখ ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬। নথিতে সরকারি কর্মচারীদের অবসরকালীন সুবিধাদি নতুনভাবে নির্ধারণ ও পুনর্নির্ধারণের বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে।
৫ বছর চাকরিতেই পেনশনযোগ্যতা, চাকরিকাল বাড়লে বাড়বে পেনশনের হার
নতুন কাঠামোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর একটি হলো পেনশনযোগ্য চাকরিকালের ভিত্তিতে প্রথম পেনশন নির্ধারণের হার। আদেশে সর্বশেষ আহরিত মূল বেতনের ওপর নির্দিষ্ট হারে প্রথম পেনশন নির্ধারণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
সারণি অনুযায়ী—
| পেনশনযোগ্য চাকরিকাল | প্রথম পেনশন নির্ধারণের হার |
|---|---|
| ৫ বছর | ২১% |
| ৬ বছর | ২৪% |
| ৭ বছর | ২৭% |
| ৮ বছর | ৩০% |
| ৯ বছর | ৩৩% |
| ১০ বছর | ৩৬% |
| ১১ বছর | ৩৯% |
| ১২ বছর | ৪২% |
| ১৩ বছর | ৪৫% |
| ১৪ বছর | ৪৮% |
| ১৫ বছর | ৫১% |
| ১৬ বছর | ৫৫% |
| ১৭ বছর | ৬০% |
| ১৮ বছর | ৬৫% |
| ১৯ বছর | ৬৯% |
| ২০ বছর | ৭২% |
| ২১ বছর | ৭৫% |
| ২২ বছর | ৭৮% |
| ২৩ বছর | ৮১% |
| ২৪ বছর | ৮৭% |
| ২৫ বছর বা তদূর্ধ্ব | ৯০% |
অর্থাৎ ৫ বছর চাকরিকাল পূর্ণ হলে সর্বশেষ মূল বেতনের ২১ শতাংশ হারে প্রথম পেনশন নির্ধারণের কাঠামো রয়েছে। চাকরিকাল ২৫ বছর বা তার বেশি হলে এই হার গিয়ে দাঁড়াবে ৯০ শতাংশে।
সহজ উদাহরণ
ধরা যাক, কোনো কর্মচারীর সর্বশেষ মূল বেতন ৩০,০০০ টাকা।
- ৫ বছর চাকরি হলে ২১% = ৬,৩০০ টাকা
- ১০ বছর হলে ৩৬% = ১০,৮০০ টাকা
- ১৫ বছর হলে ৫১% = ১৫,৩০০ টাকা
- ২০ বছর হলে ৭২% = ২১,৬০০ টাকা
- ২৫ বছর বা তার বেশি হলে ৯০% = ২৭,০০০ টাকা
অর্থাৎ চাকরিকাল বৃদ্ধির সঙ্গে প্রথম পেনশন নির্ধারণের হার ধাপে ধাপে বাড়বে। তবে বাস্তব পেনশন হিসাবের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিধি, সমর্পিত পেনশন, চিকিৎসা ভাতা এবং অন্যান্য প্রযোজ্য বিষয় আলাদাভাবে বিবেচ্য হতে পারে।
অবসরভোগীদের নিট পেনশনে নতুন সীমা ও বৃদ্ধির হার
অবসরভোগীদের জন্য আদেশটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত নিট পেনশনের ওপর নতুন বৃদ্ধির হার নির্ধারণ।
এ ক্ষেত্রে একদিকে বৃদ্ধির হার নির্ধারণ করা হয়েছে, অন্যদিকে প্রতিটি স্তরের জন্য সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ নিট পেনশনের সীমাও রাখা হয়েছে।
সারণিটি হলো—
| ৩০ জুন ২০২৬-এর নিট পেনশন | বৃদ্ধির হার | নতুন সর্বনিম্ন নিট পেনশন | নতুন সর্বোচ্চ নিট পেনশন |
|---|---|---|---|
| সর্বনিম্ন–১০,০০০ টাকা | ১০০% | ১০,০০০ টাকা | ১৮,০০০ টাকা |
| ১০,০০১–২০,০০০ টাকা | ৭৫% | ১৮,০০১ টাকা | ৩৫,০০০ টাকা |
| ২০,০০১–৩০,০০০ টাকা | ৬৫% | ৩৫,০০১ টাকা | ৪৯,০০০ টাকা |
| ৩০,০০১–৪০,০০০ টাকা | ৬০% | ৪৯,০০১ টাকা | ৬২,০০০ টাকা |
| ৪০,০০১ টাকা ও তদূর্ধ্ব | ৫৫% | ৬২,০০১ টাকা | ৭০,৫০০ টাকা |
এখানে শুধু নির্দিষ্ট শতাংশ যোগ করলেই চূড়ান্ত নিট পেনশন হবে—এমন নয়। সংশ্লিষ্ট স্তরের নির্ধারিত সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ সীমার মধ্যেও তা থাকতে হবে।
উদাহরণে বিষয়টি আরও পরিষ্কার
কোনো অবসরভোগীর ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে নিট পেনশন যদি ৮,০০০ টাকা হয়, ১০০ শতাংশ বৃদ্ধির হিসাবে তা ১৬,০০০ টাকা হবে।
আবার ১৫,০০০ টাকা নিট পেনশন হলে ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধিতে দাঁড়াবে ২৬,২৫০ টাকা।
২৫,০০০ টাকা হলে ৬৫ শতাংশ বৃদ্ধিতে হবে ৪১,২৫০ টাকা।
৩৫,০০০ টাকা হলে ৬০ শতাংশ বৃদ্ধিতে হবে ৫৬,০০০ টাকা।
কিন্তু ৫০,০০০ টাকা হলে ৫৫ শতাংশ বৃদ্ধির হিসাবে ৭৭,৫০০ টাকা দাঁড়ালেও সংশ্লিষ্ট স্তরের সর্বোচ্চ সীমা ৭০,৫০০ টাকা হওয়ায় নির্ধারিত সীমা কার্যকর হবে।
এ কারণে অবসরভোগীদের নতুন পেনশন হিসাবের ক্ষেত্রে পুরোনো নিট পেনশনের ওপর শুধু শতাংশ প্রয়োগ করলেই হবে না; সারণির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ সীমাও মিলিয়ে দেখতে হবে।
আনুতোষিকের হারও নির্ধারণ করা হয়েছে নতুনভাবে
অবসরকালীন এককালীন সুবিধার গুরুত্বপূর্ণ অংশ আনুতোষিক। নতুন নির্দেশনায় পেনশনযোগ্য চাকরিকালের ওপর ভিত্তি করে প্রতি ১ টাকা সমর্পিত পেনশনের বিপরীতে আনুতোষিকের হার নির্ধারণ করা হয়েছে।
সারণি অনুযায়ী—
| পেনশনযোগ্য চাকরিকাল | প্রতি ১ টাকা পেনশনের বিপরীতে আনুতোষিক |
|---|---|
| ৫ বছর বা তদূর্ধ্ব কিন্তু ১০ বছরের কম | ২৬৫ টাকা |
| ১০ বছর বা তদূর্ধ্ব কিন্তু ১৫ বছরের কম | ২৬০ টাকা |
| ১৫ বছর বা তদূর্ধ্ব কিন্তু ২০ বছরের কম | ২৪৫ টাকা |
| ২০ বছর বা তদূর্ধ্ব | ২৩০ টাকা |
ফলে চাকরিকালের ওপর ভিত্তি করে আনুতোষিকের গুণক নির্ধারিত হবে। দীর্ঘ চাকরিকাল পূর্ণ করলে সংশ্লিষ্ট হার অনুযায়ী এককালীন আনুতোষিক হিসাব করা হবে।
৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই অক্ষমতা বা মৃত্যু হলে বিশেষ সহায়তা
আদেশে এমন কর্মচারীদের বিষয়েও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যারা চাকরি পেনশনযোগ্য হওয়ার আগেই স্বাস্থ্যগত কারণে অক্ষম হয়ে পড়েন অথবা মৃত্যুবরণ করেন।
অর্থাৎ কোনো কর্মচারীর ক্ষেত্রে পেনশনযোগ্য চাকরিকাল পূর্ণ না হলেও অক্ষমতা বা মৃত্যুর মতো বিশেষ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী কর্মচারী বা পরিবারকে এককালীন বিশেষ আর্থিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি আদেশে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পেনশনযোগ্য চাকরিকাল পূর্ণ হওয়ার আগেই চাকরির সমাপ্তি ঘটলে সাধারণ অবসর সুবিধার কাঠামো সব ক্ষেত্রে একইভাবে প্রযোজ্য হয় না।
আজীবন পারিবারিক পেনশনের ক্ষেত্রেও বিধান
অবসরভোগীর মৃত্যুর পর নির্দিষ্ট যোগ্যতার ভিত্তিতে যারা পারিবারিক পেনশন পান, তাদের বিষয়েও আদেশে ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিশেষ করে আজীবন পারিবারিক পেনশন প্রাপ্যতার ক্ষেত্রে প্রচলিত বিধি ও শর্তের আলোকে সুবিধা অব্যাহত রাখার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
অর্থাৎ নতুন অবসর সুবিধা কাঠামো শুধু চাকরি শেষে সরাসরি পেনশন পাওয়া কর্মচারীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; যোগ্য পারিবারিক পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রেও এর প্রভাব রয়েছে।
অবসর-উত্তর ছুটি ও ১৮ মাসের ছুটি নগদায়ন
সরকারি চাকরিজীবীদের অবসরকালীন অন্যতম বড় আর্থিক সুবিধা হলো অবসর-উত্তর ছুটি বা PRL এবং ছুটি নগদায়ন।
নতুন নির্দেশনায় অবসরকালীন পাওনা ছুটির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৮ মাসের ছুটি নগদায়নের বিধান রাখা হয়েছে। অর্থাৎ প্রাপ্যতা সাপেক্ষে ১৮ মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ ছুটি নগদায়ন হিসেবে পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—ছুটি নগদায়নের হিসাবের ভিত্তি হবে অবসরকালীন প্রাপ্যতার সঙ্গে সম্পর্কিত মূল বেতন ও সংশ্লিষ্ট বিধান।
PRL ভোগ করা হোক বা নির্ধারিত বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ছুটি নগদায়নের বিষয়টি প্রযোজ্য হোক—দুই ক্ষেত্রেই প্রশাসনিক ও হিসাবরক্ষণ প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।
পে-স্কেলের সঙ্গে অবসর সুবিধার সম্পর্ক কোথায়?
২০২৬ সালের নতুন বেতন কাঠামোর প্রেক্ষাপটে অবসর সুবিধার এই পুনর্নির্ধারণ বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। কারণ অবসরকালীন অনেক সুবিধার হিসাব সরাসরি বা পরোক্ষভাবে মূল বেতন, পেনশনযোগ্য চাকরিকাল এবং অবসরের সময়কার প্রাপ্যতা-র সঙ্গে সম্পর্কিত।
ফলে নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় যেসব কর্মচারী অবসরে যাবেন, তাদের ক্ষেত্রে শুধু নতুন বেতনস্কেলের মূল বেতন জানলেই চূড়ান্ত অবসর সুবিধা জানা যাবে না। একই সঙ্গে দেখতে হবে—
- পেনশনযোগ্য মোট চাকরিকাল কত বছর;
- প্রথম পেনশন নির্ধারণের হার কত;
- সমর্পিত পেনশনের পরিমাণ কত;
- আনুতোষিকের প্রযোজ্য হার কত;
- ৩০ জুন ২০২৬-এর আগে বা পরে পেনশন প্রাপ্যতার অবস্থা;
- নিট পেনশনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট স্তরের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ সীমা;
- অবসর-উত্তর ছুটি ও ছুটি নগদায়নের প্রাপ্যতা;
- পারিবারিক পেনশন প্রযোজ্য কি না।
২০২৬ সালের অবসর সুবিধার হিসাব করতে যে বিষয়গুলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
নতুন আদেশটি বিশ্লেষণ করলে অবসরপ্রাপ্ত ও অবসরপ্রত্যাশী সরকারি কর্মচারীদের জন্য কয়েকটি বিষয় বিশেষভাবে নজরে আসে।
১. চাকরিকাল ৫ বছর থেকে পেনশন কাঠামো শুরু
পেনশনযোগ্য চাকরিকাল অনুযায়ী ৫ বছর থেকে প্রথম পেনশন নির্ধারণের হার শুরু হয়েছে এবং ২৫ বছর বা তদূর্ধ্ব চাকরিতে তা ৯০ শতাংশে পৌঁছেছে।
২. নিট পেনশনে স্তরভিত্তিক বৃদ্ধি
কম নিট পেনশনের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার তুলনামূলক বেশি—সর্বনিম্ন স্তরে ১০০ শতাংশ। এরপর ধাপে ধাপে ৭৫, ৬৫, ৬০ ও ৫৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে।
৩. আনুতোষিকের হার চাকরিকালভেদে আলাদা
৫ থেকে ১০ বছরের কম চাকরিতে ২৬৫ টাকা, ১০ থেকে ১৫ বছরের কমে ২৬০ টাকা, ১৫ থেকে ২০ বছরের কমে ২৪৫ টাকা এবং ২০ বছর বা তার বেশি হলে ২৩০ টাকা হারে আনুতোষিক নির্ধারণ করা হয়েছে।
৪. ১৮ মাসের ছুটি নগদায়ন গুরুত্বপূর্ণ অবসর সুবিধা
অবসরকালীন পাওনা ছুটির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৮ মাসের ছুটি নগদায়নের বিধান রয়েছে।
৫. অকালমৃত্যু ও স্বাস্থ্যগত অক্ষমতার ক্ষেত্রেও আলাদা ব্যবস্থা
পেনশনযোগ্য চাকরিকাল পূর্ণ হওয়ার আগে স্বাস্থ্যগত কারণে অক্ষমতা বা মৃত্যুর ক্ষেত্রে এককালীন বিশেষ আর্থিক সহায়তার বিধানও আদেশে রাখা হয়েছে।
কার্যকর হওয়ার বিষয়টি
নথিতে ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে অবসরকালীন সুবিধার সংশোধিত কাঠামো প্রয়োগের বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তর, হিসাবরক্ষণ কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানে আদেশটি বাস্তবায়নের জন্য পাঠানো হয়েছে।
তাই অবসরপ্রত্যাশী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে পুরোনো হিসাব ধরে সিদ্ধান্ত না নিয়ে নতুন আদেশের সংশ্লিষ্ট সারণি, চাকরিকাল ও প্রাপ্যতার শর্ত মিলিয়ে হিসাব করা প্রয়োজন।
সারসংক্ষেপ
সরকারি কর্মচারীদের অবসর সুবিধার নতুন কাঠামোর মূল চিত্র হলো—
৫ বছর চাকরি → ২১% প্রথম পেনশন নির্ধারণের হার
১০ বছর → ৩৬%
১৫ বছর → ৫১%
২০ বছর → ৭২%
২৫ বছর বা তদূর্ধ্ব → ৯০%
অন্যদিকে ৩০ জুন ২০২৬-এর নিট পেনশনের ওপর ১০০%, ৭৫%, ৬৫%, ৬০% ও ৫৫% হারে বৃদ্ধির স্তর নির্ধারণ করা হয়েছে এবং সর্বোচ্চ নিট পেনশন ৭০,৫০০ টাকা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি আনুতোষিকের হার, ১৮ মাসের ছুটি নগদায়ন, অক্ষমতা বা অকালমৃত্যুতে বিশেষ সহায়তা এবং পারিবারিক পেনশনের বিধানও একই কাঠামোর আওতায় নির্ধারণ করা হয়েছে।
সূত্র: অর্থ মন্ত্রণালয়, অর্থ বিভাগ, প্রবিধি অনুবিভাগ, প্রবিধি-৬ অধিশাখা; তারিখ: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

