বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভূমি সেবা ইন্টারনেট ব্যাংকিং সহ তথ্যের ভান্ডার।

শিরোনাম
মোটরসাইকেলের ট্যাক্স টোকেন নবায়ন: কত টাকা ফি, কখন জরিমানা এবং অনলাইনে যেভাবে হিসাব করবেন মোবাইল ডেটা ও কলের খরচ কমানোর নতুন উদ্যোগ, এক প্ল্যাটফর্মেই মিলবে ৫ অপারেটরের প্যাকের তুলনা এইচএসসি ২০২৬: ময়মনসিংহ বোর্ডে ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন ৭ নভেম্বর পর্যন্ত, প্রতি পত্রে ফি ১৫০ টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের আগে জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, লোকসান এড়াতে নতুনদের জন্য বিশেষ গাইড Leave List 2027: সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ছুটির বড় সুযোগ, এক দিন ছুটি নিলেই মিলতে পারে দীর্ঘ অবকাশ সরকারি কর্মচারীদের সার্ভিস বুক নিয়ে সতর্কতা, চাকরি থেকে পেনশন পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যেসব তথ্য থাকতে হবে নতুন বেতন কাঠামোয় বাড়িভাড়া নিয়ে নতুন হিসাব, ১৫তম ও ১৬তম গ্রেডে বড় পার্থক্য বাড়ি নির্মাণে রডের খরচ কত? BSRM, KSRM, GPH ও AKS-এর দাম ও হিসাব জানুন এক ক্লিকেই ২৯ দেশের মুদ্রার হিসাব, বাংলাদেশি টাকায় মূল্য জানার নতুন ডিজিটাল সুবিধা সড়ক পরিবহন বিধিমালায় সংশোধন: মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেট প্রদর্শনে নতুন নিয়ম

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩২ বছর: সংসদে বিল পাস

admin ২ মিনিটের পাঠ
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩২ বছর: সংসদে বিল পাস

দেশের লক্ষ লক্ষ চাকরিপ্রার্থীর দীর্ঘদিনের দাবির মুখে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণ করে জাতীয় সংসদে বিল পাস হয়েছে। এর মাধ্যমে দীর্ঘ কয়েক বছরের আইনি জটিলতা ও অসংগতির অবসান ঘটতে যাচ্ছে।

এটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম পাস হওয়া বিল হিসেবে রেকর্ডভুক্ত হলো। আজ জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী ‘সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফিনান্সিয়াল করপোরেশন এবং স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে সরাসরি নিয়োগের সর্বোচ্চ বয়সসীমা আইন, ২০২৬’ শীর্ষক বিলটি উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

বিলের প্রেক্ষাপট ও প্রয়োজনীয়তা

বিলে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৪ সালে এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ থেকে বাড়িয়ে ৩২ বছর করা হয়েছিল। তবে সেই সময় কিছু বিশেষায়িত নিয়োগ বিধিমালায় বয়সসীমা ৩৩, ৩৫, ৪০ এমনকি ৪৫ বছর নির্ধারিত থাকায় প্রশাসনিক ও আইনি জটিলতা তৈরি হয়।

এই অসংগতি দূর করতে ২০২৫ সালে পুনরায় সংশোধনী এনে নতুন অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। আজ সেই অধ্যাদেশটিই একটি স্থায়ী এবং পূর্ণাঙ্গ আইনে পরিণত হলো।

আইনের মূল দিকসমূহ

  • আওতাভুক্ত প্রতিষ্ঠান: সরকারি দপ্তর, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফিনান্সিয়াল করপোরেশন এবং সকল স্বশাসিত প্রতিষ্ঠান।

  • একক নিয়ম: সব ধরনের সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা এখন থেকে হবে ৩২ বছর (বিশেষ কোটা বা ক্ষেত্র ব্যতীত, যা বিধি দ্বারা নির্ধারিত)।

  • সামঞ্জস্যতা: বাংলাদেশের বর্তমান আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর চাকরি বিধিমালার সাথে সামঞ্জস্য রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ইতিবাচক প্রভাব

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই আইন কার্যকর হওয়ার ফলে:

  1. বেকারত্ব নিরসন: শিক্ষিত বেকার যুবকদের দেশের উন্নয়নে সরাসরি যুক্ত হওয়ার সুযোগ বাড়বে।

  2. সুযোগের সমতা: বয়সসীমা বৃদ্ধির ফলে অধিক সংখ্যক প্রার্থী প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।

  3. অর্থনৈতিক গতিশীলতা: শ্রমবাজার ও দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য

বিলটি পাসের সময় জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন,

“তরুণ প্রজন্মের মেধা ও আকাঙ্ক্ষাকে মূল্যায়ন করতেই এই আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যে অসংগতি ছিল তা দূর হবে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে।”

জাতীয় সংসদে এই বিল পাসের মাধ্যমে দেশের সাধারণ চাকরিপ্রার্থীদের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের একটি যৌক্তিক আইনি সমাপ্তি ঘটলো। এখন থেকে উল্লিখিত সকল প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে এই নতুন বয়সসীমা কার্যকর হবে।

আরও পড়ুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *