মায়ের নামে থাকা জমি, বাড়ি, টাকা বা অন্যান্য সম্পত্তি তাঁর মৃত্যুর পর সন্তানদের মধ্যে কীভাবে ভাগ হবে—এ নিয়ে অনেকের মধ্যেই বিভ্রান্তি রয়েছে। বিশেষ করে একটি প্রশ্ন প্রায়ই সামনে আসে—মায়ের সম্পত্তিতে মেয়েরা কি ছেলের চেয়ে বেশি পায়?
এর সরাসরি উত্তর হলো—সব ক্ষেত্রে মেয়েরা বেশি পায় না। আবার সব পরিস্থিতিতে মেয়েরা ছেলের অর্ধেক পাবে—এ কথাটিও সম্পূর্ণ সঠিক নয়। উত্তরাধিকারীর সংখ্যা, মায়ের স্বামী জীবিত কি না, মায়ের বাবা-মা জীবিত ছিলেন কি না, কোনো সন্তান মায়ের আগে মারা গেছেন কি না এবং সম্পত্তির ধরন—এসব বিষয়ের ওপর চূড়ান্ত হিসাব নির্ভর করে।
বাংলাদেশে মুসলিমদের ক্ষেত্রে অন্তঃস্বত্ব উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) প্রযোজ্য। ১৯৩৭ সালের মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) প্রয়োগ আইনের ২ ধারায় উত্তরাধিকার বিষয়ে এই আইন প্রয়োগের কথা বলা হয়েছে; তবে একই ধারায় কৃষিজমি নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম রয়েছে।
মায়ের সম্পত্তি বলতে কী বোঝায়?
প্রথমেই একটি বিষয় পরিষ্কার করা জরুরি। মা যদি জীবদ্দশায় নিজের নামে কোনো জমি, বাড়ি, অর্থ বা অন্য সম্পত্তির বৈধ মালিক হয়ে থাকেন, তাহলে তাঁর মৃত্যুর পর সেই সম্পত্তি তাঁর নিজস্ব সম্পত্তি হিসেবে উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বণ্টনের প্রশ্ন আসে।
উদাহরণ হিসেবে, বাবা মারা যাওয়ার পর মা যদি বাবার সম্পত্তি থেকে আইনগতভাবে কোনো অংশ পেয়ে থাকেন এবং সেই অংশ মায়ের নামে/অধিকারে চলে আসে, পরবর্তীতে মায়ের মৃত্যুর পর সেটি মায়ের উত্তরাধিকার সম্পত্তি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
তাই বাবার সম্পত্তির উত্তরাধিকার হিসাব এবং মায়ের মৃত্যুর পর মায়ের নিজস্ব সম্পত্তির উত্তরাধিকার হিসাব—দুটি আলাদা ধাপ।
১ ছেলে ও ১ মেয়ে থাকলে কে কত পাবে?
মুসলিম পরিবারের ক্ষেত্রে যদি সরল একটি পরিস্থিতি ধরা হয়—মায়ের মৃত্যুর সময় প্রাসঙ্গিক ওয়ারিশ হিসেবে শুধু ১ ছেলে ও ১ মেয়ে রয়েছেন এবং অন্য কোনো ওয়ারিশের অংশ বিবেচনায় আসছে না—তাহলে ছেলে ও মেয়ের মধ্যে অবশিষ্ট সম্পত্তি সাধারণভাবে ২:১ অনুপাতে বণ্টিত হবে।
অর্থাৎ—
| ওয়ারিশ | অংশ | শতাংশ |
|---|---|---|
| ১ ছেলে | ২ ভাগ | ৬৬.৬৭% |
| ১ মেয়ে | ১ ভাগ | ৩৩.৩৩% |
| মোট | ৩ ভাগ | ১০০% |
উদাহরণ
মায়ের সম্পত্তি যদি হয় ১২ শতাংশ জমি, তাহলে এই সরল পরিস্থিতিতে—
- ছেলে পাবেন ৮ শতাংশ
- মেয়ে পাবেন ৪ শতাংশ
আবার সম্পত্তি যদি ৯ শতাংশ হয়—
- ছেলে পাবেন ৬ শতাংশ
- মেয়ে পাবেন ৩ শতাংশ
অর্থাৎ শুধু একজন ছেলে ও একজন মেয়ে থাকলে সাধারণ সূত্রটি হবে:
ছেলে : মেয়ে = ২ : ১
তাহলে মেয়েরা কি কখনো বেশি পেতে পারে?
হ্যাঁ, নির্দিষ্ট পারিবারিক কাঠামোয় মেয়েদের সম্মিলিত অংশ ছেলের অংশের চেয়ে বেশি হতে পারে।
কারণ উত্তরাধিকার হিসাব শুধু ছেলে-মেয়ের সংখ্যা দিয়ে হয় না। মায়ের মৃত্যুর সময় তাঁর স্বামী, বাবা-মা, ছেলে-মেয়ে এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক ওয়ারিশ কারা জীবিত ছিলেন—তা বিবেচনা করতে হয়।
ফলে “মায়ের সম্পত্তিতে ছেলে অর্ধেক, মেয়ে অর্ধেক”—অথবা “মেয়ে সবসময় বেশি পায়”—এ ধরনের এক লাইনের সূত্র দিয়ে সব পরিবারের হিসাব করা যায় না।
দুই বা ততোধিক মেয়ে থাকলে হিসাব ভিন্ন হতে পারে
ধরা যাক, কোনো মায়ের কোনো ছেলে নেই, কিন্তু দুই বা ততোধিক মেয়ে রয়েছে। এ অবস্থায় তাঁদের উত্তরাধিকার হিসাব একজন ছেলে ও একজন মেয়ের পরিস্থিতির মতো হবে না।
এখানে অন্য ওয়ারিশদের উপস্থিতি এবং তাঁদের নির্ধারিত অংশ বিবেচনা করে হিসাব করতে হয়। ফলে মেয়েদের সম্মিলিত অংশ উল্লেখযোগ্য হতে পারে।
তাই শুধু “ছেলে নেই” বা “মেয়ে বেশি”—এমন তথ্য দিয়ে চূড়ান্ত অংশ নির্ধারণ করা যাবে না।
মায়ের স্বামী জীবিত থাকলে কী হবে?
এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মা মারা যাওয়ার সময় তাঁর স্বামী অর্থাৎ সন্তানদের বাবা জীবিত থাকলে তিনিও উত্তরাধিকারী হিসেবে বিবেচিত হতে পারেন। ফলে সম্পত্তি প্রথমে সংশ্লিষ্ট ওয়ারিশদের নির্ধারিত অংশ অনুযায়ী হিসাব করতে হবে; এরপর অবশিষ্ট অংশ সন্তানদের মধ্যে প্রযোজ্য নিয়মে বণ্টন হবে।
অর্থাৎ—
মা মারা গেছেন + বাবা জীবিত + ১ ছেলে + ১ মেয়ে
এই পরিস্থিতির হিসাব শুধু ১ ছেলে + ১ মেয়ের ২:১ হিসাবের মতো হবে না।
এ কারণে বাস্তবে ওয়ারিশ নির্ধারণ না করে সরাসরি জমির ভাগ করে ফেলা ঝুঁকিপূর্ণ।
মায়ের বাবা-মা জীবিত থাকলেও হিসাব বদলাতে পারে
মায়ের মৃত্যুর সময় তাঁর নিজের বাবা বা মা জীবিত থাকলে তাঁদের অধিকারও বিবেচনায় আসতে পারে।
তাই মায়ের সম্পত্তির হিসাব করার সময় শুধু তাঁর সন্তানদের তালিকা করলেই হবে না। দেখতে হবে—
- মায়ের স্বামী জীবিত কি না
- মায়ের বাবা জীবিত ছিলেন কি না
- মায়ের মা জীবিত ছিলেন কি না
- কতজন ছেলে
- কতজন মেয়ে
- কোনো ছেলে বা মেয়ে আগে মারা গেছেন কি না
- আগে মারা যাওয়া সন্তানের সন্তান আছে কি না
এসব তথ্যের ওপর চূড়ান্ত হিসাব নির্ভর করতে পারে।
মা মারা যাওয়ার আগেই কোনো সন্তান মারা গেলে কী হবে?
এখানে বাংলাদেশের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ৪ ধারা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
আইনের ৪ ধারায় বলা হয়েছে, উত্তরাধিকার খোলার আগে কোনো ছেলে বা মেয়ে মারা গেলে তাঁর জীবিত সন্তানরা নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ওই ছেলে বা মেয়ে জীবিত থাকলে যে অংশ পেত, তার সমপরিমাণ অংশ পেতে পারে।
অর্থাৎ, মায়ের কোনো ছেলে বা মেয়ে মায়ের আগেই মারা গেছেন—এমন হলে তাঁর সন্তানদের বিষয়টি বাদ দিয়ে সরাসরি হিসাব করা ঠিক হবে না।
মা জীবিত থাকলে সন্তানরা কি এখনই উত্তরাধিকার দাবি করতে পারে?
সাধারণভাবে উত্তরাধিকার কার্যকর হওয়ার বিষয়টি মৃত্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত। মা জীবিত থাকা অবস্থায় তাঁর নিজের সম্পত্তিকে সন্তানের উত্তরাধিকার সম্পত্তি ধরে ভাগ করে নেওয়া এবং মায়ের মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার বণ্টন—দুটি ভিন্ন বিষয়।
মা জীবদ্দশায় তাঁর সম্পত্তি নিয়ে বৈধভাবে কোনো হস্তান্তর, দান, হেবা বা অন্য ব্যবস্থা করলে সেটির আইনি প্রভাব আলাদা করে দেখতে হবে।
তাই জীবিত মায়ের সম্পত্তিকে “মৃত মায়ের উত্তরাধিকার সম্পত্তি” হিসেবে ধরে সন্তানদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়া ঠিক নয়।
কৃষিজমির ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা
জমি-জমার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলো জমিটি কৃষিজমি নাকি অকৃষি জমি।
১৯৩৭ সালের মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) প্রয়োগ আইনের ২ ধারায় মুসলিমদের অন্তঃস্বত্ব উত্তরাধিকার বিষয়ে শরিয়ত আইন প্রয়োগের কথা বলা হলেও কৃষিজমিকে ওই ধারার সরাসরি প্রয়োগ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
তাই কোনো জমি কৃষিজমি হলে শুধু সাধারণ মুসলিম উত্তরাধিকার সূত্রের ২:১ হিসাব বসিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়।
জমির শ্রেণি, খতিয়ান, রেকর্ড এবং প্রযোজ্য ভূমি আইনও যাচাই করা প্রয়োজন।
মা বাবার কাছ থেকে জমি পেলে সেটি কার সম্পত্তি?
ধরা যাক, বাবা মারা যাওয়ার পর মা তাঁর স্বামীর সম্পত্তি থেকে একটি অংশ উত্তরাধিকার হিসেবে পেলেন।
সেই অংশ আইনগতভাবে মায়ের সম্পত্তিতে পরিণত হলে পরবর্তীতে মায়ের মৃত্যুর পর সেটির উত্তরাধিকার হিসাব মায়ের ওয়ারিশদের ভিত্তিতে হবে।
অর্থাৎ একটি জমির ইতিহাস এমন হতে পারে—
দাদার সম্পত্তি → বাবার অংশ → মায়ের উত্তরাধিকার অংশ → মায়ের মৃত্যুর পর সন্তানের উত্তরাধিকার
প্রতিটি পর্যায়ে আলাদা করে ওয়ারিশ নির্ধারণ করতে হবে।
শুধু নামজারি করলেই কি সম্পত্তির ভাগ চূড়ান্ত হয়ে যায়?
না। নামজারি, খতিয়ান, দলিল, ওয়ারিশ সনদ এবং বাস্তব বণ্টন—এসবের আইনগত ভূমিকা এক নয়।
কোনো উত্তরাধিকারী কত অংশের মালিক হয়েছেন এবং নির্দিষ্ট দাগে কে কতটুকু জমি পাবেন—এই দুই বিষয়ও আলাদা করে দেখা প্রয়োজন।
ভাই-বোনের মধ্যে জমি ভাগ করার ক্ষেত্রে ওয়ারিশ নির্ধারণের পর বণ্টননামা/প্রয়োজনীয় দলিল, নামজারি ও রেকর্ড সংশোধন সঠিকভাবে সম্পন্ন করা গুরুত্বপূর্ণ।
মায়ের সম্পত্তি ভাগের আগে ১০টি তথ্য অবশ্যই যাচাই করুন
১. মা কবে মারা গেছেন
২. মায়ের স্বামী জীবিত কি না
৩. মায়ের বাবা জীবিত ছিলেন কি না
৪. মায়ের মা জীবিত ছিলেন কি না
৫. মোট ছেলে কতজন
৬. মোট মেয়ে কতজন
৭. কোনো সন্তান মায়ের আগে মারা গেছেন কি না
৮. আগে মারা যাওয়া সন্তানের সন্তান আছে কি না
৯. সম্পত্তি কৃষিজমি নাকি অকৃষি জমি
১০. সম্পত্তির দলিল, খতিয়ান, দাগ ও নামজারির বর্তমান অবস্থা কী
একটি সহজ উদাহরণে পুরো বিষয়টি
ধরা যাক, একজন মা ১৮ শতাংশ জমি রেখে মারা গেলেন।
যদি ধরে নেওয়া হয় যে প্রাসঙ্গিক ওয়ারিশ হিসেবে শুধু ১ ছেলে ও ১ মেয়ে আছেন এবং অন্য কারও অংশ বিবেচনায় আসছে না, তাহলে ৩ ভাগের মধ্যে—
ছেলে = ২ ভাগ = ১২ শতাংশ
মেয়ে = ১ ভাগ = ৬ শতাংশ
এখানে মেয়ে ছেলের চেয়ে বেশি পাবেন না।
কিন্তু যদি মায়ের স্বামী, বাবা-মা বা অন্য কোনো প্রাসঙ্গিক ওয়ারিশ জীবিত থাকেন, তাহলে এই সরল হিসাব আর প্রযোজ্য হবে না।
প্রচলিত কয়েকটি ভুল ধারণা
ভুল ধারণা ১: “মায়ের সম্পত্তি বলে মেয়েরা বেশি পাবে”
এটি সাধারণ নিয়ম নয়।
ভুল ধারণা ২: “মেয়ে কখনো ছেলের সমান পেতে পারে না”
এটিও সব পরিস্থিতিতে সঠিক নয়। উত্তরাধিকার কাঠামো পরিবর্তিত হলে ফলও পরিবর্তিত হতে পারে।
ভুল ধারণা ৩: “মা বাবার কাছ থেকে যে জমি পেয়েছেন, সেটি আবার বাবার সম্পত্তি হিসেবে ভাগ হবে”
মা যদি আইনগতভাবে সেই সম্পত্তির মালিক হয়ে থাকেন, তাহলে তাঁর মৃত্যুর পর সেটি মায়ের সম্পত্তি হিসেবে উত্তরাধিকার নির্ধারণের বিষয় হতে পারে।
ভুল ধারণা ৪: “১ ছেলে ও ১ মেয়ে মানেই পুরো জমি ২:১”
শুধু তখনই এই সরল হিসাব করা যায় যখন অন্য প্রাসঙ্গিক ওয়ারিশের অংশ নেই এবং সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির ক্ষেত্রে সেই নিয়ম প্রযোজ্য।
২০২৬ সালে মূল কথা কী?
মায়ের সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রে “মেয়েরা কি বেশি পায়?”—এর উত্তর হলো: পরিস্থিতিভেদে হিসাব বদলায়।
মুসলিম পরিবারের একটি সরল উদাহরণে, যদি উত্তরাধিকারী শুধু ১ ছেলে ও ১ মেয়ে হন এবং অন্য কোনো ওয়ারিশের অংশ না থাকে, তাহলে ছেলে-মেয়ের অংশ সাধারণভাবে ২:১ হবে।
কিন্তু মা যদি স্বামী, বাবা-মা, একাধিক সন্তান অথবা আগে মারা যাওয়া কোনো সন্তানের সন্তান রেখে যান, তাহলে পুরো হিসাব নতুন করে করতে হবে। মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ৪ ধারায় আগে মারা যাওয়া ছেলে বা মেয়ের সন্তানদের জন্য বিশেষ বিধান রয়েছে।
আর জমিটি কৃষিজমি হলে ১৯৩৭ সালের আইনের কৃষিজমি-সংক্রান্ত ব্যতিক্রমের কারণে বিষয়টি আরও সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করা প্রয়োজন।
শেষ কথা
মায়ের সম্পত্তিতে মেয়েরা বেশি পাবে—এমন কোনো সর্বজনীন নিয়ম নেই। একইভাবে শুধু “ছেলে দ্বিগুণ, মেয়ে একগুণ”—এই সূত্র দিয়েও প্রতিটি পরিবারের চূড়ান্ত হিসাব করা যায় না।
সঠিক হিসাবের প্রথম ধাপ হলো মায়ের মৃত্যুর সময় জীবিত সব ওয়ারিশের পূর্ণ তালিকা তৈরি করা। এরপর সম্পত্তির ধরন ও প্রযোজ্য আইন যাচাই করে প্রত্যেকের হিস্যা নির্ধারণ করতে হবে। বড় বা বিরোধপূর্ণ সম্পত্তির ক্ষেত্রে দলিল, খতিয়ান, ওয়ারিশ সনদ ও সংশ্লিষ্ট ভূমি রেকর্ড যাচাই করে আইনজীবী/ভূমি-আইন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া নিরাপদ।

