রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভূমি সেবা ইন্টারনেট ব্যাংকিং সহ তথ্যের ভান্ডার।

শিরোনাম
সরকারি কর্মচারীদের গৃহ নির্মাণ ও ফ্ল্যাট ক্রয়ের ঋণ: আবেদন থেকে কিস্তি কর্তন পর্যন্ত সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া এইচএসসিতে পাসের হার কমে ৫২ শতাংশে, এসএসসিতেও হতাশাজনক চিত্র বিকাশ, নগদ ও রকেটের নতুন হিসাব: টাকা পাঠানো ও উত্তোলনে কোথায় খরচ কম? সরকারি বাসায় সাবলেট ভাড়া নিয়ে কঠোর অবস্থানে আবাসন পরিদপ্তর, ৩১ অক্টোবরের মধ্যে বাসা ছাড়ার নির্দেশ ঢাকায় ই-রিকশা চলাচলে কঠোর নিয়ম: নিবন্ধন, চালকের যোগ্যতা ও ব্যাটারি ব্যবস্থাপনায় নতুন বিধান সংস্থাপন কর্মচারীদের বেতন বিল ফরম PDF: বেতন, ভাতা ও কর্তনের হিসাব যেভাবে প্রস্তুত করবেন ১৮ বছরে শুরু করলে মাসে ১ লাখ ৭২ হাজার, ৫০ বছরে শুরু করলে ৭ হাজার ৬৫১ টাকা। প্রতি ৫ বছর দেরিতে পেনশন কমে ৩৫ থেকে ৪৭ শতাংশ। মোটরসাইকেল ও স্কুটারের নম্বর প্লেট ডিজাইনে নতুন সুবিধা, নিজের পছন্দে তৈরি করা যাবে প্রিন্টযোগ্য PDF নতুন সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নির্ধারণে আইবাস++-এর বিশেষ অপশন, জেনে নিন নিয়ম ও করণীয় পৈতৃক জমির নামজারিতে বড় স্বস্তি, বণ্টননামা ছাড়াই যৌথ খতিয়ান করার সুযোগ

নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন ২০২৬ । কোন ধাপে দাঁড়িয়ে প্রক্রিয়া, কী বলছেন কর্মচারী নেতারা?

admin ৩ মিনিটের পাঠ
নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন ২০২৬

সরকারি চাকুরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম পে স্কেল বা নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন মূলধারার গণমাধ্যমে নানা তথ্য ও গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ কর্মচারীদের বিভ্রান্ত না হয়ে সঠিক তথ্য জানার এবং ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানিয়েছেন কর্মচারী অধিকার আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, একটি নতুন পে স্কেল পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রধানত চারটি আইনি ও প্রশাসনিক ধাপ অতিক্রম করতে হয়, যার মধ্যে ইতিমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ দুটি ধাপ সম্পন্ন হয়েছে।

পে স্কেল বাস্তবায়নের ৪টি প্রধান ধাপ ও বর্তমান অবস্থা:

১. পে কমিশনের রিপোর্ট উপস্থাপন: সরকার কর্তৃক গঠিত পে কমিশন বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করে পে স্কেল প্রদানের জন্য সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক রিপোর্ট উপস্থাপন করে। সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, এই প্রথম ধাপটি ইতিমধ্যে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

২. বাজেটে অর্থ বরাদ্দ: পে স্কেল বাস্তবায়ন করতে অর্থ সংস্থানের জন্য জাতীয় বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখা। সরকারের পক্ষ থেকে এই বাজেট বরাদ্দের প্রক্রিয়াটিও ইতিমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে।

৩. মন্ত্রিসভায় অনুমোদন: সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম বা মন্ত্রিসভার বৈঠকে পে স্কেলের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন। এই ধাপটি এখনো বাকি রয়েছে।

৪. গেজেট নোটিফিকেশন: অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক চূড়ান্ত গেজেট বা প্রজ্ঞাপন জারি। এই প্রক্রিয়াটিও এখনো বাকি রয়েছে।

চলমান প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত ধাপ ও বর্তমান জটিলতা:

বর্তমান পে স্কেলের ক্ষেত্রে সরকার প্রচলিত ৪টি ধাপের বাইরে একটি অতিরিক্ত ধাপ যুক্ত করেছে, যা হলো—‘সচিব কমিটির পর্যালোচনা’। নির্ভরযোগ্য তথ্য সূত্রে জানা গেছে, সচিব কমিটির কাজ শেষে মন্ত্রীপরিষদে পে স্কেলের চূড়ান্ত রিপোর্ট উপস্থাপন করা হয়েছে কি না—সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো নির্ভরযোগ্য বা সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

১লা জুলাই থেকেই কার্যকর হওয়ার নিশ্চয়তা:

চলমান এই দীর্ঘ প্রশাসনিক প্রক্রিয়াকে অত্যন্ত স্বাভাবিক ও রুটিন প্রক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে সাধারণ কর্মচারীদের জন্য সবচেয়ে স্বস্তির খবর হলো, প্রশাসনিক বা আইনি প্রক্রিয়ার কারণে গেজেট প্রকাশে বা চূড়ান্ত অনুমোদনে কিছুটা বিলম্ব হলেও, নতুন পে স্কেল আগামী ১লা জুলাই থেকে কার্যকর হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। অর্থাৎ, গেজেট যে মাসেই প্রকাশ হোক না কেন, চাকুরিজীবীরা ১লা জুলাই থেকেই এর আর্থিক সুবিধা বা বকেয়া প্রাপ্য হবেন।

নেতৃবৃন্দের বিশেষ আহ্বান:

বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব এবং ১১-২০ গ্রেড সরকারি চাকরিজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহমুদুল হাসান সাধারণ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে বলেন,

“সোশ্যাল মিডিয়া ও মেইন স্ট্রিম মিডিয়ার বিভিন্ন অপতথ্যা ও গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে সবাই ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন। প্রক্রিয়াটি তার স্বাভাবিক গতিতেই এগিয়ে চলছে।”

১১ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার ফোরামগুলো মনে করছে, যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাকি দুটি ধাপ—অর্থাৎ মন্ত্রিসভার অনুমোদন এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের গেজেট নোটিফিকেশন সম্পন্ন হলে সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সংকট দূর করতে তা অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *