ড্রাইভিং টেস্টে পাশ করার গোপন কৌশল।

মোটরসাইকেল বা অন্যান্য যেকোন মোটরযান চালানোর জন্য অন্যতম নিরাপদ শর্ত হচ্ছেঃ বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকা, ডিজিটাল নম্বর প্লেট থাকা, ট্যাক্স টোকেন এবং মালিকানা সংক্রান্ত আপ টু ডেট যাবতীয় কাগজপত্র সাথে রাখা।

ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে যে কয়টি ধাপ অতিক্রম করতে হয় তার মধ্যে সবচেয়ে কঠিন ধাপ হলো Field Test (ফিল্ড টেস্ট)। যেখানে একজন বিআরটিএ পরীক্ষক (BRTA Examiner) সরাসরি পরখ করে দেখেন যে, ড্রাইভার বা রাইডারের দক্ষতাকতটুকু। আমরা অনেকেই খুব ভাল রাইড করতে পারি কিন্তু ফিল্ড টেস্টের কিছু সাধারণ ভুলের কারনে সাধারনত আমরা লাইসেন্স প্রাপ্তির অযোগ্য বলে বিবেচিত হয়ে থাকি।

আজকে আমরা জানবো ফিল্ড টেস্টের সাধারণ ভুল গুলো এবং কিভাবে আমরা ভুল গুলো সংশোধন করে সহজে বৈধ লাইসেন্স পেতে পারি।

প্রথমেই আমরা ড্রাইভিং লাইসেন্স টেস্টের ধাপ গুলো জানি।

ড্রাইভিং টেস্টে আমাদের ৩ টি ধাপ অতিক্রম করতে হয়।

১. লিখিত পরীক্ষা
২. মৌখিক
৩. ফিল্ড টেস্ট

লিখিত পরীক্ষা ২০ নম্বরের মধ্যে হয়ে থাকে যেখানে ১২ পেলেই উত্তীর্ণ হওয়া যায়। সাধারনত ২০০ থেকে ৩০০ টি MCQ মুখস্থ করলেই লিখিত পরীক্ষায় পাশ করা যায়।

মৌখিক পরীক্ষা সাধারনত রোড সাইনের উপর হয়। অর্থাৎ রোড সাইন দেখে আপনাকে বলবে হবে কি নির্দেশনা দেয়া আছে রোড সাইনের মাধ্যমে। সাধারনত ৩/৪ টা প্রশ্ন করে যা একটু প্রস্তুতি নিলে সহজে পারা যায়।

এবার আসি সবচেয়ে কঠিন ধাপ যা ফিল্ড টেস্ট নামে পরিচিত। এ ধাপে পাশ করলে ড্রাইভিং লাইসেন্স আটকানোর আর কোন সুযোগ নাই। মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে সাধারণত ZigZag Test (জিকজ্যাক টেস্ট) নেয়া হয়। অন্যান্য বাহনের ক্ষেত্রে ব্যাক গিয়ারে পার্কিং করতে বলা হতে পারে।

ফিল্ড টেস্টের জন্য ২ টি জিনিস খুব দরকার।

১. সাহস
২. প্রস্তুতি

ফিল্ড টেস্টের জন্য কিছু অব্যর্থ টিপস ও গোপন কৌশলঃ

১. বাইকের ক্ষেত্রে একটু কম সিসির বাইক নির্বাচন করাই ভাল। অর্থাৎ ৫০ থেকে ১২৫ সিসি বাইক নির্বাচন করতে পারেন। এর প্রধান কারণ হলো টার্নিং রেডিয়াস (Turning Redius)। বেশি সিসির বাইকের তুলনাই কম সিসির বাইকে কম দুরত্বে টার্নিং করা সহজ।

২. সাধারণ রাইডিং এর সময় আমাদের বাইকের আইডল আরপিএম (Idle RPM) কমানো থাকে। সাধারনত এটা করা হয় জ্বালানি খরচ কমানোর জন্য। সুতরাং ফিল্ড টেস্টের জন্য নির্বাচিত বাইকের Idle RPM বাড়িয়ে নিন। তা না হলে কম RPM এ বাইক চালাতে গেলে তা বন্ধ হয়ে যেতে পারে৷

৩. ফিল্ড টেস্টে বাইক ফাস্ট বা প্রথম গিয়ারে রাখা এবং ধীর গতিতে চালানো।

আশা করা যায় উক্ত টিপস গুলো মেনে চললে আপনি সহজেই ফিল্ড টেস্টে পাশ করতে পারবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *